logo
শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

  নূর মোহাম্মদ   ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

ওএসডি হলেই শিক্ষা ক্যাডারে মধুর হাঁড়ি!

পদ আছে, পদায়ন নেই ৪২৮২ জনের

ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী ২০০৯ সাল থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) ওএসডি হয়ে আছেন। এই ১০ বছরে তিনি শিক্ষা বা প্রশাসনিক কোনো কার্যক্রমে অংশ না নিয়েও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন। অথচ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইংরেজি শিক্ষকদের অভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এক হাজার ৩৫৩ কোটি টাকার প্রকল্পের কেনাকাটায় অনিয়ম-দুর্নীতি করায় গত বছরের জুনে ওএসডি হন 'আইসিটি'র মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার প্রচলন (২য় পর্যায়) প্রকল্পের পিডি প্রফেসর মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন। এক বছরের বেশি হলেও তাকে কোথাও পদায়ন করা হয়নি। তিনিও ঘরে বসেই বেতন-ভাতা নিচ্ছেন।

বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজে নানা অনিয়ম ও পছন্দের লোকদের কাজ দেওয়ার অভিযোগে গত ৩০ মে ওএসডি করা হয় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তকের (এনসিটিবি) সদস্য প্রফেসর ড. মিয়া ইনামুল হক (রতন) সিদ্দিকীকে। এরপর থেকে তিনি শিল্পকলা একাডেমিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান ড. মাহবুবা ইসলাম। পদায়ন না হওয়ায় এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি বাসায় বসে বেতন-ভাতা তুলছেন। শুধু এ চারজনই নন, শিক্ষা ক্যাডারে এ রকম শতাধিক কর্মকর্তা কোনো কাজ-কর্ম না করেও ঘরে বসে বেতন-ভাতা তুলছেন। আরও চার হাজারের বেশি কর্মকর্তার পদ থাকলেও পদায়ন করা যাচ্ছে না। কেউ কেউ তদবির করে মাউশিতে ওএসডি হয়ে আছেন বছরের পর বছর।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্যান্য ক্যাডারে ওএসডি অপমানজনক হলেও শিক্ষা ক্যাডারে এটিকে 'প্রাইজ পোস্টিং' বলে মনে করা হয়। কারণ ওএসডির সময়টুকু কোনো কাজ না করেও ঢাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকা যায়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি অধিদপ্তরের তথ্যমতে, শাস্তিমূলক ওএসডিতে আছেন ৫৭ কর্মকর্তা। বিভিন্ন প্রকল্প বা দপ্তরের নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি ওএসডি হয়ে মাউশিতে আছেন। তাদের কাজ বলতে কিছুই নেই। এছাড়া বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ওএসডি হওয়া কর্মকর্তারা মিলে তা শ'য়ের কোটা ছাড়িয়েছেন। অন্যান্য ক্যাডারে ওএসডি কর্মকর্তাদের অফিসে নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার প্রথা থাকলেও শিক্ষা ক্যাডারে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ১০ বছরে থাকা কর্মকর্তাকে চাকরির সুবাদে একদিনও অফিসে যেতে হয়নি এমন রেকর্ডও রয়েছে। অনেকেই এ সময়টুকু 'উপভোগ্য' বলতে পছন্দ করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কলেজ শাখার তথ্যমতে, দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে বিষয়ভিত্তিক বিভাগের প্রফেসর পদ ফাঁকা ১২৪টি, অধ্যক্ষ পদ ফাঁকা ২৮টি, উপাধ্যক্ষ পদ ফাঁকা ২৬টি। অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদের জন্য মন্ত্রণালয়ের নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়; কিন্তু অধ্যাপক পদে পদায়ন করতে কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয় না। তারপরও বছরের পর বছর এসব পদে কাউকে পদায়ন করা হচ্ছে না। করা হলেও তদবির করে তারা মাউশিতে ওএসডি হয়ে চলে আসেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব কলেজ হওয়ায় সেখানে কেউ থাকতে চান না। ফলে নিচের পদের শিক্ষকদের দিয়ে অধ্যাপকের জন্য নির্ধারিত ক্লাসগুলো নিতে হয়।

এ ব্যাপারে বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রদীপ বড়ুয়া মুঠোফোনে যায়যায়দিনকে বলেন, আমার কলেজে বাংলা, গণিত ও দর্শন বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই। কলেজের সিনিয়র ও সাবেক শিক্ষার্থীদের দিয়ে মাঝে মধ্যে পাঠদান করা হয়। এভাবে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ওএসডি হওয়া শিক্ষকদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন না দিয়ে যেসব কলেজে শিক্ষক সংকট রয়েছে সেখানে পদায়ন করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

ওএসডি হওয়া কর্মকর্তাদের পদায়ন প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ যায়যায়দিনকে বলেন, শিক্ষা ক্যাডারে কতজন ওএসডি আছেন তার তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রম্নত সময়ে তাদের পদায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পদ থাকার পরও এতদিন কেন পদায়ন হয়নি এ ব্যাপারে তিনি বলেন, কয়েক মাস হলো আমি এ মন্ত্রণালয়ে এসেছি। এসেই এ উদ্যোগ নিয়েছি।

পদ আছে, পদায়ন নেই

৪২৮২ জনের

দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজ শিক্ষক সংকট দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে মফস্বল কলেজগুলোতে প্রভাষক, সহকারী, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদের সংকট বছরের পর বছর। সারাদেশে সরকারি কলেজগুলোতে শিক্ষকের এ সংকট দূর করতে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে জনবল কাঠামো সংশোধন করে নতুনভাবে সাড়ে ১২ হাজার পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রশাসনে কমপক্ষে চারটি পদ জাতীয় বেতন স্কেলের প্রথম গ্রেডে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২য় গ্রেড পাচ্ছে আরও ৭টি পদ। আর ৩য় গ্রেড ৪৮ থেকে বাড়িয়ে ৫২৪টি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ জনবল সৃষ্টির প্রস্তাবটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রয়েছে। এ পদগুলো সৃষ্টি হলে শিক্ষা ক্যাডারের পদ সংকট দূর হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন হবে বলে মনে করছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারকরা। একই সঙ্গে শিক্ষা ক্যাডারে বিদ্যমান ১৫ হাজারেরও বেশি পদের মধ্যে ২৬২৮ জন কর্মকর্তাকে কোথাও পদায়ন করা হচ্ছে না। এর মধ্যে অধ্যাপক ৫১৭টি পদের মধ্যে ১৩৬টি ফাঁকা, সহযোগী অধ্যাপক ২২৩৪টি পদের মধ্যে ফাঁকা ২১২টি, সহকারী অধ্যাপক ৪৩৬৬টি পদের মধ্যে ফাঁকা ৩৮০টি এবং প্রভাষক ৮ হাজার ১৯৫টি পদের মধ্যে ১৯০০ পদ ফাঁকা। তবে প্রভাষক পদ ৪১তম বিসিএস পর্যন্ত ধরে হিসাব করা হয়েছে। এছাড়া ইনসিটু (পদোন্নতির পরও নিচের পদে চাকরির ব্যবস্থা) ওএসডি আছেন ১৬৫৪ জন। ২০১৭ সাল থেকে অধ্যাপকসহ বিভিন্ন পদে পদোন্নতি দেওয়া অনেককে ওএসডি করে আগের পদে বহাল রাখা হয়েছে।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি সভাপতি ও রাজধানীর সরকারি কবি নজরুল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আইকে সেলিম উলস্নাহ খন্দকার যায়যায়দিনকে বলেন, শিক্ষা ক্যাডারে শাস্তিমূলক ওএসডি বলতে কিছু নেই। আমার কলেজসহ সারাদেশের সরকারি কলেজে তীব্র শিক্ষক সংকট রয়েছে। শিক্ষকদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন না দিয়ে দ্রম্নত পদায়ন দেওয়া উচিত। শিক্ষকদের জন্যও এটি সম্মানজনক নয়।

যেসব কর্মকর্তা ওএসডি

২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট ওএসডি হন মাউশির পরিচালক (উন্নয়ন) অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আলোচনা সভায় ১৫ ও ২১ আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডকে 'নিছক দুর্ঘটনা' বলা মন্তব্য করায় তাকে ওএসডি করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তায় ১৫০০ কলেজ উন্নয়ন প্রকল্পের ঠিকাদারকে অগ্রিম টাকা দেওয়ার অভিযোগে ২০১৮ সালে ওএসডি হন সহযোগী অধ্যাপক মনসুর হেলাল ও মীর মোহাম্মদ হালিম। বর্তমানে তারা সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় আছেন। ন্যাশনাল একাডেমি ফর অটিজম অ্যান্ড নিউরো-ডেভেলপমেন্ট ডিজঅ্যাবেলেটিজ (এনএএএনডি) প্রকল্প পরিচালক সালমা বেগমের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ওঠার পর গত ফেব্রম্নয়ারিতে ওএসডি হন তিনি। শিক্ষা প্রশাসনে সিন্ডিকেট ও নামে-বেনামে বিদেশ ভ্রমণ করার অভিযোগে গত জুনে মাউশির প্রশিক্ষণ শাখার সহকারী পরিচালক নিগার সুলতানাকে সরিয়ে ওএসডি করা হয়। গত ৩০ মে ওএসডি করা হয় এনসিটিবির সদস্য বাংলার অধ্যাপক ড. মিয়া ইনামুল হক (রতন) সিদ্দিকীকে। তার বিরুদ্ধে বই ছাপার কাজে প্রিন্টার্সগুলোর সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলার অভিযোগ ছাড়াও পরিদর্শন টিমকে কাজ দিতে একটি কোম্পানির পক্ষে সরাসরি অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মাউশির প্রশিক্ষণ পরিচালক ড. আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী বই লেখার অভিযোগ ওঠার পর তাকে ওএসডি করা হয়। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম ছায়েফ উলস্নার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তাকে চলতি বছরের জুনে ওএসডি করা হয়। এছাড়া ওএসডি আছেন অধ্যাপক শহীদুজ্জামান মিয়া, মোহাম্মদ ইউসুফ, আবুল কালাম আজাদ, শফিউল মুজ নবীন, রতন কুমার সাহা, ফওজিয়া বানু, এস এম গাউছুল আজম, ফরহাদুল ইসলাম ভূঞা, তাবিবার রহমান, আবু তাহের, অধ্যাপক আইয়ুব ভূইয়া, শাহিদুর রহমান। সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে ওএসডি তালিকায় আছেন সহযোগী অধ্যাপক হেমায়েত উদ্দিন হাওলাদার, ছালাহ উদ্দিন, মুশফিকুর রহমান, শামস আরা জাহান, আবু নাছের টুকু, ড. কানিজ ফাতেমা, ড. সাহেদুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, ড. মাহমুদ হোসেন, ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, সুফিয়া নাজনীন, আফরোজা আরা বেগম, শিব্বির আহমেদ, শাহজাদী হোসেন আরা, লায়লা কানিজ, জেসমিন পারভীন, হুমায়রা বেগম, তৌহিদুল ইসলাম, হাসমত মনোয়ার, জিলস্নুর রহমান, মঞ্জুরুল আলম, আবদুল মুমিন মোছাব্বির, আবদুর রহিম, নূর মোহাম্মদ, আবু সালেহ খান, চৌধুরী মুসাররাত হোসেন জুবেরী, জাহিদ বিন মতিন, নিজামন খান, ড. এস এম মনিরুল হোসেন রাশেদ, গৌতম চন্দ্র রায়, গাজী মো. নজরুল ইসলাম। আর সহকারী অধ্যাপক পদে ওএসডি আছেন সহকারী অধ্যাপক মোস্তফা সাইফুল আলম, তৈয়বুর রহমান, আফসার উদ্দিন, মাহবুবা খানম, মকলেছুর রহমান।

জানা গেছে, অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওএসডি করা হলে তাদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা দপ্তর-অধিদপ্তরে নিয়মিত হাজিরা দিতে হয়। প্রয়োজনে তাদের কাজে লাগানো হয়। আর শিক্ষা ক্যাডারে বসিয়ে বসিয়ে বেতন দেওয়া হয়। এ ক্যাডারের অনেক শিক্ষক পছন্দের পদে পদায়ন না পেলে নিজেরাই তদবির করে ওএসডি হন। সাধারণ মানুষের মতোই জীবনযাপন করেন তারা। আর মাস শেষে নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা তোলেন। এ বিষয়ে নেই কোনো জবাবদিহিতা। পদোন্নতির ক্ষেত্রেও বঞ্চিত করা হয় না। ওএসডি হওয়া শিক্ষকদের আরও গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন দেওয়া হয়। এছাড়া সরকারি কলেজের শিক্ষকরা তদবির করে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রকল্পে প্রেষণে পদায়ন নেন। প্রেষণ প্রত্যাহার করা হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে আদেশ মাসের পর মাস চাপা দিয়ে রাখেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সেকায়েপ (সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট) প্রকল্পটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে হয়েছে। এ প্রকল্পে প্রেষণে কর্মরত কয়েকজন শিক্ষককে আজও পদায়ন দেওয়া হয়নি। তারা বাড়িতে বসে নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন।

ডা. দীপু মনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২৪ মার্চ দুর্নীতি এবং দীর্ঘদিন ধরে পদ আঁকড়ে ধরে রেখেছেন শিক্ষা প্রশাসন ও কলেজের ১৮ জনকে ওএসডি করা হয়। ৩০ মার্চ আরও ১৩ জনকে ওএসডি করা হয়। এদের মধ্যে অধ্যাপক ড. আলমগীর কবিরকে কয়েক দিন পর কুমিলস্না অঞ্চলের একটি কলেজে পদায়ন করা হলেও ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঢাকায় বদলির জন্য তদবির করতে প্রায় দিনই তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ঘুরঘুর করতে দেখা যায়। ঢাকায় ফিরতে না পারলে আবার ওএসডি হতে চান তিনি।

\হ
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে