logo
বুধবার ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯, ১০ মাঘ ১৪২৫

  যাযাদি ডেস্ক   ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে সেই মায়া দ-িত

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে সেই মায়া দ-িত
ফিলিপাইনের রিজাল কমাশির্য়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতো

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিসহ অথর্ পাচারের আট দফা অভিযোগে ফিলিপাইনের রিজাল কমাশির্য়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতোকে ৩২-৫৬ বছরের কারাদÐের আদেশ দিয়েছে দেশটির আদালত। প্রতিটি অভিযোগের জন্য মায়ার চার থেকে সাত বছরের কারাদÐ দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার আদালত এই দÐাদেশ দেয় বলে রয়টাসের্র প্রতিবেদনে জানানো হয়। এই চুরিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাইবার চুরির ঘটনা বলে মনে করা হয়। এই চুরিতে প্রথম সাজা পেলেন মায়া। কারাদÐের পাশাপাশি মায়াকে ১০৩ মিলিয়ন ডলারের অথর্দÐ দেয়া হয়েছে। ২০১৬ সালের ফেব্রæয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজাভর্ ব্যাংক অব নিউইয়কর্ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজাভের্র ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে আট কোটি ১০ লাখ ডলার চলে যায় ফিলিপাইনে। পরে ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকের মাকাতি শাখার মাধ্যমে তা ক্যাসিনো ও বিভিন্ন ব্যক্তির হাতে চলে যায়। অথর্ পাচারের এই কাজে আরসিবিসির মাকাতি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে সরাসরি জড়িত ছিলেন মায়া সান্তোস দেগুইতো। ফিলিপাইনের মাকাতি শহরের আরসিবিসি শাখার মাধ্যমে ওই অথর্ ফিলিপাইনে আসার পর তা মুদ্রা লেনদেনকারী ফিলরেম নামের এক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চলে যায় তিনটি ক্যাসিনোর কাছে। সিএনএন ফিলিপাইনের প্রতিবেদনে বলা জয়, মায়া সান্তোস দেগুইতো যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক থেকে অথর্ আনা এবং তা চারটি অজ্ঞাত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে জমা করার বিষয় নিজে তদারকি করেছিলেন বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন। ফিলিপাইনের মাকাতি শহরের আরসিবিসি শাখার মাধ্যমে ওই অথর্ ফিলিপাইনে আসার পর তা মুদ্রা লেনদেনকারী ফিলরেম নামের এক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চলে যায় তিনটি ক্যাসিনোর কাছে। এভাবে হাতবদল হয়ে সবশেষে ফিলরেমের মাধ্যমে ওই আট কোটি ডলার ফিলিপাইন থেকে আবার অন্য দেশে পাচার হয়ে যায়। এতে ওই ব্যাংকের তৎকালীন শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতো সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ পায় ডিওজে। এ জন্য আরসিবিসি থেকে বরখাস্ত হন তিনি। গত বছরের আগস্টে ফিলিপাইন সরকার তাকে এ কারণে গ্রেপ্তারও করে। মায়া সান্তোস দেগুইতো সব সময় অথর্ পাচারের ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করে এসেছেন। তার দাবি, আরসিবিসির ঊধ্বর্তন কতৃর্পক্ষের নিদেের্শ তাকে কিছু কাজ করতে হয়েছে। আদালত ২৬ পৃষ্ঠার রায়ে বলে, ‘অথর্ লেনদেনে তার কিছুই করার ছিল না বলে মায়া আদালতে যে কথা বলেছেন, সেটা একেবারে নিজর্লা ও বড় ধরনের মিথ্যা।’ তবে মায়ার আইনজীবী ডেমি কাস্টোডিয়ো এই রায়ের পর জানিয়েছেন, তারা রায়ে হতাশ। এ বিষয়ে মায়া উচ্চ আদালতে যাবেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে