logo
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

  দুমকি (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা   ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০  

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তাল পবিপ্রবি ক্যাম্পাস

র্যাগিংয়ের দায়ে বহিষ্কৃত ১৫ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ক্যাম্পাস।

গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় পবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ৩য় সেমিস্টারের শতাধিক বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী টিএসসি চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। ক্লাস, পরীক্ষাসহ সব শিক্ষা কার্যক্রম বর্জন রেখে বিক্ষোভ আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।

পবিপ্রবির শেরেবাংলা হল-১ এর গণরুমে প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদেরর্ যাগিংয়ের দায়ে বিগত ২৩ জানুয়ারি ৩য় সেমিস্টারের ১৫ শিক্ষার্থীকে ৬ মাসের সাময়িক বহিষ্কার দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বহিষ্কারদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে। আকস্মিক ছাত্র বিক্ষোভে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে যায়।

এর আগে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবিতে রেজিস্ট্রার বরাবর একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন। শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপিতে উলেস্নখ করেন, বিগত ১৩ জানুয়ারি রাতে শেরেবাংলা হল-১ এ উপযুক্ত প্রমাণাদি ছাড়াই আমাদের ১৫ জন সহপাঠীকের্ যাগিং-এর অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।

র্

যাগিং এর সাথে সম্পৃক্ত না থাকায় এ ধরনের শাস্তিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আশাহত মর্মে স্মারকলিপিতে উলেস্নখ করা হয়েছে। সে সঙ্গে শিক্ষার্থীরা দুই দফা দাবিও দিয়েছে। দাবিগুলো হলো- অনতিবিলম্বে এক কার্য দিবসের মধ্যে আরোপিত বহিষ্কারদেশ প্রত্যাহার করতে হবে এবং অভিযুক্তদের দ্রম্নত একাডেমিক সব কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে হবে। দাবি না মেনে নিলে ৩য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দেন। তারা স্মারকলিপিতে উলেস্নখ করে সিনিয়র ভাইদের ওপর আরোপিত মিথ্যার্ যাগিং এর অভিযোগ প্রত্যাহার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন। ১ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের কোন ধরনেরর্ যাগিং করা হয়নি মর্মে তারা স্মারকলিপিতে উলেস্নখ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৩য় সেমিস্টারের এক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে। আমরা এ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাই, তা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাব।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে শাস্তি কমবে নাকি একই থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত স্মারকলিপির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিগগিরই একাডেমিক কাউন্সিলের সভা আহ্বান করা হর্বে।যাগিংয়ের দায়ে বহিষ্কৃত ১৫ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ক্যাম্পাস।

গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় পবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ৩য় সেমিস্টারের শতাধিক বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী টিএসসি চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। ক্লাস, পরীক্ষাসহ সব শিক্ষা কার্যক্রম বর্জন রেখে বিক্ষোভ আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।

পবিপ্রবির শেরেবাংলা হল-১ এর গণরুমে প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদেরর্ যাগিংয়ের দায়ে বিগত ২৩ জানুয়ারি ৩য় সেমিস্টারের ১৫ শিক্ষার্থীকে ৬ মাসের সাময়িক বহিষ্কার দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বহিষ্কারদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে। আকস্মিক ছাত্র বিক্ষোভে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে যায়।

এর আগে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবিতে রেজিস্ট্রার বরাবর একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন। শিক্ষার্থীরা স্মারকলিপিতে উলেস্নখ করেন, বিগত ১৩ জানুয়ারি রাতে শেরেবাংলা হল-১ এ উপযুক্ত প্রমাণাদি ছাড়াই আমাদের ১৫ জন সহপাঠীকের্ যাগিং-এর অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।

র্

যাগিং এর সাথে সম্পৃক্ত না থাকায় এ ধরনের শাস্তিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আশাহত মর্মে স্মারকলিপিতে উলেস্নখ করা হয়েছে। সে সঙ্গে শিক্ষার্থীরা দুই দফা দাবিও দিয়েছে। দাবিগুলো হলো- অনতিবিলম্বে এক কার্য দিবসের মধ্যে আরোপিত বহিষ্কারদেশ প্রত্যাহার করতে হবে এবং অভিযুক্তদের দ্রম্নত একাডেমিক সব কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে হবে। দাবি না মেনে নিলে ৩য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দেন। তারা স্মারকলিপিতে উলেস্নখ করে সিনিয়র ভাইদের ওপর আরোপিত মিথ্যার্ যাগিং এর অভিযোগ প্রত্যাহার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন। ১ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের কোন ধরনেরর্ যাগিং করা হয়নি মর্মে তারা স্মারকলিপিতে উলেস্নখ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৩য় সেমিস্টারের এক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে। আমরা এ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাই, তা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাব।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে শাস্তি কমবে নাকি একই থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত স্মারকলিপির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিগগিরই একাডেমিক কাউন্সিলের সভা আহ্বান করা হবে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে