logo
  • শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

  মীর মোহাম্মদ আসলাম   ১২ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

রাউজানের উন্নয়নের রূপকার এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী

রাউজানের উন্নয়নের রূপকার এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী
চারদিনের পায়ে হঁাটা কমর্সূচিতে গ্রামের প্রবীণ এক নারীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী Ñযাযাদি
চট্টগ্রামের রাউজান একটি সমৃদ্ধ জনপদ। এখানে অনেক বরেণ্য রাজনীতিক ও সমাজসেবকের জন্ম হয়েছে। তারা দেশ, জাতি ও এলাকার উন্নয়নের বড় অবদান রেখেছেন। তাদেরই একজন এই এলাকার আওয়ামী লীগ দলীয় বতর্মান সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। তিনি ইতোমধ্যেই এলাকার উন্নয়নের রূপকার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর জন্ম রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক চৌধুরী পরিবারে। তার বাবা মরহুম একেএম ফজলুল কবির চৌধুরী ছিলেন তদানীন্তন পূবর্ পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, একজন গুণী রাজনীতিক। মা রতœগভার্ নারী মরহুমা সাজেদা চৌধুরী। যার নামে রাউজানে প্রতিষ্ঠিত আছে বহু শিক্ষা ও সমাজসেবী প্রতিষ্ঠান।

তিনি জনকল্যাণমুখী ব্যতিক্রমী কমর্সূচি পালন করে সারাদেশে সুধী সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন। পরিচিতি পেয়েছেন রুচিশীল, কমর্তৎপর, দেশপ্রেমিক এমপি হিসেবে। প্রজ্ঞাবান এ রাজনীতিক জনকল্যাণে কাজ করে ইতিপূবের্ কৃষি সম্প্রসারণ ও বৃক্ষ রোপণের জন্য একাধিক জাতীয় পদক পেয়েছেন। অসম্প্রদায়িক চেতনায় মানুষকে উদ্বুদ্ধকরণ ও মানবিকতার জন্য পেয়েছেন ভারতের (পশ্চিমবঙ্গ) আচাযর্্য দীনেশ চন্দ্র রিসাসর্ সোসাইটি পদক। এ রাজনীতিক দেশের গÐির বাইরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইন্টার পালাের্মন্টারিয়াল ইউনিয়নের (আইপিইউ) মানবাধিকারবিষয়ক কমিটির সভাপতি হিসেবে।

বতর্মানে রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে থাকা এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে বহুমুখী উন্নয়নে অবদান রাখছেন। তিনি রেলওয়ের পূবার্ঞ্চলীয় জোনের সদর দপ্তর চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকাকে অনন্য সাজে সাজিয়ে বিনোদন স্পটে পরিণত করেছেন। এই সংসদ সদস্য তার নিজ এলাকায় এক ঘণ্টায় সাড়ে চার লাখ গাছের চারা লাগিয়ে সারা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ দৃষ্টান্ত এখন গিনেস ওয়াল্ডর্ বুকে রেকডের্র অপেক্ষায় আছে।

তার ব্যতিক্রমী মানবিক অনেক কমর্সূচির মধ্যে রয়েছে রাউজানের জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান থেকে রোগাক্রান্ত মানুষের জন্য বিপুল পরিমাণ রক্ত সংগ্রহ করা। এ কমর্সূচিতে তিনি ১৪ মণ রক্ত সংগ্রহ করে রক্ত সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান সন্ধানীকে দান করেছেন।

গৃহায়ণ ও গণপূতর্ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময় তিনি রাউজানের দুই প্রান্তে পিংক সিটি-১ ও ২ নামের দুটি বড় আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় হাজার মানুষের আবাসন সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। গরিব জনগোষ্ঠীর জন্য দুটি আশ্রয়ন প্রকল্প ও একাধিক গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পে এলাকার অনেক গৃহহীন মানুষকে ঘর দিয়েছেন। তিনি রাউজানে ২৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে এ অঞ্চলকে লোডশেডিংমুক্ত করেছেন। উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এনেছেন। উপজেলার ১১টি কলেজের মধ্যে তিনটি ডিগ্রি কলেজকে উন্নীত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে হিসেবে। রাউজান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও রাউজান আরআরএসি মডেল উচ্চবিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হচ্ছে। দক্ষ যুবশক্তি সৃষ্টিতে প্রতিষ্ঠা করছেন কারিগরি কলেজ। সুবিধাবঞ্চিত শিশু শিক্ষাথীের্দর জন্য আগে প্রতিষ্ঠিত ১৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেছেন আরও ৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনের মাঠ খেলাধুলা করার উপযোগী করে দিয়েছেন। বড় বড় মাঠে দশর্ক বসার জন্য তৈরি করে দিয়েছেন গ্যালারি।

বিগত দুই দশক ধরে রাউজানের মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করে আসা এ রাজনীতিক স্বাস্থ্য খাতকে করেছেন সমৃদ্ধ। এ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতির আওতায় এনে উন্নীত করেছেন ৫০ শয্যায়। এখানে রয়েছে আরও একটি ৩১ শয্যার হাসপাতাল। ইউনিয়ন পযাের্য় চালু রয়েছে ৪৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ৬টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র।

সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরী তার এই উপজেলাকে আরও সমৃদ্ধ করতে এখানে করছেন বিসিক শিল্প এলাকা। রাঙামাটি সড়কে করছেন চার লেন, বীজ উৎপাদন কেন্দ্র, ট্রমা সেন্টার, ইকোপাকর্, পাহাড়তলীতে খাদ্য গুদাম, ফায়ার স্টেশন, শিশু শোধনাগার, আইটি পাকর্, পূবর্গুজরায় বিদ্যুৎ গ্রিড স্টেশন, নোয়াপাড়ায় মেডিকেল কলেজ, মোহরা-কচুখাইন হালদা নদীর ওপর ব্রিজ, উরকিরচরে আরবি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও অনেক কিছু। তিনি চেষ্টা করছেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর মনে রঙে রাঙিয়ে এই রাউজানকে দেশের মধ্যে এক টুকরা সোনার বাংলায় পরিণত করতে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

উপরে