logo
  • Fri, 21 Sep, 2018

  যাযাদি রিপোটর্   ১৩ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

সরকার বিএনপিকে গৃহপালিত বিরোধী দল বানাতে চায়: মঈন

সরকার বিএনপিকে গৃহপালিত বিরোধী দল বানাতে চায়: মঈন
জাতীয় প্রেসক্লাবে বৃহস্পতিবার আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান Ñযাযাদি
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান অভিযোগ করেছেন, সরকার খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে আবারও ২০০৮ সালের মতো পাতানো নিবার্চন করে বিএনপিকে গৃহপালিত বিরোধী দল বানাতে চায়। সরকারের সেই প্রচেষ্টা সফল হবে না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত আলোচনা সভায় আবদুল মঈন খান এ মন্তব্য করেন।

আবদুল মঈন খান বলেন, আগামী নিবার্চনের আগে সরকারকে অবশ্যই ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরিতে বাধ্য করা হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিবার্চনের মাধ্যমে জনগণের সরকার গঠন করা হবে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের নিবার্চনে খালেদা জিয়া চতুথর্বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন।

সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মঈন খান বলেন, বিএনপি কোথাও শান্তিপূণর্ কমর্সূচি পালন করতে পারে না। জাতীয় প্রেসক্লাব বা দলীয় কাযার্লয়ের সামনে যেখানেই যে কমর্সূচি দেয়া হয়, সেখানে সরকার বাধা দিচ্ছে। হোক সেটি কালো পতাকা প্রদশর্ন বা অনশন কমর্সূচি। তিনি আরও বলেন, শুধু বিএনপির কমর্সূচি বা বিএনপির ওপর নয়, যারাই আন্দোলন করছে, তাদের ওপর সরকার নিযার্তন করছে। কিছুদিন আগেও কোটা আন্দোলনকারীদের কীভাবে হামলা করে নিয়ন্ত্রণ করেছে। বিএনপি বা বিরোধী রাজনৈতিক দল নয়, ভিন্নমতের যারাই কথা বলে, সরকার তাদের দমন করছে।

বিএনপি আন্দোলন করতে পারে না-আওয়ামী লীগ নেতাদের এ মন্তব্যের সমালোচনা করে মঈন খান বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে একমত। বিএনপি আওয়ামী লীগ নেতাদের মতো লগি-বৈঠার আন্দোলন করতে পারে না। আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাস করি। তাই আমাদের আন্দোলন তাদের কাছে পছন্দ হবে না।’

ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সমালোচনা করে মঈন খান আরও বলেন, ‘আমরা আপনাদের একটি চ্যালেঞ্জ করি। আসুন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে, ব্যারাকে রেখে রাস্তায় নামুন, আমরাও আসি। দেখি কার আন্দোলন কত বেশি হয়। আন্দোলনে কারা টেকে, সেটা রাজপথেই প্রমাণ হয়ে যাবে। সামনে-পেছনে, ডানে-বঁায়ে পুলিশ, র?্যাব রেখে বড় বড় কথা বলা যায়। রাজপথে সাপের মতো লাঠি দিয়ে মানুষ পিটিয়ে মারা কখনো আন্দোলন হয় না। আমরা সে আন্দোলনে বিশ্বাস করি না।’

খালেদা জিয়ার আইনজীবী লডর্ কালার্ইলের বিষয়ে মঈন খান বলেন, লডর্ কালার্ইলকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া হলো কি হলো না, সেটা কথা নয়। তিনি বলেন, কিন্তু তাকে কেন বাংলাদেশের ভিসা দেয়া হলো না? তাকে তো খালেদা জিয়ার আইনজীবী নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

লডর্ কালার্ইল বিষয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মঈন খান আরও বলেন, লডর্ কালার্ইল কেন ভারতের ভিসা নেবেন? তাঁকে কেন বাংলাদেশে আসতে দেওয়া হলো না? তাকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ কি নিজেদের ইতিহাস ভুলে গেছে? আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় বিদেশ থেকে আইনজীবী নিয়োগ দেয়া হয়নি? তাঁকে তো তখন বাংলাদেশে আসতে বাধা দেওয়া হয়নি। তাহলে কালার্ইলকে কেন খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনি পরামশর্ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি? কেন তাঁকে বাংলাদেশের ভিসা দেওয়া হয়নি?

সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের বিষয়ে মঈন খান বলেন, আজ সরকার গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কমীের্দর টুঁটি চেপে ধরে রেখেছে। নিজেদের পছন্দমতো লিখে দেওয়া কথা প্রচার করতে বাধ্য করা হচ্ছে। সরকার গণমাধ্যমকে জোর করে নিজেদের পক্ষে বলে জনগণকে শোনাচ্ছে।

ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম প্রমুখ।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

উপরে