logo
রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ৪ কার্তিক ১৪২৬

  হাসান আরিফ   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার

কইয়ের তেলে কই ভাজল ওরিয়ন

নির্মাণে ব্যয় ২ হাজার ১০৮ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকা সরকারি বন্ডে পরিশোধ ১ হাজার ৯৯২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা

কইয়ের তেলে কই ভাজল ওরিয়ন
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের একাংশ -ইন্টারনেট
বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী (মেয়র মোহাম্মদ হানিফ) ফ্লাইওভারে নিজের কোনো বিনিয়োগ নেই ওরিয়ন গ্রম্নপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের। পুরোটাই ব্যাংক ঋণে নির্মিত হয়েছে। তার ওপর তারা আদায় করে নিয়েছে নানা সুবিধা। এখন এই ঋণ আর ঋণের সুদ সরকারি বন্ডের মাধ্যমে শোধের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড ব্যাংকের অর্থে পুরো ফ্লাইওভার নির্মাণ করে। আর জমি দেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এই ফ্লাইওভারের নির্মাণ ব্যয়ের ১ হাজার ৪৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং সুদ বাবদ ৫৫৪ কোটি টাকা, মোট ১ হাজার ৯৯২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এখন সরকারি বন্ডের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেয়া হচ্ছে।

উলেস্নখ্য, ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। আর ফ্লাইওভার নির্মাণে ওরিয়ন গ্রম্নপকে ২ হাজার ২৫০ কোটি টাকা অর্থায়ন করে ছয়টি ব্যাংক ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের বিনিয়োগ ৫০০ কোটি, রূপালী ব্যাংকের ৫৫০ কোটি, জনতা ব্যাংকের ৬০০ কোটি ও অগ্রণী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের। সমপরিমাণ বিনিয়োগ করেছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশও (আইসিবি)।

জানা গেছে, আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে চতুর্পক্ষীয় চুক্তি করতে জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে। পক্ষগুলোর মধ্যে রয়েছে, ওরিয়ন গ্রম্নপ, সিটি করপোরেশন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়। কয়েক বছর আগে থেকেই ফ্লাইওভারের আয়ের ওপর কর অব্যাহতি, জমি ও বিলাসবহুল গাড়ি কেনায় শূন্য শুল্ক সুবিধা আদায় করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকার তো টাকা আকাশ থেকে পায় না। সব টাকাই জনগণের। জনগণের টাকার ওপর ভিত্তি করে অনিয়মের প্রশ্রয় দেয়া গণতান্ত্রিক ও সুশাসনে অগ্রহণযোগ্য। সরকার বারবার একটি গ্রম্নপকে সুবিধা দেবে, সেটি অনৈতিক। তাই এই অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। আর প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার, তাই জনস্বার্থে এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রম্নত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বললে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে বিষয়টি তাদের কাছেও অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। আর ওরিয়ন গ্রম্নপের অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ম্যানেজার তানভীরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। তিনিই গণমাধ্যমের বিষয়ে কথা বলেন বলে জানানো হয়। এরপর তারভীরের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

জানা গেছে, গত মার্চ মাসে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার নির্মাণে অতিরিক্ত টাকা ও ব্যাংক ঋণের সুদ সরকারি খাত থেকে পরিশোধ বা বন্ডের মাধ্যমে সংস্থান করার জন্য ডিএসসিসি বরাবর আবেদন জানিয়েছিল ওরিয়ন গ্রম্নপের প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। ওরিয়ন গ্রম্নপের ওই দাবির ডিএসসিসি আমলে না নিলে ওরিয়ন সালিশি ট্রাইবু্যনালে বিচার চায়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মধ্যে সালিশি ট্রাইবু্যনালে বিচার হয়।

ওই বিচারের রায়ে উলেস্নখ করা হয়, অতিরিক্ত খরচ ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ বহন করবে। এ জন্য সংস্থাটি এক হাজার ৪৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে দেবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে ২ শতাংশ হারে সুদ। তবে সুদের টাকা পরিমাণ বিষয়ে রায়ে কিছু বলা হয়নি।

জানা গেছে, ২ শতাংশ হারে সুদের পরিমাণ কত তা সিটি করপোরেশন নিজেরা ঠিক না করে মন্ত্রণালয়ের কাছে সালিশি ট্রাইবু্যনালের এই রায়ের ব্যাপারে সমাধান চায়। দুই মাস আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সিটি করপোরেশনে প্রতিবেদন জমা দেয় এবং মন্ত্রণালয় তা সমাধান করে দেয়। এর আগে সালিশি ট্রাইবু্যনালের রায় নিয়ে অর্থ বিভাগের সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ইউনিট প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, সরকারের ইতিবাচক মনোভাব না থাকলে এই ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়। তাই জনগণের টাকায় কোনো প্রতিষ্ঠানকে এই ধরনের রাষ্ট্রীয় সুবিধা দেয়া জনগণকে বঞ্চিত করে দুর্নীতিকেই প্রশ্রয় দেয়ার শামিল।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, টাকার বিপরীতে সরকারি ব্যাংক বিশেষ করে সোনালী ব্যাংকের কাছে পাঁচ বছর মেয়াদি ৭ শতাংশ সুদে বন্ড বিক্রি করবে সরকার। সরকারি বন্ড হলো একটি নিরাপত্তাবলয়, যা সরকার কর্তৃক বিক্রি করা হয়।

উলেস্নখ্য, ২০১৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধনের কয়েক দিন আগে ডিএসসিসির কাছে ১ হাজার ৪৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে ওরিয়ন। প্রকল্প এলাকা হস্তান্তরে দেরি হওয়া, নির্মাণসামগ্রী অব্যবহৃত পড়ে থাকা, নির্মাণ শ্রমিকদের বসিয়ে বেতন দেয়া ইত্যাদি যুক্তি দেখানো হয় সে সময়। তবে তা না মানায় আরবিট্রেশনে মামলা করে ওরিয়ন। মামলায় টোলের হার বাড়ানোর শর্তও জুড়ে দেয়া হয়।

ব্যাংকঋণের যুক্তি দেখিয়ে গত নভেম্বরে ফ্লাইওভারের আয়ের ওপর ১৫ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি নেয় প্রতিষ্ঠানটি। তারও আগে গত বছরের ফেব্রম্নয়ারিতে প্রকল্পের নামে শূন্য শুল্কে বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির অনুমতি আদায় করে নেয় তারা। অথচ চুক্তি থাকলেও টোলের অর্থের ৫ শতাংশ ইকু্যইটি শেয়ার ডিএসসিসিকে দিচ্ছে না ওরিয়ন। পাশাপাশি চুক্তি লঙ্ঘন করে উদ্বোধনের পরদিন থেকেই যানবাহনভেদে ৭০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে।

এদিকে ডিএসসিসি বলছে, ফ্লাইওভার নিয়ে ওরিয়নের সঙ্গে কোনো বৈধ চুক্তি নেই। ২০০৯ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মৌখিক নির্দেশে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। কারণ ব্যাংক হিসাবে জামানতের টাকা না থাকায় ২০০৭ সালে চুক্তিটি বাতিল করে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শুধু তা-ই নয়, নতুন চুক্তির জন্য কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জমি প্রদানের জন্য টোলের অর্থের কমপক্ষে ৩০ শতাংশ দাবি করছে ডিএসসিসি।

২০১৩ সালের অক্টোবরে খুলে দেয়া রাজধানীর গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী (মেয়র মোহাম্মদ হানিফ) ফ্লাইওভারটি নির্মাণে কিলোমিটার প্রতি ব্যয় প্রায় ২১১ কোটি টাকা। আর গত কয়েক বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শতাধিক ফ্লাইওভার নির্মাণে কিলোমিটার প্রতি ব্যয় ৮০ ধেকে ৯০ কোটি টাকা। এ হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ফ্লাইওভার এটি। ১১ কিলোমিটারের এই ফ্লাইওভারটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। এই টাকা আগামী ২৪ বছর ধরে যানবাহন থেকে টোল হিসেবে আদায় করে নেবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার নির্মাণে ৬৬৭ কোটি টাকায় কার্যাদেশ দেয়া হয়। কিন্তু কয়েক দফা বৃদ্ধির পর প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ ফ্লাইওভারের নির্মাণ ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১০৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। বিল্ড ওন অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার (বিওওটি) পদ্ধতিতে গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করছে ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। এর তত্ত্বাবধান করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

একই বছরের ১৪ জুন মুম্বাইয়ে উদ্বোধন করা হয় ১৬ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ইস্টার্ন ফ্রিওয়ে। এর নির্মাণ ব্যয় ১৯ কোটি ডলার বা ১ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে কিলোমিটার প্রতি ব্যয় দাঁড়ায় ৮৮ কোটি ২১ লাখ টাকা। ভারতীয় কোম্পানি সিমপেস্নক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করে; যারা গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার নির্মাণে বাংলাদেশী ওরিয়ন ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে সহযোগিতা করছে।

আবার কলকাতায় ৮ দশমিক ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পরমা-পার্ক সার্কাস ফ্লাইওভারের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৭ কোটি ২০ লাখ রুপি বা ৩৯২ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে কিলোমিটার প্রতি ব্যয় হচ্ছে ৪৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বাটানগরে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ আরেকটি ফ্লাইওভার নির্মাণ কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় ৪৪ কোটি টাকা।

একই বছরের এপ্রিল মাসে মালয়েশিয়ায় ১০ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচটি ফ্লাইওভার উদ্বোধন করা হয়। এগুলোর কিলোমিটার প্রতি নির্মাণ ব্যয় ৫৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। আগের বছর উদ্বোধন করা চীনের প্রায় ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচটি এলিভেটেড রোড নির্মাণেও কিলোমিটার প্রতি ব্যয় হয় ৪৮ কোটি টাকা।

শ্রমিকের গড় মজুরির হিসাবেও চীন, মালয়েশিয়া ও ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় কম হওয়ার কথা। ২০১২ সালের ইন্টারন্যাশনাল কনস্ট্রাকশন কস্ট সার্ভের তথ্য মতে, মালয়েশিয়ায় নির্মাণ শ্রমিকদের গড় মজুরি প্রতি ঘণ্টায় ৫ ডলার, চীনে ৩ ও ভারতে ১ ডলার। আর বাংলাদেশে তা ৫০ সেন্টেরও কম।

নির্মাণ ব্যয়ের দিক থেকে গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুজিবুর রহমান।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় ৮০ থেকে ৯০ কোটি টাকার মধ্যেই থাকে। মজুরি কম হওয়ায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এ ব্যয় আরও কম। ঢাকা শহরে মাটির নিচে অপরিকল্পিতভাবে পরিষেবা সংযোগ লাইন ছড়িয়ে থাকায় এক্ষেত্রে ব্যয় কিছুটা বেশি হয়। তবে কিলোমিটার প্রতি ব্যয় কোনোভাবেই ১০০ কোটি টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। এক্ষেত্রে গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের নির্মাণ ব্যয় অস্বাভাবিক হয়ে গেছে।

এদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) তত্ত্বাবধানে প্রায় দুই কিলোমিটার সংযোগ সড়ক ও ৩ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ কুড়িল ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩০৬ কোটি টাকা। গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের কয়েক মাস আগে উদ্বোধন হওয়া এই ফ্লাইওভারটির কিলোমিটার প্রতি ব্যয় হয়েছে ৯০ কোটি টাকা। আবার প্রায় ৯০০ মিটার দীর্ঘ ছয় লেনবিশিষ্ট বনানী ওভারপাস, ৫৬১ মিটার সংযোগ ব্রিজ ও ১ দশমিক ৭৯ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের মিরপুর-বিমানবন্দর সড়ক ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৬০ কোটি টাকা। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত এ ফ্লাইওভারের কিলোমিটার প্রতি ব্যয় ১০৫ কোটি টাকা। আর রাজধানীর ৮ দশমিক ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে নির্মিত ফ্লাইওভারটির কিলোমিটার প্রতি ব্যয় ৯৪ কোটি টাকা।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে