logo
বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬

  যাযাদি ডেস্ক   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

এবার কলাবাগান ক্লাবে র‌্যাবের অভিযান

এবার কলাবাগান ক্লাবে র‌্যাবের  অভিযান
কলাবাগান ক্লাবের সামনের্ যাব সদস্যরা

ঢাকার ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাব ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো পাওয়ার পর এবার ধানমন্ডির কলাবাগান ক্রীড়াচক্র ঘিরে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব। শুক্রবার বিকালে নিকেতনে ঠিকাদার জি কে শামীমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে র‌্যাবের অভিযান শেষ হওয়ার আগেই কলাবাগান মাঠের পাশে র‌্যাবের আরেকটি দলের অবস্থান নেয়ার খবর আসে। এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে র‌্যাব ২ এর অধিনায়ক আশিক বিলস্নাহ অভিযান শুরুর কথা জানান। ক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম ফিরোজকে আটক করার গুঞ্জনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে র‌্যাব কর্মকর্তা আশিক বলেন, 'আমরা তাকে ক্লাবে পেয়েছি। এখান থেকে তাকে র‌্যাব-২ সদর দপ্তরে নিয়ে গিয়েছিলাম। এখন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ক্লাব সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান হবে।' কী অভিযোগে এই অভিযান- জানতে চাইলে আশিক বিলস্নাহ বলেন 'আমাদের কাছে ইনফরমেশন রয়েছে। এখানে অবৈধ কিছু জিনিসপত্র রয়েছে। ইনফরমেশন রয়েছে- এখানে ক্যাসিনো রয়েছে।' কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বায়রার সিনিয়র সহ-সভাপতি সফিকুল আলম ফিরোজ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৫ (শাহরাস্তি-হাজীগঞ্জ) আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। এর আগে গত বুধবার বিকালে গুলশান ২ নম্বরের ৫৯ নম্বর সড়কে যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বাসা এবং ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে একযোগে অভিযান চালায় র‌্যাব। শাহজাহানপুরের রেলওয়ে কলোনিতে বেড়ে ওঠা খালেদ ফকিরাপুলের ওই ক্লাবের সভাপতি। কয়েক ঘণ্টার অভিযানে ওই ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে জুয়ার আড্ডা চালানোর বিপুল আয়োজন পাওয়া যায়। সেখান থেকে ২৪ লাখ টাকাও উদ্ধার করা হয়। আর গুলশানের বাসা থেকে খালেদকে গ্রেপ্তারের পর তার বাসায় ৫৮৫টি ইয়াবা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং অবৈধ অস্ত্র পাওয়ার কথা জানায়র‌্যাব। ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবের পাশাপাশি ওই এলাকার ওয়ান্ডারার্স ক্লাব, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র এবং বনানীর আহমেদ টাওয়ারে গড়ে তোলা একটি ক্যাসিনোতেওর‌্যাবের অভিযান চলে। দেশের বিভিন্ন ক্লাবে অবৈধভাবে জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এ নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে। তবে বাংলাদেশেও যে স্স্নট মেশিন, রুলেট টেবিলের মতো সরঞ্জাম নিয়ে পুরোদস্তুর ক্যাসিনো চলে, সে খবর সাধারণ মানুষের কাছে নতুন। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৬০টি জায়গায় ক্যাসিনো বানিয়ে জুয়ার আসর চালানো হয় এবং এর পেছনে রাজনৈতিক নেতাদের মদদ রয়েছে বলে খবর আসে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। র‌্যাবের নির্বাহী হাকিম সারোয়ার আলম সেদিনই বলেছিলেন, ক্যাসিনো বা জুয়ার আখড়া বন্ধে এই ধরনের অভিযান চলবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে