logo
  • Mon, 19 Nov, 2018

  যাযাদি রিপোটর্   ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

মোশের্দ খান ও রুহুল আমিনকে দুদকে তলব

মোশের্দ খান ও রুহুল আমিনকে দুদকে তলব
এম মোশের্দ খান রুহুল আমিন হাওলাদার
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোশের্দ খান ও জাতীয় পাটির্র (জাপা) মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুনীির্ত দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার আলাদা আলাদা চিঠিতে তাদের তলব করা হয়। চিঠিতে ১৮ সেপ্টেম্বর তাদের দুদকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার

ভট্টাচাযর্ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাপা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারকে তলব করা হয়েছে জ্ঞাত আয়বহিভূর্ত সম্পদ অজের্নর অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে। কোটি কোটি টাকার সম্পদ অজের্নর অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন উপপরিচালক সৈয়দ আহমেদ। সরকারি সম্পদ দখলে রাখার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এর আগে ২০১৪ সালের নিবার্চনের পর রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুদক। ২০১৪ সালের নিবার্চন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়টি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০১৭ সালে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু হয়। সেই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে জাপা মহাসচিবকে তলব করা হলো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘আমার জানামতে কোনো সরকারি সম্পত্তি আমার কাছে বা আমার ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার হয়নি। যখন ক্ষমতায় ছিলাম তখনই কেউ এমন অভিযোগ করতে পারেনি। আর এখন ২৭ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে, তাহলে কী করে আমি সরকারি সম্পদ দখলে নিলাম? এটি আমাকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার একটা চক্রান্ত বলে মনে করি।’

এম মোরশেদ খান ও তার স্ত্রী নাসরীন খানকে তলব করা হয়েছে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে। সিটিসেলের নামে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৭ সালের ২৮ জুন ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। রাজধানীর বনানী মডেল থানায় মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক শেখ আবদুস সালাম। এখন ওই মামলার তদন্ত করছেন আরেক উপপরিচালক সামছুল আলম।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে আথির্ক লাভের জন্য প্রতারণা, দুনীির্ত, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিবিটিএল) ব্যাংক গ্যারান্টির আবেদন যাচাই-বাছাই না করেই এবি ব্যাংকের মহাখালী শাখার দেয়া প্রস্তাব প্রধান কাযার্লয়ে পাঠান। পরে তিনজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সহায়তায় চারটি বোডর্সভার মাধ্যমে ৩৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার অপরিবতর্নীয় শতির্বহীন ব্যাংক গ্যারান্টি অনুমোদন করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ওই ঋণ নিদির্ষ্ট সময়ের মধ্যে পিবিটিএল পরিশোধ করেনি। ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাংক গ্যারান্টির শতার্নুযায়ী এবি ব্যাংকের মহাখালী শাখা সুদসহ ৩৮৩ কোটি ২২ লাখ ৩৬৩ টাকা ১৩ পয়সা পরিশোধের মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে আত্মসাৎ করেন।

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান, ভাইস চেয়ারম্যান আসগর করিম, পরিচালক নাসরীন খান, প্রধান নিবার্হী কমর্কতার্ মেহবুব চৌধুরী, এবি ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার আহমেদ চৌধুরী, এম ফজলুর রহমান, শামীম আহম্মেদ চৌধুরী, বতর্মান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মসিউর রহমান চৌধুরী, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সালমা আক্তার, মহাদেব সরকার সুমন, এসভিপি ও রিলেশনশিপ ম্যানেজার সৈয়দ ফরহাদ আলম, আরশাদ মাহমুদ খান, মো. জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহানুর পারভীন চৌধুরী, এভিপি জার ই এলাহী খান এবং রিলেশনশিপ অফিসার মো. কামারুজ্জামান।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে