logo
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৭ আশ্বিন ১৪২৭

  যাযাদি রিপোর্ট   ১১ আগস্ট ২০২০, ০০:০০  

ওএমএসে পাওয়া যাবে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল

ওএমএসে পাওয়া যাবে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল
মোহাম্মদপুরে ওএমএস কর্মসূচির উদ্বোধন

রাজধানীর খোলা বাজারে (ওএমএস) এখন থেকে সাধারণ চালের পরিবর্তে কম দামে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল পাওয়া যাবে। খাদ্য মন্ত্রণালয় ও ডবিস্নউএফপি ওএমএসের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল (ফর্টিফায়েড রাইস) অন্তর্ভুক্ত করেছে। নিউট্রিশন ইন্টারন্যাশনাল এবং গেস্নাবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রম্নভড নিউট্রিশন এ কর্মসূচির সপক্ষে সমর্থন বাড়াতে অ্যাডভোকেসির কাজে সহযোগিতা দেবে। সোমবার বাংলাদেশে ডবিস্নউএফপির প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচার্ড রেগান, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ এবং ঢাকা রেশনিংয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রক মো. জাহাঙ্গীর আলম যৌথভাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অধীন মোহাম্মাদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় এ ওএমএস কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ডবিস্নউএফপি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ওএমএস একটি জনমুখী খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি। এর মাধ্যমে বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন অনুযায়ী বছরজুড়ে কমমূল্যে চাল বিক্রি করা হয়। উলেস্নখ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারযোগ্য একটি পণ্য যা বৃহৎ পরিসরে ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি পূরণে অনেক সহায়তা করে। পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের দানা দেখতে সাধারণ চালের মতোই, এর রান্নার পদ্ধতি ও স্বাদও সাধারণ চালের মতো, তবে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি১২, ফলিক এসিড, আয়রন ও জিংক এ ছয়টি অপরিহার্য ভিটামিন ও খনিজ দিয়ে এ দানাগুলোকে সমৃদ্ধ করা হয়ে থাকে। সাধারণ চালের সঙ্গে ১:১০০ অনুপাতে এগুলো মেশানো হয়। এই কর্মসূচির আওতায় পুষ্টিসমৃদ্ধ চালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ৩০ টাকা। যা বাজারমূল্য থেকে কম। স্বল্প আয়ের প্রত্যেক পরিবার প্রতিদিন পাঁচ কেজি পর্যন্ত চাল কিনতে পারবে। এ রকম প্রতিটি পরিবার গড়ে প্রতিমাসে ২০ কেজি পর্যন্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল কিনতে পারবে। ওএমএসের মাধ্যমে ১ লাখ ৪৪ হাজার পরিবারের প্রায় ৭ লাখ ২০ হাজার মানুষ উপকৃত হবে। সপ্তাহে ছয়দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১২০টি কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত দোকানের মাধ্যমে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল বিক্রি করা হবে। ডবিস্নউএফপির লক্ষ্য হলো ওএমএস কর্মসূচির মাধ্যমে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল বিতরণ নিশ্চিত করা। যাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা পরিবারের সদস্যদের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টিসংক্রান্ত উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হয়, বিশেষত যেসব পরিবারে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ও খনিজ জাতীয় খাবার থাকে না। খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ বলেন, যারা কোভিড-১৯ সংকটের কারণে আয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং সে কারণে সামর্থ্যের অভাবে যারা খাদ্য বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে পারছে না, তাদের এ পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল খনিজ ও ভিটামিন সরবরাহ করবে। তাছাড়া, এটা ব্যয় সাশ্রয়ী একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে শহরের স্বল্প আয়ের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করা যায়। বাংলাদেশে ডবিস্নউএফপির প্রতিনিধি রিচার্ড রেগান বলেন, খাদ্য অনিরাপত্তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব পড়ে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর, বিশেষ করে দ্রম্নত নগরায়ণ হচ্ছে এমন সব এলাকায় যারা বাস করে, তাদের ওপর। বৈচিত্র্যপূর্ণ ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সামর্থ্য না থাকা বাংলাদেশে পুষ্টিহীনতা এবং ভিটামিন ও খনিজ ঘাটতির অন্যতম কারণ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে