logo
বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

  যাযাদি ডেস্ক   ০৮ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০  

ফল-মাছে সচল হচ্ছে আখাউড়া স্থলবন্দর

ফল-মাছে সচল হচ্ছে আখাউড়া স্থলবন্দর
আখাউড়া স্থলবন্দরে অপেক্ষমাণ পণ্যবাহী গাড়ি
লকডাউনের কারণে ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে মাছ, ফলমূল ও জরুরি খাদ্যের সরবরাহ না থাকায় আখাউড়া বন্দর দিয়ে এসব পণ্য বাংলাদেশ থেকে আমদানি করতে আগ্রহী আগরতলার ব্যবসায়ীরা।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ভারতজুড়ে চলছে লকডাউন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার ব্যবসায়ীরা।

এ কারণে ২৪ মার্চ থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে প্রতিদিন দুই থেকে তিন লাখ ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা।

তবে এবার বন্দর সচল হওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছে মাছ ও ফলমূল। লকডাউনের কারণে ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে মাছ, ফলমূল ও জরুরি খাদ্যের সরবরাহ না থাকায় আখাউড়া বন্দর দিয়ে এসব পণ্য বাংলাদেশ থেকে আমদানি করতে আগ্রহী আগরতলার ব্যবসায়ীরা।

আগরতলা কাস্টমসের ছাড়পত্র পেলেই রুই-কাতল, তেলাপিয়া ও পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আমদানি করবেন সে দেশের ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি বিভিন্ন ফলমূলসহ জরুরি খাদ্যসামগ্রী নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।

আগামী দুই-তিনদিনের মধ্যে রপ্তানি শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা। রপ্তানি শুরু হতে যাওয়ার খবরে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছেন শ্রমিকরাও।

রপ্তানি শুরু হলে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ হাজার ডলার মূল্যের মাছ যাবে আগরতলায়। তবে দেশে অঘোষিত লকডাউন চলায় পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে আসা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের।

এ ব্যাপারে আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আগরতলার ব্যবসায়ীরা পণ্য আমদানির ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। সেখানকার কাস্টমস কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পেলে আশা করছি দুই-তিনদিনের মধ্যে আবারও রপ্তানি শুরু হবে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি বন্ধ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এখন আমাদের দেশও একপ্রকার লকডাউন চলছে। গাড়ি এবং পণ্য পাওয়া যাবে কিনা, সে ব্যাপারে আমরা চিন্তিত। আগরতলা কাস্টমস ছাড়পত্র দিলে আমরা আমাদের প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে আনানোর ব্যাপারে কথা বলব।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে