logo
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৬ আশ্বিন ১৪২৭

  মাহবুবুর রহমান   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০  

সাজেদ এএ আদেল

উন্নতি করতে মনের মধ্যে হকি থাকতে হবে

হকির প্রতি ভালোবাসাটা ছিল জীবনের শুরু থেকেই। যে কারণে সারাটা জীবন হকির সঙ্গেই কাটিয়ে দিয়েছেন। খেলোয়াড় হিসেবে নামি সব ক্লাব আর জাতীয় দলের জার্সিতেও ছিলেন দারুণ সফল। খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর থেকেই হকির কল্যাণে কাজ করছেন একজন সফল সংগঠক হিসেবে। বর্তমানে হকি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও খেলোয়াড় সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান সাজেদ এএ আদেল। এছাড়া এশিয়ান হকি ফেডারেশনের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হকি বস্নু তিনি। দৈনিক যায়যায়দিনকে জানালেন হকি অঙ্গনের অনেক জানা-অজানা কথা। তার এই সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিবেদক

উন্নতি করতে মনের মধ্যে হকি থাকতে হবে
হকিতে আপনার শুরু কবে থেকে?

সাজেদ আদেল : হকিতে এসেছি ১৯৭৪ সালে। কম্বাইন্ড স্পোর্টিং ক্লাব দিয়ে শুরু। আমি অধিনায়ক ছিলাম। সেখানে তিন বছর খেলার পর আমার এলাকারই মাহুতটুলী (বর্তমান উষা ক্রীড়াচক্র) ক্লাবে ২ বছর খেলি। এরপর ওয়ারীতে ১ বছর খেলেছি। '৭৯ সাল থেকে '৯১ সাল পর্যন্ত প্রায় পুরোটা সময় মোহামেডানে খেলেছি। এই সময়ের মাঝে শুধু ১৯৮৪ সালে মোহামেডান দল গড়েনি। সেবার মাহুতটুলীতে খেলেছিলাম। খেলোয়াড় ও সংগঠক হিসেবে মোহামেডানের সঙ্গে প্রায় ৪০ বছর ধরে আছি।

জাতীয় দলে প্রথম কবে সুযোগ পেয়েছিলেন? কোন পজিশনে খেলতেন?

সাজেদ আদেল : জাতীয় দলে প্রথম সুযোগ পাই ১৯৮২ সালে। লেফট হাফে খেলতাম। এই পজিশনটা বেশ কঠিন ছিল।

তখনকার হকি আর এখনকার হকিতে কী পার্থক্য দেখছেন?

সাজেদ আদেল : নিয়মকানুনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। হকিটাকে গতিশীল করতে এখন আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন অফসাইডসহ অনেক কিছু বাদ দিয়েছে। তখন ঘাসের মাঠে হকি হতো। নৈপুণ্য দেখানোর সুযোগ বেশি ছিল। এখন টার্ফের মাঠে হকিটা হয়ে গেছে পাওয়ার হকি। এখন গোল অনেক বেশি হয়। আগে এত গোল হতো না। এখন টার্ফে খেলতে বেশি স্ট্যমিনাও দরকার হয়।

হকির উন্নয়নে কোন বিষয়টা অন্তরায় বলে মনে করেন?

সাজেদ আদেল : ফেডারেশনের ৩১ সদস্যের সবাই সব সময় থাকে না। কিছুদিন পর পর লোক পরিবর্তন হয়ে যায়। হকির উন্নয়ন করতে হলে হকিটাকে মনে প্রাণে ভালো বাসতে হবে। হৃদয়ের মধ্যে হকি থাকতে হবে। কিন্তু এখন দেখা যায়, ব্যবসায়ীরাও চলে আসেন নির্বাচন করতে। তারা হয়তো লাইম লাইটে আসতে বা স্পোর্টসে থাকতে হবে বলে আসেন।

নারী হকির ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনাদের পরিকল্পনা কী? পাইপলাইন নিয়ে কী ভাবছেন?

সাজেদ আদেল : আমাদের মেয়েরা কিন্তু শুরুতেই বেশ ভালো করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের কোচ প্রতিনিয়ত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিকেএসপিকে ধন্যবাদ। তারা নারী হকি শুরু করেছে। তাতে করে আমাদের ভবিষ্যৎ পাইপলাইন তৈরি হয়ে গেল।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে