logo
শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬

  অনলাইন ডেস্ক    ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

জিতেই চলেছে পর্তুগাল-ইংল্যান্ড

জিতেই চলেছে পর্তুগাল-ইংল্যান্ড
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে মঙ্গলবার লিথুনিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে পর্তুগালের খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস -ওয়েবসাইট
ক্রীড়া ডেস্ক

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বের খেলায় দারুণ ছন্দে রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মঙ্গলবার রাতে তার হ্যাটট্রিকসহ চার গোলে লিথুনিয়াকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে পর্তুগাল। আর এই জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ইউরোর শিরোপাধারীরা। এদিকে ইউরোর বছাইপর্বের খেলায় জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। অ্যান্ডোরাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে গতবারের রানার্সআপরা। আর কসোভোর বিপক্ষে ৫-৩ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড।

প্রতিপক্ষের মাঠে মঙ্গলবার রাতে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই পেনাল্টি থেকে পর্তুগালকে লিড এনে দেন রোনালদো। ২৮ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে গোল করে লিথুনিয়াকে সমতায় ফেরান আন্দ্রেয়াস কেভিসিয়াস। এরপর একের পর এক আক্রমণ করেও প্রথমার্ধে আর কোনো গোল পায়নি পর্তুগাল। বিরতির পর ৬১ মিনিটে আবার পর্তুগালকে এগিয়ে দেন রোনালদো। তার শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন স্বাগতিক গোলরক্ষক। তবে বল তার হাতে লেগে ড্রপ খেয়ে মাথায় পড়ে জালে জড়ায়।

চার মিনিট পরই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন রোনালদো। বের্নার্দো সিলভার ক্রসে খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান ৩৪ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার অষ্টম হ্যাটট্রিক। জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করা ফুটবলারদের তালিকায় সিআর সেভেনের সামনে আছেন কেবল একজনই, ইরানের আলি দাই (১০৯টি)। পর্তুগালের গোল উৎসবের রাতে রেকর্ডের মালিকও হয়েছেন রোনালদো। ৭৬ মিনিটে রোনালদো পেয়ে যান ম্যাচে তার চতুর্থ গোল। ইউরোর বাছাই ও মূল পর্ব মিলিয়ে রেকর্ড ৩৪ গোল হয়ে গেল জুভেন্টাস তারকার। ২৫ গোল নিয়ে ইউরোর বাছাইপর্বের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। এতদিন এই কীর্তি ছিল আয়ারল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার রবি কিনের (২৩টি)। 'বি' গ্রম্নপের ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রইল পর্তুগাল। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ইউক্রেন।

এদিকে ফ্রান্সের হয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন আঁতোয়ান গ্রিজমান। তবে অ্যান্ডোরাকে সহজেই হারিয়ে ইউরো বাছাইয়ে জয়ের ধারা ধরে রেখেছে ফ্রান্স। নিজেদের মাঠে ম্যাচের ১৮ মিনিটে কিংসলে কোম্যানের গোলে লিড নিয়েছিল ফ্রান্স। ২৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে বল ক্রসবারে মেরে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ নষ্ট করেন গ্রিজমান। বিরতির পর ৫২ মিনিটে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বার্সার আরেক খেলোয়াড় ক্লেমেন্ট লেংলেট। আর যোগ করা সময় স্কোরলাইন ৩-০ করেন বেন ইয়েদের। এই জয়ে 'এইচ' গ্রম্নপে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রম্নপের দ্বিতীয় স্থানে আছে ফ্রান্স। সমান ম্যাচে তুরস্কেরও ১৫ পয়েন্ট, তবে গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে শীর্ষে আছে তারা।

অপরদিকে নিজেদের মাঠে ম্যাচের মাত্র ৩৪ সেকেন্ডেই গোল হজম করেছিল ইংল্যান্ড। কসোভোকে লিড এনে দেন বেরিশা। অবশ্য সাত মিনিট পরই ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান রাহিম স্টারলিং। ১৯ মিনিটে স্বাগতিকদের লিড এনে দেন আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা হ্যারি কেন।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে