logo
মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল, ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬

  এমএ আলম বাবলু, পাবর্তীপুর (দিনাজপুর)   ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

পাবর্তীপুর রেল স্টেশনের আধুনিকায়ন হয়নি আজও

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম জোনের সবর্বৃহৎ ও গুরুত্বপূণর্ জংশন পাবর্তীপুর রেলওয়ে স্টেশন। প্রায় দেড় শতাব্দীর পুরনো এ স্টেশনটি জীণর্শীণর্ চেহারা নিয়ে আজও পরিবহনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূণর্ অবদান রেখে যাচ্ছে। জনদাবি থাকা সত্তে¡ও অদ্যাবধি এ স্টেশনটির আধুনিকায়ন করা হয়নি ।

জানা যায়, ১৮৭৯ সালে ব্রিটিশ সরকার ১৩ হাজার ৯৪২ ফুট আয়তনের ৫টি প্লাটফমর্ নিয়ে পাবর্তীপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশন প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করে। দীঘর্ ৫ বছর পরে ১৮৮৪ সালে চালু হয় এ স্টেশনটি। স্টেশনের ৪৪৬ দশমিক ৯৭ একর আয়তনের অপারেশন এরিয়াসহ নিজস্ব ভ‚মির পরিমাণ ৭৮৮ দশমিক ২৭ একর। আকার ও গুরুত্বের বিচারে এটি ছিল পূবর্ বাংলার সবর্বৃহৎ রেলওয়ে স্টেশন। এক সময় অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে আসামের গুয়াহাটি পযর্ন্ত এ স্টেশন হয়ে মেইল ও মালবাহী ট্রেন চলাচল করত।

এক সময় এ স্টেশনের উপর দিয়ে আন্তঃনগর, মেইল ও লোকালসহ ৫৬টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করত। বতর্মানে আন্তঃনগর ট্রেনসহ প্রতিদিন ৩৮টি যাত্রীবাহী ট্রেন মিটারগেজ, ব্রডগেজ ও মিশ্রগেজের ৪টি রুটে চলাচল করছে। এখান থেকে প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩ হাজার ট্রেন যাত্রী উঠানামা করছেন।

পাবর্তীপুরে রয়েছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি, মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি, বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বীরউত্তম শহীদ মাহবুব সেনা নিবাসসহ নানা কারণে দেশি-বিদেশি যাত্রীদের গমণাগমনে জংশনটির গুরুত্ব বেড়েছে বহুগুণ। আওয়ামী লীগ সরকারের চার মেয়াদে ৫ মন্ত্রী, ৩ সচিব ও রেলওয়ের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন বিভাগের কমর্কতার্গণ এ রেলস্টেশন সরেজমিন পরিদশর্ন করেছেন। পরিদশের্নর সময় এলাকাবাসী রেলস্টেশনের সমস্যার কথা তুলে ধরলে সংশ্লিষ্টরা শুধু উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছেন।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে