logo
  • Sun, 18 Nov, 2018

  যাযাদি রিপোটর্   ০৯ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

তফসিল ঘোষণা

সংসদ নিবার্চন ২৩ ডিসেম্বর

প্রাথীের্দর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২২ নভেম্বর প্রাথির্তা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর সিইসির ভাষণের উল্লেখযোগ্য দিক নিবার্চনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে হ ইভিএম সীমিত আকারে ব্যবহার করা হবে হ মতবিরোধ মিটিয়ে সব দলকে নিবার্চনে অংশগ্রহণের আহŸান হ হয়রানি না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিদের্শ

সংসদ নিবার্চন ২৩ ডিসেম্বর
প্রধান নিবার্চন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে নিবার্চনের তফসিল ঘোষণা করেন
একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনের ভোটগ্রহণ আগামী ২৩ ডিসেম্বর। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধান নিবার্চন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা নিবার্চনের তফসিল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রাথীের্দর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর, বাছাইয়ের তারিখ ২২ নভেম্বর ও প্রাথির্তা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৩ দফা (৩) উপদফা (ক)-এর বরাতে এবং নিবার্চন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনের সময়সূচি ঘোষণা করেন সিইসি।

এর আগে দশম জাতীয় সংসদ নিবার্চনের ভোটগ্রহণ হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। দশম জাতীয় নিবার্চনে বিএনপিসহ বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গত সোমবার ইসির সঙ্গে বৈঠক করে তফসিল পেছানোর দাবি করে। কারণ হিসেবে তারা বলেছে, সরকারের সঙ্গে সংলাপ চলছে। এর ফলাফল দেখে তফসিল ঘোষণা করা যেতে পারে। ঐক্যফ্রন্ট বলেছে, সমঝোতার আগে তফসিল ঘোষণা করা হলে তারা নিবার্চন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা করবে।

অন্যদিকে জাতীয় পাটির্ ও যুক্তফ্রন্ট নিবার্চনের তফসিল না পেছানোর জন্য নিবার্চন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানায়। গত বুধবার জাতীয় পাটির্র (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল নিবার্চন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে বৃহস্পতিবারই তফসিল ঘোষণার অনুরোধ করে। যুক্তফ্রন্টের নেতা ও বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গত মঙ্গলবার ইসিকে চিঠি দিয়ে তফসিল ঘোষণা করতে বলে।

সিইসি তার ভাষণে নিবার্চনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং সব রাজনৈতিক দলকে নিবার্চনে অংশগ্রহণের আহŸান জানান।

সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, আন্দোলন আত্মদান আর সংগ্রামের ফসল স্বাধীন-সাবের্ভৗম বাংলাদেশ। ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের প্রত্যয় নিয়ে স্বাধিকার আন্দোলন। স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেরণায় মুক্তি সংগ্রাম। মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ অজর্ন লাল সবুজ পতাকার একখÐ বাংলাদেশ। চরম ক্ষুধা-দারিদ্র্য, অবনতকর আথর্সামাজিক অবস্থান এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ভৌত অবকাঠামো নিয়ে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম। নবীন সে দেশটি আজ উন্নত বিশ্ব অভিমুখ অভিযানে দীপ্তপদে এগিয়ে চলছে। উন্নয়নের আর একটি আরাধ্য সোপান গণতন্ত্রের মজবুত ভিত্তি। সামাজিক উন্নয়ন ও অথৈর্নতিক প্রবৃদ্ধির স্থিতিশীল ও দীঘের্ময়াদি লক্ষ্য অজের্ন উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে সমান্তরাল পথ ধরে অগ্রসর হতে হবে। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় নিবার্চন একটি নিভর্রশীল বাহন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নিবার্চন তা এগিয়ে নিয়ে যেতে জনগণের কাছে হাজির হয়েছে। জনগণের হয়ে সব রাজনৈতিক দলকে সে নিবার্চনে অংশ নিয়ে দেশের গণতন্ত্রের ধারা এবং উন্নয়নের গতিকে সচল রাখার আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, তারা একাদশ সংসদ নিবার্চন সামনে রেখে আইন সংস্কার, ভোটার তালিকা প্রস্তুতসহ ৭টি করণীয় বিষয় স্থির করে ২০১৭ সালে একটি কমর্পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছিলেন। সংলাপের মাধ্যমে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, পযের্বক্ষক সংস্থা, নিবার্চন বিশেষজ্ঞ ও নারীনেত্রী সংগঠনের কাছে কমর্পরিকল্পনাটি তুলে ধরেছিলেন। তাদের পরামশর্ এবং সুপারিশ বিচার-বিশ্লেষণের পর করণীয় বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যেমন, কতিপয় আইন বিধি সংশোধন করা হয়েছে। সংসদীয় এলাকার সীমানা পুননির্ধার্রণ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রায় ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের বাছাই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৭৫টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কমর্কতাের্দর সক্ষমতা অজর্ন প্রশিক্ষণ কমর্সূচি চলমান রয়েছে। প্রথমবারের মতো পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সিইসি বলেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চন সম্পন্ন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইতোমধ্যে নিবার্চনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে। কমিশনারগণ সংবিধানের আলোকে সংসদ নিবার্চন পরিচালনা করার শপথ নিয়েছেন এবং তাতে তারা নিবিষ্ট রয়েছেন। নিবার্চনী সামগ্রী ক্রয় ও মুদ্রণের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে পারস্পরিক পরামশর্ আদান প্রদান করা হয়েছে। নিবার্চন কমিশনের কমর্কতার্-কমর্চারী নিবার্চনী দায়িত্বে নিবেদিত রয়েছেন। তাদের প্রস্তুতি সম্পকের্ রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেছেন।

প্রধান নিবার্চন কমিশনার বলেন, নিবার্চন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পযাের্য়র প্রায় ৭ লক্ষ কমর্কতার্ নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রত্যেক নিবার্চনী এলাকায় নিবার্হী এবং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী থেকে ৬ লক্ষাধিক সদস্য মোতায়েন করা হবে। তাদের মধ্যে থাকবে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্টগাডর্, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যগণ। তাদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও একাগ্রতার ওপর বিশেষ দৃষ্টি রাখা হবে। দায়িত্ব পালনে ব্যথর্তার কারণে নিবার্চন ক্ষতিগ্রস্ত হলে দায়ী কমর্কতার্র বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামরিক প্রশাসনকে যথা-প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

কে এম নুরুল হুদা বলেন, জাতীয় সংসদ নিবার্চন ঘিরে সবর্স্তরের জনগণের মধ্যে স্বতঃস্ফূতর্ আগ্রহের জাগরণ ঘটে। তাদের বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর উচ্ছ¡াসে গোটা দেশ উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। রাজনীতিবিদদের কৌশল প্রণয়ন, প্রাথীের্দর নিঘুর্ম প্রচারণা, সমথর্কদের জনসংযোগ, ভোটারদের হিসাব-নিকাশ, হাটবাজারে মিছিল ¯েøাগান, পোস্টারে অলিগলি সয়লাব, চা দোকানে বিতকের্র ঝড়, কমর্কতাের্দর প্রশিক্ষণ, প্রশাসনে রদবদল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতির ঘটনা ঘটে। ভোটের দিনে ধমর্ বণর্ গোত্র-নিবিের্শষে আবালবৃদ্ধবনিতার মধ্যে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।

তিনি বলেন, ২০১৮ সাল সেই নিবার্চনের একটি বছর। নিবার্চনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে দিয়েছে। সুশীল সমাজ মতামত প্রকাশ অব্যাহত রেখেছে। গণমাধ্যমে নিবার্চন বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণের মতামত, বক্তব্য, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন, আলোচনা-সমালোচনা ও সুপারিশ প্রকাশ করা হচ্ছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো নিবার্চন নিয়ে প্রতিনিয়ত টকশো প্রচার করে যাচ্ছে। সব সংবাদমাধ্যম নিবার্চন নিয়ে বিশেষ খবর ও প্রতিবেদন প্রচার করছে। দেশের প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দলগতভাবে অংশগ্রহণমূলক এবং সুষ্ঠু নিবার্চন অনুষ্ঠানের পরামশর্ নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংলাপে মিলিত হয়েছেন। সভা-সমাবেশ নিবার্চনী বক্তব্যে উত্তপ্ত হচ্ছে। দেশি-বিদেশি বহুসংখ্যক সংগঠন নিবার্চন পযের্বক্ষণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দেশব্যাপী সংসদ নিবার্চন অনুষ্ঠানের অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

সিইসি বলেন, জাতির এমন উচ্ছ¡সিত প্রস্তুতির মধ্যখানে দঁাড়িয়ে তিনি প্রত্যাশা করবেন, অনুরোধ করবেন এবং দাবি করবেন, প্রাথীর্ এবং তার সমথর্ক নিবার্চনী আইন ও আচরণবিধি মেনে চলবেন। প্রত্যেক ভোটার অবাধে ও স্বাধীন বিবেকে পছন্দের প্রাথীের্ক ভোট প্রদান করবেন। স্ব স্ব এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং নিবাির্চত প্রতিনিধি ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সহায়তা করবেন। পোলিং এজেন্টগণ ফলাফলের তালিকা হাতে না পাওয়া পযর্ন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। নিবার্চনী কমর্কতার্গণ নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে অটল থাকবেন। নিবার্হী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটগণ আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করবেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোটকেন্দ্র, ভোটার, প্রাথীর্, নিবার্চনী কমর্কতার্ এবং এজেন্টগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। গণমাধ্যমকমীর্ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন। পযের্বক্ষকগণ নিবার্চন কমিশনের নীতিমালা মেনে দায়িত্ব পালন করবেন। এবং নিবার্চন কমিশন সচিবালয় সামগ্রিক পরিস্থিতি সাবর্ক্ষণিক পযের্বক্ষণ এবং তত্ত¡াবধানের আওতায় রাখবে। এভাবেই সুষ্ঠু নিবার্চন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে।

প্রধান নিবার্চন কমিশনার বলেন, জাতীয় সংসদ নিবার্চনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় জনগণের মালিকানার অধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়; নতুন সরকার গঠনের ক্ষেত্র তৈরি হয়। এমন নিবার্চনে দেশের সব রাজনৈতিক দলকে অংশগ্রহণ করার জন্য আবারও আহ্বান জানান। তাদের মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে মতানৈক্য বা মতবিরোধ থেকে থাকলে রাজনৈতিকভাবে তা মীমাংসার অনুরোধ জানান। প্রত্যেক দলকে একে অপরের প্রতি সহনশীল সম্মানজনক এবং রাজনীতিসুলভ আচরণ করার অনুরোধ জানান। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতাপূণর্ এবং প্রতিদ্ব›িদ্বতামূলক নিবার্চন প্রত্যাশা করেন। প্রতিদ্ব›িদ্বতামূলক নিবার্চনে প্রাথীর সমথর্কদের সরব উপস্থিতিতে অনিয়ম প্রতিহত হয় বলে তিনি বিশ্বাস করেন। প্রতিযোগিতা এবং প্রতিদ্ব›িদ্বতা যেন কখনো প্রতিহিংসা বা সহিংসতায় পরিণত না হয়, রাজনৈতিক দলগুলোকে সেদিকে সতকর্ দৃষ্টি রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

সিইসি বলেন, ভোটার, রাজনৈতিক নেতাকমীর্, প্রাথীর্, প্রাথীর্র সমথর্ক এবং এজেন্ট যেন বিনা কারণে হয়রানির শিকার না হন বা মামলা মোকদ্দমার সম্মুখীন না হন, তার নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর কঠোর নিদের্শ থাকবে। দলমত নিবিের্শষে সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, ধমর্, জাত, বণর্ ও নারী পুরুষভেদে সকলে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট শেষে নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে অবস্থান করতে পারবেন।

নিবার্চনী প্রচারণায় সকল প্রাথীর্ ও রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবে। সকলের জন্য অভিন্ন আচরণ ও সমান সুযোগ সৃষ্টির অনুকূলে নিবার্চনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে। এসব নিয়ে শিগগিরই প্রয়োজনীয় পরিপত্র জারি করা হবে।

তিনি বলেন, নিবার্চনী ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। কমিশনের নিজস্ব নেটওয়াকের্র মাধ্যমে প্রাথীের্দর তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিবার্চনের পারিপাশ্বির্ক পরিস্থিতি আদান-প্রদান পদ্ধতিসংক্রান্ত সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হয়েছে। সরাসরি অথবা অনলাইনেও মনোনয়নপত্র দাখিলের বিধানও রাখা হয়েছে। পুরাতন পদ্ধতির পাশাপাশি ভোট গ্রহণে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অনেকগুলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নিবার্চনে আংশিক ও পূণার্ঙ্গ ভোট গ্রহণে ইভিএম ব্যবহার সফল হয়েছে। জেলা এবং অঞ্চল পযাের্য় প্রদশর্নীর মাধ্যমে ইভিএমের উপকারিতা সম্পকের্ ভোটারগণকে অবহিত করা হয়েছে। ইভিএম ব্যবহারে তাদের মধ্যে উৎসাহব্যঞ্জক আগ্রহ দেখা গিয়েছে। তারা বিশ্বাস করেন, ইভিএম ব্যবহার করা গেলে নিবার্চনের গুণগতমান উন্নত হবে এবং সময়, অথর্ ও শ্রমের সাশ্রয় হবে। সে কারণে শহরগুলোর সংসদীয় নিবার্চনী এলাকা থেকে দৈবচয়ন প্রক্রিয়ায় বেছে নেয়া অল্প কয়েকটিতে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে