logo
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ২৪ আষাঢ় ১৪২৬

  যাযাদি রিপোর্ট   ০৩ জুন ২০২০, ০০:০০  

একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বক্তব্য রাখেন -ফোকাস বাংলা নিউজ
দেশের ইতিহাসে প্রথম ভার্চুয়াল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৬ হাজার ২৭৬ কোটি তিন লাখ টাকা খরচে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। অনুমোদিত টাকার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ১৪ হাজার ৪০১ কোটি ৫২ লাখ এবং বৈদেশিক ঋণ এক হাজার ৮৮১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় লকডাউন শিথিল করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'আমরা চাই না আমাদের দেশের মানুষ কষ্ট পাক। সেজন্য আমরা যেসব বন্ধ করে দিয়েছিলাম; এখন তা কিছু কিছু করে উন্মুক্ত করা শুরু করেছি। কারণ, দেশের খেটে খাওয়া জনগণ থেকে শুরু করে স্বল্প আয়ের লোকজন, প্রত্যেকেই যেন তাদের জীবনযাত্রা সচল রাখতে পারে।'

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এর আগে আমরা জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের সভা করে বাজেট প্রণয়নের কাজগুলো করেছি। করোনাভাইরাসের কারণে আজ শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র বিশ্বই বলতে গেলে স্থবির হয়ে পড়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, 'তারপরও আমি বলব চলাফেরা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই স্বাস্থ্যবিধিটা মেনে চলবেন। যেটা (স্বাস্থ্যবিধি) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, সেটা মেনেই আমাদের চলতে হবে। যাতে দেশের মানুষ সুরক্ষিত থাকতে পারে।' সভায় তার সরকারের শাসনে দেশের এগিয়ে চলা এবং বর্তমান মুজিববর্ষ থেকে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন পর্যন্ত দেশের দরিদ্রের হারকে আরও কমিয়ে এনে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠার পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা। একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর তথ্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে 'কোভিড-১৯ এমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যান্ডামিক প্রিপেয়ার্ডনেস' প্রকল্প ও 'কোভিড-১৯ রেসপন্স এমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স' প্রকল্প; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের 'প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (তৃতীয় পর্যায়)' প্রকল্প; ধর্ম-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের 'মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (সপ্তম পর্যায়)' প্রকল্প; বিদু্যৎ, জ্বালানি খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে 'শতভাগ পলস্নী বিদু্যায়নের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ (রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ) (প্রথম সংশোধিত)' প্রকল্প ও 'শতভাগ পলস্নী বিদু্যতায়নের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ (ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ) (প্রথম সংশোধিত)' প্রকল্প; কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে 'কৃষি যন্ত্রপাতি ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন ব্যবস্থাকে অধিকতর লাভজনক করা' প্রকল্প ও 'মানসম্পন্ন মশলা বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণ' প্রকল্প; পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের 'সাতক্ষীরা জেলার পোল্ডার ১, ২, ৬-৮, এবং ৬-৮ (এক্সটেনশন) এর নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন' এবং স্থানীয় সরকার, পলস্নী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের 'দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার (প্রথম সংশোধিত)' প্রকল্প।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে