logo
রোববার ২৬ মে, ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   ১৭ মে ২০১৯, ০০:০০  

চুয়াডাঙ্গায় নেই টিসিবির পণ্য

রমজানের ১০টি রোজা শেষ হলেও চুয়াডাঙ্গা জেলায় ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশর (টিসিবি) ১০টি ডিলারের মাধ্যমে ন্যায্য দামে পণ্য বিক্রি এখনো শুরু হয়নি। পরিবহন ব্যয় ও পণ্যের দামের সঙ্গে বাজার দামের তারতম্য থাকায় ডিলাররা খুলনা থেকে পণ্য এনে বিক্রি করতে আগ্রহী হচ্ছে না।

রোজার মাসে ন্যায্য দামে ছোলা, মশুর ডাল, চিনি, খেজুর ও সয়াবিন তেল বিক্রির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে গত ২৩ এপ্রিল থেকে দেশের অন্যান্য স্থানে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হলেও শুরু হয়নি চুয়াডাঙ্গায়।

খুলনা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশর (টিসিবি) আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ১০টি টিসিবি ডিলার রয়েছে। এগুলো হলো সদর উপজেলার তালতলায় মেসার্স সপ্না কনস্ট্রাকশন, জীবননগর উপজেলা শহরের বাজারে মেসার্স সাগর কুমার বিশ্বাস, একই উপজেলার চ্যাংখালী সড়কে মেসার্স সাইদুর রহমান, আলমডাঙ্গা উপজেলা শহরের বাজারে মেসার্স কাকুলী ট্রেডার্স, মেসার্স আলম ট্রেডার্স ও কাচারীবাজারের মেসার্স হেলাল ট্রেডার্স, দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে মেসার্স নিতুন ট্রেডার্স, দর্শনা রেলবাজারের মেসার্স আব্দুস সাত্তার, দামুড়হুদা উপজেলা শহরের দশমীপাড়ার মেসার্স জব্বার এন্টারপ্রাইজ ও জুড়ানপুর গ্রামের মেসার্স মোখলেছুর রহমান এন্টারপ্রাইজ।

এদিকে টিসিবি পণ্য না তুলে রোজার মাসে বাজার অস্থিতিশীল করা এবং সরকারকে অসহযোগিতা করে জনগণকে বঞ্চিত করার অভিযোগে গেল জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ ২০১৭ সালে দুই দুইবার জেলার ৮ টিসিবি ডিলারের লাইসেন্স বাতিলের জন্য ঢাকা কারওয়ান বাজারের ঠিকানায় ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি পাঠান। তাতেও কোনো সাড়া মেলেনি। চুয়াডাঙ্গায় টিসিবির নতুন ডিলার না হওয়ায় এটা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন খুলনা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশর (টিসিবি) আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী রবিউল মোর্শেদ। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা শহরের বাজারের টিসিবির ডিলার সাগর কুমার বিশ্বাস বলেন, বর্তমান বাজার দরের সঙ্গে টিসিবি পণ্যের তারতম্য হওয়ায় লোকসান হবে ভেবে আমি টিসিবি পণ্য তুলছি না।

খুলনা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশর (টিসিবি) আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী রবিউল মোর্শেদ জানান, আমরা চিনি ৪৭ টাকা, ছোলা ৬০ টাকা, মশুর ডাল ৪৪ টাকা কেজি দরে ও সয়াবিন তেল ৮৫ টাকা লিটার দরে বিক্রি হচ্ছে। যে ডিলার ট্রাকে করে টিসিবি পণ্য বিক্রি করবে তাকে ১৩৫ টাকা কেজি দরে খেজুর সরবরাহ করা হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে চুয়াডাঙ্গার ডিলাররা টিসিবি পণ্য তুলছে না। এতে ক্রেতা সাধারণ সরকারের ন্যায্য দামে পণ্য কেনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

টিসিবি ডিলারদের অসহযোগিতা করার বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাস বলেন, খুব শিগগিরই ডিলারদের নিয়ে বসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে