দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন

আ'লীগের ১৩৬, বিএনপির বহিষ্কৃত ৬, অন্যান্য ১৪ জয়ী

প্রকাশ | ২৩ মে ২০২৪, ০০:০০ | আপডেট: ২৬ মে ২০২৪, ১১:১৭

যাযাদি ডেস্ক

ম যাযাদি ডেস্ক উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে দেশের ১৫৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে মঙ্গলবার। এর মধ্যে ২৪ উপজেলায় ভোট হয়েছে ইভিএমে। বাকিগুলোতে ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলাগুলোর মধ্যে সাতটিতে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া দুটি উপজেলায় চেয়ারম্যান, সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা সবাই বিনাভোটে জয়ী হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনেও একচেটিয়া জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। ১৫৬ উপজেলার মধ্যে ১৩৬টিতে জিতেছেন দলটির নেতারা। এছাড়া বিএনপির বহিষ্কৃত ছয় নেতা, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক, জাতীয় পার্টির (জেপি) এক (পদত্যাগী), আঞ্চলিক দল থেকে দুই ও বাকিগুলোতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে বিস্তারিত- চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি জানান, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল করিম সাঈদী দোয়াত-কলম প্রতীকে ৫৬ হাজার ১২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী জাফর আলম পেয়েছেন ৫২ হাজার ২৫২ ভোট। জাফর আলম ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। বিগত সংসদ নির্বাচনেও তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি জানান, দুই বারের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ২৯৩ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা আকতার আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫৩৪ ভোট। কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, ঈদগাঁও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু তালেব চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুল আলম মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯০৭ ভোট। কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান পদে রাকিবুজ্জামান আহমেদ আনারস প্রতীকে ২৪ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাহাবুবুজ্জামান আহমেদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ১৯১ ভোট। রাকিবুজ্জামান সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদের ছেলে এবং মাহাবুবুজ্জামান আহমেদ এমপির আপন ভাই। আদিতমারী (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি জানান, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক ইমরুল কায়েস মোটর সাইকেল প্রতীকে ৩৩ হাজার ১৩৫ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম আনারস প্রতীক নিয়ে ২৯ হাজার ১৮ ভোট পেয়েছেন। কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক মো. আবু সাঈদ মিঞা ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ১১ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার পল্টন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছে ৬ হাজার ২৯৪। নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ আব্দুল হক আনারস প্রতীকে ৩৮ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মুইদুল ইসলাম মোটর সাইলকে প্রতীক নিয়ে ৩৫ হাজার ৫২০ ভোট পেয়েছেন। রাজশাহী অফিস, বাগমারা, পুটিয়া ও দুর্গাপুর প্রতিনিধি জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জাকিরুল ইসলাম সান্টু ঘোড়া প্রতীকে ৪৭ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাবু আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৩২১ ভোট। পুঠিয়ায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৬৭৯ ভোট। অন্যদিকে, দুর্গাপুরে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪২ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল মজিদ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৩৭২ ভোট।

কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে দোয়াত-কলম প্রতীকে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন ৭ হাজার ৩৬২ পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৭৩ ভোট।

রাজস্থলী (রাঙামাটি) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উবাচ মারমা আনারস প্রতীকে ৭ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াজ উদ্দিন রানা দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১৮ ভোট।

পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি এ কে এম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ মোটর সাইকেল প্রতীকে ১৯ হাজার ৫৯৫ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তৌহিদুল ইসলাম দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৪ ভোট।

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে উপজেলা যুবগীগের সদস্য শাকিল আলম বুলবুল আনারস প্রতীকে ৯১ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ প্রধান মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৮২ হাজার ৪৫ ভোট।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, সদরে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমিনুর জামান রিংকু দোয়াত-কলম প্রতীকে ৫৪ হাজার ৭৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ইস্তেকুর রহমান কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৪৪ ভোট।
বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মো. নজরুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে ২৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুর রউফ তালুকদার মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮০৯ ভোট। মো. নজরুল ইসলাম জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদের আপন ভাই। অন্যদিকে, দেওয়ানগঞ্জে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ঘোড়া প্রতীকে ৩০ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সোলাইমান হোসেন মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৮৯৮ ভোট। 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, সদরে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জ্বল আকন্দ ঘোড়া প্রতীকে ৪০ হাজার ৭০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আমিন কোতোয়াল মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ২৬৬ ভোট।

জাজিরা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী ইদ্রিস আলী ফরাজী মোটর সাইকেল প্রতীকের ৪৭ হাজার ৮৪৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য আমিনুল ইসলাম রতন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ১১২ ভোট।

কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান শাহিন মোটর সাইকেল প্রতীকে ৩৬ হাজার ১৯০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রবাসী নুরুজ্জামান সরদার পেয়েছেন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৯১৬ ভোট।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাইদ দোয়াত-কলম প্রতীকে ৪৫ হাজার ৭১৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪০ হাজার ৫৫৭ ভোট।
মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই আকন্দ মোটর সাইকেল প্রতীকে ৬৭ হাজার ২৯০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরব আলী দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৩৮ ভোট।

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা আনারস প্রতীকে ৫৫ হাজার ৮৯৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন খান দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৯৬৭ ভোট।

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিনা মির্জা মুক্তি মোটর সাইকেল প্রতীকে ৮৮ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নবী নেওয়াজ খাঁন বিন হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৬১ ভোট।

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি মনিরুজ্জামান মনি দোয়াত-কলম প্রতীকে ৪০ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সন্জিত কুমার কর্মকার আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬২৭ ভোট।

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী হাবিবুর রহমান ১ লাখ ১৮ হাজার ভোট পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু হোসেন ভূঞা রানু পেয়েছেন ২০ হাজার ৪৩৪ ভোট।

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বপন ঘোড়া প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজালাল মিয়া দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ১৩২ ভোট।

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম ঘোড়া প্রতীকে ৮১ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল হোসেন ওমর আনাসর প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৬২৫ ভোট।

নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি জানান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সদস্য কাজী শাহ জামান বাবুল আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ২০৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনিরুজ্জামান সরদার মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ২৩৭ ভোট।

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ সমর্থক মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ৭৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী অহিদুজ্জামান মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪২ ভোট।
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইউনুস গনি চৌধুরী আনারস প্রতীকে ৩৬ হাজার ৭৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহরাব হোসেন চৌধুরী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৫ ভোট।

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মুহুরী মোটর সাইকেল প্রতীকে ৫৯ হাজার ১৬৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মু. বখতেয়ার সাইদ ইরান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭৬৭ ভোট।

শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩৭ হাজার ৫৭০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অহিদুজ্জামান অহিদ আনারস প্রতীকে ১২ হাজার ২৯১ ভোট পেয়েছেন।

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খান রাজু আনারস প্রতীকে ৩৯ হাজার ৮৩২ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা শ্রমিক লীগের সাবেক আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম রাজা মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ১২৮ ভোট।

সিরাজুল ইসলাম খান রাজু স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইফুল্লাহ আল মেহেদি বাঁধনের বাবা।

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আহম্মেদুর রহমান বিপ্লব মোটর সাইকেল প্রতীকে ৩৭ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফজলুল হক প্রামাণিক আনারস প্রতীকে ২০ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়েছেন।

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আল হাসিবুল হাসান কবিরাজ সুরুজ আনারস প্রতীকে ৩৮ হাজার ৩৩০ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৪৬ ভোট।

সেনবাগ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাইফুল আলম দিপু আনারস প্রতীকে ৩২ হাজার ১৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মো. আবু জাফর টিপু দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৭৩৪ ভোট।

চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, চাটখিল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির দোয়াত-কলম প্রতীকে ৬৫ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জেড এম আজাদ খান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ২৬৭ ভোট।

সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাবুল আনারস প্রতীকে ৭৭ হাজার ১৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মোমিনুল ইসলাম হেলিকপ্টার প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৭৮১ ভোট।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম রতন আনারস প্রতীকে ৫২ হাজার ৪৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৩ ভোট।

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি মোটর সাইকেল প্রতীকে ৩৭ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান আবু নুর আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৭৩ ভোট।

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা মো. সাজাদুর রহমান তালুকদার সাজু আনারস প্রতীকে ৫০ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. গোলাম হোসেন মন্টু মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ৮৪ ভোট।

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান ৪৩ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কবিরুজ্জামান কবির পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৬২।

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শ্যামল কুমার দে ৩১ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭৮৪ ভোট।
কুমিল্লা ও বরুড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি জানান, বরুড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের সমর্থক মো. হামিদ লতিফ ভূঁইয়া কামাল আনারস প্রতীকে ৯০ হাজার ৯২৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এএনএম মইনুল ইসলাম হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬২৩ ভোট। হামিদ লতিফ ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের শ্যালক। অন্যদিকে, সদর দক্ষিণে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই বাবলু হেলিকপ্টার প্রতীকে ২০ হাজার ৭৬৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের আক্তারুজ্জামান রিপন ১৪ হাজার ৭৯০ ভোট পেয়েছেন। 

গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক আনারস প্রতীকে ৩৩ হাজার ৭২৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মুকুল হেলিকপ্টার প্রতীকে ২৮ হাজার ২৯৩ ভোট পেয়েছেন।

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আরিফ রেজা মন্নু মোটর সাইকেল প্রতীকে ৭৩ হাজার ৬৭৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেল যুবলীগের সভাপতি শামীম হোসেন মোল্লা দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৭১ হাজার ৮৮০।

হরিণাকুন্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মো. সাইফুল ইসলাম টিপু মল্লিক আনারস প্রতীকে ৩৪ হাজার ৩০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী একই দলের কর্মী শাহিনুর রহমান মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৭২ ভোট।

ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম আনারস প্রতীকে ৪০ হাজার ৬৪৩ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য মো. সেলিম রেজা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪৪৩ ভোট।

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম হাবিবুর রহমান আনারস প্রতীকে ৩৩ হাজার ৫৬৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ মোস্তানিছুর রহমান মোটর সাইকেল প্রতীকে ২৮ হাজার ৯৮০ ভোট পেয়েছেন।

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি জানান, নকলা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবুল আলম সোহাগ দোয়াত-কলম প্রতীকে ২০ হাজার ৬৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. মোকশেদুল হক কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ২১৩ ভোট।

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন ঘোড়া প্রতীকে ৬১ হাজার ৭৯৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মোকছেদুর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮০৭ ভোট।

কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মান্না খাঁন আনারস প্রতীকে ৬০ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম মোরশেদ পিটার মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪২ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়েছেন। 

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি জানান, ভেড়ামারা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল।
মিরপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হালিম দোয়াত-কলম প্রতীকে ৭১ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা কামাল হোসেন আনারস প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৪০ ভোট পেয়েছেন।

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য রেজাউল হক চৌধুরীর ছোট ভাই বুলবুল আহম্মেদ চৌধুরী টোকেন আনারস প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আনিসুর রহমান ঘোড়া প্রতীকে ৩ হাজার ৩০০ ভোট পেয়েছেন।

স্টাফ রিপোর্টার, ভোলা জানান, সদ?রে মো. ইউনুছ মোটর সাই?কেল প্রতীক নি?য়ে ৭১ হাজার ১৫৫ ভোট পেয়ে নির্বা?চিত হ?য়ে?ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব?ন্দ্বী মো. মোশা?রেফ হো?সেন আনারস প্রতীক ?নি?য়ে ৪০ হাজার ৮৭ ভোট পে?য়ে?ছেন। 

দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি জানান, উপ?জেলায় চেয়ারম?্যান প?দে মো. মনজুর আলম খান (কাপ-?পি?রিচ) ১৪ হাজার ১৭২ ভোট পে?য়ে বিজয়ী হ?য়ে?ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব?ন্দ্বী মো. ইয়া?ছিন লিটন ?মোটরসাই?কেল) প্রতীক নি?য়ে ১২ হাজার ৩২১ ভোট পে?য়ে?ছেন। 

বোরহানউদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে ২৯ হাজার ৭১৬ ভোট পেয়ে আনারস প্রতীকের জাফর উল্লাহ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত-কলম প্রতিকের মো. আবুল কালাম পেয়েছেন ১৯ হাজার ১৭ ভোট। 

হিজলা (বরিশাল) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলতাফ মাহমুদ দিপু ২৫ হাজার ২৫৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম রাজু ঢালী পেয়েছেন ২২ হাজার ৬৬২ ভোট।

মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি জানান, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জহির উদ্দিন খসরু ৩৩ হাজার ৩৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তিনবারের চেয়ারম্যান তারিকুল হাসান খান মিঠু পেয়েছেন ২৭ হাজার ৯ ভোট।
বাগেরহাট ও ফকিরহাট প্রতিনিধি জানান, দ্বিতীয় ধাপে জেলার তিন উপজেলায় ভোটগ্রহণ হয়। এর মধ্যে ফকিরহাট উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক (সদ্য স্থগিত হওয়া কমিটি) শেখ ওয়াহিদুজ্জামান বাবু মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪৬ হাজার ৬৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাশ পেয়েছেন ২৯ হাজার ৭৭৭ ভোট। মোল্লাহাটে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান শাহীনুল আলম ছানা দোয়াত-কলম প্রতীকে ২৯ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন আনারস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৫৪। অন্যদিকে, চিতলমারীতে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আবু জাফর মো. আলমগীর হোসেন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩৬ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮৫৭ ভোট।

স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা জানান, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার ৫০ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কৃষক লীগ নেতা মো. আজিজুল হক পেয়েছেন ৩৬ হাজার ১৭২ ভোট।

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি জানান, আওয়ামী লীগ নেতা কে এম মঞ্জিলুর রহমান ৪০ হাজার ২৮০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যুবলীগ নেতা জিল্লুর রহমান পেয়েছেন ২৬ হাজার ২৮৭ ভোট।

বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান ৫৫ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রামা কান্ত রায় ভোট পেয়েছেন ৪১ হাজার ২৬২।

বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার আলী ৪৬ হাজার ৩৪৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির জুলফিকার হোসেন পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৪০৮ ভোট।
কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম ফারুক ৩৩ হাজার ১৪০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আরমান সরকার ভোট পেয়েছেন ২৫ হাজার ১২ ভোট।

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবু হুসাইন ৪৪ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন ৩২ হাজার ৪১৮।

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি জানান, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সেলিম আহম্মেদ মোটর সাইকেল প্রতীকে ৮৩ হাজার ৯৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন শিকদার পেয়েছেন ৬২ হাজার ৩০৪ ভোট।

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসির বড় ভাই জামিল হাসান দুর্জয়। ঘোড়া প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫৬ ভোট। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুল জলিল আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫৩২ ভোট।

ফরিদপুর ও কাশিয়ানী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোক্তার হোসেন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩২ হাজার ৫৩৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মুন্সি ফররুখ হোসাইন মিন্টু আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ১১২ ভোট।

মুকসুদপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মো. কবির মিয়া ঘোড়া প্রতীকে ৫৪ হাজার ৫৫৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএম মহিউদ্দিন আহম্মদ মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৮১১ ভোট।

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে আনোয়ার হোসাইন দোয়াত-কলম প্রতীকে ১৮ হাজার ৬৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই পেয়েছেন ১২ হাজার ৭৮৪ ভোট।

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান সেফু চিংড়ি প্রতীকে ২৫ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৭৫১ ভোট।

টঙ্গিবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, আওয়ামী লীগ নেতা আরিফুল ইসলাম হালদার হেলিকপ্টার প্রতীকে ৪০ হাজার ৩৭৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইঞ্জিনিয়ার কাজী আব্দুল ওয়াহিদ কাপ-পিরিচ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪১৫।

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, আওয়ামী লীগ নেতা বি এম শোয়েব দোয়াত-কলম প্রতীকে ৫৬ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রশীদ সিকদার কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬৫৩ ভোট।

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, মঈনুজ্জামান অপু ঘোড়া প্রতীকে ৪৩ হাজার ৮৫৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলী আকবর দোয়াত-কলম প্রতীকে ১৮ হাজার ৬৫২ ভোট পেয়েছেন।

হাওড়াঞ্চল প্রতিনিধি জানান, কিশোরগঞ্জের দুই হাওড় উপজেলা অষ্টগ্রাম ও নিকলীতে বর্তমান চেয়ারম্যানকে পরাজিত করে নতুন মুখ নির্বাচিত হয়েছেন। অষ্টগ্রামে দুই বারের চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম জেমসকে হারিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা ব্যবসায়ী এএফ মাশুক নাজিম। তিনি ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদুল ইসলাম জেমস (কাপ-পিরিচ) পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭০৬ ভোট। এদিকে, নিকলী উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যবসায়ী মোকারম সরদার (আনারস) ৩৬ হাজার ১৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছ ভূঁইয়া জনি মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৫৭ ভোট। 

স্টাফ রিপোর্টার, নেত্রকোনা জানান, সদর উপজেলায় মারুফ হাসান খান অভ্র চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি হেলিকপ্টার প্রতীকে ৩৮ হাজার ৩৫৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট জিএম খান পাঠান বিমল মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯৪ ভোট।
বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাখাওয়াত হোসেন ৪২ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল কবীর খোকন পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯২৯ ভোট।
পূর্বধলা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য এটিএম ফয়জুর সিরাজ জুয়েল ৪৬ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮ ভোট।

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনছার আলী মিন্টু ঘোড়া প্রতীকে ৩৯ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা জাসদের সভাপতি গোলাম আজম এলিচ মোটর সাইকেল প্রতীকে ৩১ হাজার ৪৬ ভোট পেয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্যসচিব মো. রশিদুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে ২৮ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শাহ্ আবুল কালাম বারী পাইলট আনরাস প্রতীকে ২৮ হাজার ২০১ ভোট পেয়েছেন।

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি জানান, সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ আরফান সরকার রানা দোয়াত-কলম প্রতীকে ৩২ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা পরিষদের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আজম হোসেন আনার প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ১৭২ ভোট।

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. শাহাজান হোসেন মণ্ডল আনারস প্রতীকে ৩৯ হাজার ৯৫২ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম শাহ্ চৌধুরী মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৫২৭ ভোট।

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্যক্ষ শাহ্ মনজুর মোরশেদ চৌধুরী কাপ-পিরিচ প্রতীকে ২৬ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন মোল্লা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ৪৭৯ ভোট।

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফরিদ আহমেদ মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪৪ হাজার ৭০৭ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ আবুল কালাম আজাদ কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ৩৩৯ ভোট।

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে মোটর সাইকেল প্রতীকে ৩১ হাজার ৫৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম হাসনাইন রাসেল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম মেছবাহুর রহমান রোজ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৬৭৯ ভোট।

গোলাম হাসনায়েন রাসেল ভাঙ্গুড়া পৌরসভার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নেন। তিনি পাবনা-৩ আসনের সসদ সদস্য মকবুল হোসেনের ছেলে।

ফরিদপুর (পাবনা) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান দোয়াত-কলম মার্কায় ১৪ হাজার ৫৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪০০ ভোট।
চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাটমোহর পৌরসভার সাবেক মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল ৩৯ হাজার ৩৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে সৈয়দ নজরুল ইসলাম কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৮১ হাজার ৮৩০ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মহসীন আলী মিয়া মোটর সাইকেল প্রতীকে ৬৭ হাজার ২০ ভোট পেয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম সরকার মোটর সাইকেল মার্কায় এক লাখ ৬ হাজার ৬৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট অরুণাংশু দত্ত টিটো আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪২৪ ভোট।

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি জানান: উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ হোসেন বিপ্লব ঘোড়া মার্কায় ৪৪ হাজার ২৫৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইদুল হক আনারস মার্কায় পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১৮০ ভোট।

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি জানান: চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম লিয়াকত আলী আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ৯০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী কাপ-পিরিছ প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ১০ ভোট।

কোম্পানীগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি জানান, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. মজির উদ্দিন আনারস প্রতীকে ২৮ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ শামীম মোটর সাইকেল প্রতীক পেয়েছেন ২২ হাজার ২১৩ ভোট। 

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি জানান, সিলেট জেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত কোষাধ্যক্ষ শাহ আলম স্বপন ঘোড়া প্রতীকে ৪৫ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ফারুক আহমদ মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮৬৭ ভোট।

জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম শামীম মোটর সাইকেল প্রতীকে ২৮ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি নূরুল হক আফিন্দি আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৮৪৫ ভোট।

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ মুরাদ ঘোড়া প্রতীকে ১৮ হাজার ৪৯৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাসরিন সুলতানা দীপা আনারস প্রতীকে ১১ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়েছেন।

বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, রফিক-উল ইসলাম তালুকদার আনারস প্রতীকে ১৬ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার বর্মণ ঘোড়া প্রতীকে ১৪ হাজার ৮০২ ভোট পেয়েছেন।
তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে আফতাব উদ্দিন আনারস প্রতীকে ৩৬ হাজার ৫১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান ২০ হাজার ১৩ ভোট পেয়েছেন।

রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে এসএম নওয়াব আলী ৪৩ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী রাকিবুল হাসান পিয়াল দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৯৯ ভোট।

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি জানান, মোস্তফা মুন্সি আনারস প্রতীকে ২৯ হাজার ৭৪৫ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী শহিদুল ইসলাম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৯ হাজার ৬১১ ভোট।

বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি জানান, মোটর সাইকেল প্রতীকে এহছানুল হাকিম সাধন ৪২ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল কালাম আজাদ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৮০ ভোট।

খুলনা অফিস ও ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আকরাম হোসেন আনারস প্রতীকে ২১ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ সাব্বির হোসেন রানা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১৬ হাজার ৮৪ ভোট। 
তেরখাদা (খুলনা) প্রতিনিধি জানান, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সহসভাপতি আবুল হাসান শেখ আনারস প্রতীকে ২৮ হাজার ১৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২২ হাজার ৭৩৮ ভোট।

দিঘলিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি জানান, আনারস প্রতীকে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শেখ মারুফুল ইসলাম ৩৪ হাজার ৬৪৫ ভোটে জয় পেয়েছেন। দোয়াত-কলম প্রতীকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহিউদ্দিন মল্লিক পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫৯৬ ভোট।

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিক ওয়ানা মারজিয়া নিতু ৪৪ হাজার ৩৩৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শাহিন শাহ্ পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৭৩ ভোট।

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন হাওলাদার ১২ হাজার ১৪১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। ১০ হাজার ৪৮৮ ভোট পেয়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বশির উদ্দিন।

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি জানান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. মোশারেফ হোসেন খান ৪২ হাজার ২২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার পেয়েছেন ৩০ হাজার ১০১ ভোট। 

বেলাবো (নরসিংদী) প্রতিনিধি জানান, বর্তমান চেয়ারম্যান শমসের জামান ভুঁইয়া রিটন মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ৩০ হাজার ২০৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম  প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ১৯ হাজার ৯৩ ভোট। 

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা জামাল। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৫৬৯ ভোট। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী মোটর সাইকেল প্রতীকের জাকের হোসেন মজুমদার পেয়েছেন ১৬ হাজার ৬৯৯ ভোট।

নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তোফায়েল আহমদ। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল্লাহ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৩২ ভোট।

জয়পুরহাট প্রতিনিধি জানান, সদরে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান মিঠু মোটর সাইকেল মার্কায় ৪৪ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী এ ইএম মাসুদ রেজা আনারস মার্কা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৩০৯ ভোট।
পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি জানান, সাবকুন নাহার শিখা ঘোড়া প্রতীকে ৩৮ হাজার ৩০৯ ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী একই উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল শহীদ মুন্না পেয়েছেন ১১ হাজার ৮০০ ভোট। তার প্রতীক মোটর সাইকেল।
স্টাফ রিপোর্টার, টাঙ্গাইল জানান, কালিহাতী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এএসএম সিদ্দিকী ওরফে আজাদ সিদ্দিকী ৫২ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতীক আনাসর। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মোল্লা মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪৫ হাজার ৬৮৫ ভোট পেয়েছেন। ঘাটাইলে চেয়ারম্যান পদে মুহাম্মদ আরিফ হোসেন আনারস প্রতীকে ৫২ হাজার ৩১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি লোকমান হোসেন মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪১ হাজার ৯৩৫ ভোট পেয়েছেন।

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি জানান, বর্তমান চেয়ারম্যান নার্গিস আক্তার দোয়াত কলম প্রতীকে ৩০ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে পুনরায় বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফিরোজ চৌধুরী হেলিকপ্টার প্রতীকে ৫ হাজার ৮৩৯ ভোট পেয়েছেন।

দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি জানান, চেয়ারম্যান পদে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আল ফেরদাউস আলফা হেলিকাপ্টার প্রতীকে ২৬ হাজার ৩৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মুজিবর রহমান মোটর সাইকেল প্রতীকে ১৭ হাজার ১৫২ ভোট পেয়েছেন।

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি জানান, বর্তমান চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৪৬ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সরদার মশিয়ার রহমান চিংড়ি মাছ প্রতীকে ৩২ হাজার ৪১৩ ভোট পেয়েছেন।

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি জানান, বর্তমান চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম চিংড়ি মাছ প্রতীকে ৫১ হাজার ৬৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান এসএম শাহনেওয়াজ ডালিম ঘোড়া