logo
রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬

  অনলাইন ডেস্ক    ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

খেলাপি ঋণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা

যাযাদি রিপোর্ট

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, গত জুন পর্যন্ত দেশে ঋেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৭ কোটি টাকা। এসব ঋণের মধ্যে ব্যাংকের খেলাপি ১ লাখ ৬ হাজার ৫৫ কোটি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৮ হাজার ৪২ কোটি টাকা।

বুধবার সংসদে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ প্রণয়ন করেছে। এ আইনের আলোকে খেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত শ্রেণিকৃত ঋণের বিপরীতে ১৬ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা আদায় মহিবুল রহমান মানিকের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকসমূহে শৃঙ্খলা

প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইন, সংশোধনের মাধ্যমে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, কর্তব্য এবং কর্মপরিধি সম্পর্কে দিকনিদের্শনা দেয়া হয়েছে। ব্যাংকের ঝুঁকি মোকাবিলায় ১২ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

পীর ফজলুল রহমানের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার রোধে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে বিদেশ থেকে পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বর্তমানে অর্থপাচার বিষয়ক প্রায় ৪০টি মামলা আদালতে বিচারাধীন। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরত আনতে অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে গঠিত আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স অর্থ উদ্ধারে কাজ করছে।

গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বর্তমানে দেশে টিআইএনধারী করদাতার সংখ্যা ৪৫ লাখ ১৬ হাজার ৬৩২। ঢাকাসহ ২৭ কর অঞ্চলের মাধ্যমে করদাতারা কর প্রদান করছেন।

বেগম রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বিদ্যমান বিও অ্যাকাউন্টধারীদের মধ্যে সব বিনিয়োগকারী একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে লেনদেন করেন না। কিছুসংখ্যক বিনিয়োগকারী প্রায়শই লেনদেন করেন, কিছুসংখ্যক বিনিয়োগকারী স্বল্প ও দীর্ঘ বিরতির পর লেনদেন করেন।

তিনি আরো বলেন, পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজের মূল্যের উখান-পতন একটি স্বাভাবিক ঘটনা। ফলে বিনিয়োগকারীরা স্বাভাবিক নিয়মেই লাভ-লোকসান করতে পারেন।

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি বছরের গত ৯ মাসে বিদেশ থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩ হাজার ৪৩৮ দশমিক ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে