logo
মঙ্গলবার ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৪ পৌষ ১৪২৫

  ডা. এস এ মালেক   ১২ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০  

সরকার পরিবতের্নর জোট

ড. কামাল কি স্বাধীনতার শত্রæদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে আগ্রহী? শেখ হাসিনাকে পছন্দ করেন না ভালো কথা, বেগম জিয়াকে পছন্দ করলে তাতেও আপত্তি নেই কিন্তু স্বাধীনতার পক্ষের একজন হয়ে তিনি একবারও ভাবলেন না স্বাধীনতার শত্রæদের হাতে ক্ষমতা গেলে দেশের অবস্থা কী ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে? পরিশেষে প্রাথর্না, ড. কামালসহ সব তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। অপার সম্ভাবনা নিয়ে প্রিয় বাংলাদেশ প্রবেশ করুক সোনালী সমৃদ্ধির পথে।

সরকার পরিবতের্নর জোট
আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নিবার্চনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এখন সরগরম। ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নাম সবর্স্ব রাজনৈতিক দলগুলো একত্রিত হয়ে দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা করে একটা সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। ড. কামাল এক সময়ে আওয়ামী লীগের শীষর্ নেতা ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনিও পাকিস্তানের কারাগারে ৯ মাস কাটিয়েছেন। দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের শাসনতন্ত্র তৈরির ভার যাদের ওপর ন্যস্ত করেছিলেন, ড. কামাল হোসেন ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। বঙ্গবন্ধু ড. কামালকে তার মন্ত্রিসভায় সদস্যও করেছিলেন। দেশের মানুষ তাকে একজন প্রবীণ ও বিজ্ঞ আইনবিদ বলে মনে করে। আন্তজাির্তক পযাের্য়ও তার বেশ সুনাম রয়েছে। নিশ্চয় বলতে হবে তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একজন কাছের লোক। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কয়েকদিন আগে তিনি বিদেশে যান। তারপর বহুদিন তিনি আর দেশে আসেননি। তবে বাংলাদেশের জাতির জনকের নৃশংস হত্যাকাÐের পরেও বিদেশে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগের তৎকালীন এই নেতা কোথাও কোনো প্রতিবাদ করেছেন বলে আমার জানা নেই। ইউরোপ ও আমেরিকায় এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে ড. কামালের বিচরণ নেই। জাতির পিতা ও তার পরিবারের ববর্র ও ঘৃণ্য হত্যাকাÐের পর কেন তিনি একটা কথাও বলেননি তা আজও মানুষের মনে প্রশ্নের উদ্রেক করে বৈকি! প্রতিবাদ করা দূরের কথা এই প্রসঙ্গে উন্মুক্ত পরিবেশে কোথাও কোনো কথা বলেছেন এরূপ তথ্য কারও কাছে আছে বলে মনে হয় না। তাই বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রসঙ্গটি উঠলে স্বাভাবিকভাবেই এ বিষয়ে ড. কামালের ভ‚মিকা নিয়েও প্রশ্ন এসে যায়। এই জঘণ্যতম হত্যাকাÐের ন্যূনতম প্রতিবাদ করার সাহস তার নেই, অথবা কোনো অজ্ঞাত কারণে এর প্রতিবাদ করা তিনি বাঞ্চনীয় মনে করেননি। হতে পারে আন্তজাির্তক পযাের্য় যারা এই হত্যাকাÐের প্রকৃত কুশীলব, তিনি তাদের কুদৃষ্টিতে পড়তে চাননি। প্রকৃত তদন্ত হলে এই বিষয়ে সঠিক তথ্য বের হয়ে আসবে। আজ পযর্ন্ত ওই ধরনের তদন্ত করা সম্ভব হয়নি এমনকি এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কোনো চেষ্টা করা হয়নি। আশার কথা, সম্প্রতি এই বিষয়ে তদন্তের দাবি উঠতে শুরু করেছে।

সম্প্রতি ড. কামাল তার দল নিয়ে সরকারবিরোধী জোট গঠনের চেষ্টা করেছেন। এখানে একটি প্রসঙ্গ উল্লেখ না করে পারছি না। এক সময়ে ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে আমার বেশ ভালো সম্পকর্ ছিল। ১৯৮১-এর বিশেষ কাউন্সিলের পর শেখ হাসিনা দলীয়প্রধান হিসেবে নিবাির্চত হলে তাকে স্বাগত জানাতে দিল্লিতে যারা গিয়েছিলেন তাদের ভেতর আমি ও ড. কামাল ছিলাম। যে হোটেলে আমার থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, সেখানে আমরা দুজন একই রুমে পাশাপাশি বেডে ছিলাম। আমার মনে আছে ওই রাতে ড. কামাল প্রায় নিদ্রাহীন অবস্থায় কাটিয়েছিলেন। মাঝেমধ্যে আমার সঙ্গে দু’চারটা কথা বলছিলেন, যার তাৎপযর্ তখন বুঝতে সক্ষম না হলেও অনেক দেরিতে এখন বুঝি। আমার কাছে অবাক লাগে যারা ওই বিশেষ কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে দলীয় প্রধান করার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন, তাদের অন্তত দুজনকে দেখলাম শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাবার প্রতিনিধিত্ব করছেন। দেশের প্রচার মাধ্যমগুলো প্রচার করল যে, শেখ হাসিনাকে ড. কামাল দেশে ফিরিয়ে এনেছেন, যা আমাকে বিস্মিত করেছিল। তবে শেখ হাসিনা কিন্তু ড. কামালকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রাথীর্ করে গোটা বাংলাদেশে প্রচার কাযর্ চালিয়েছিলেন। সব কথা বলা ঠিক হবে না, সবার নামও উল্লেখ করব না। যারা ওই কাউন্সিলে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ তুলেছিলেন, মারণাস্ত্র (এলএমজি) এনে কাউন্সিলে ভীতিপ্রদশের্নর মাধ্যমে প্রয়োজনবোধে শেখ হাসিনার দলীয়প্রধান হিসেবে নিবাির্চত হওয়ার প্রক্রিয়া ভÐুল করা যায়, তাদেরই দুজনকে বেছে নেয়া হলো শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে! যাহোক, ৯৫% কাউন্সিলর শেখ হাসিনার পক্ষে থাকায় এবং প্রয়াত জিল্লুর রহমান, মোহাম্মদ হানিফ, সাজেদা চৌধুরী প্রমুখ নেতাদের দৃঢ় সমথের্নর কারণে শেখ হাসিনা বিপুল সমথের্ন দলীয় প্রধান নিবাির্চত হন। এরপর অনেক ঘটনার উল্লেখ অপ্রয়োজনীয় কেননা, কারও চরিত্র হনন এই লেখার উদ্দেশ্য নয়।

আজ ড. কামাল গণতন্ত্রের দুঃশাসনের অভিযোগ এনে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে অপসারিত করতে চান, প্রয়োজনবোধে তিনি স্বাধীনতার শত্রæদের সঙ্গেও হাত মেলাতে পিছপা হবেন না। বহু ঘটনার চাক্ষুষ স্বাক্ষী হিসেবে বেঁচে থাকায় এবং এখনো রাজনীতি থেকে বিদায় না নেয়ায় আমাকে এসব কথা বলতে হচ্ছে। পরে ছাত্রলীগ বিভাজনের ক্ষেত্রে তথা বাকশাল বিরোধী প্রস্তাবে তিনি সমথর্ন করেন। অন্যদিকে মরহুম আ. রাজ্জাক বাকশালপন্থী ছাত্রদের নেতৃত্ব দেন। বাকশাল গঠনের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার জন্য আমি শেখ হাসিনাকে সঙ্গে নিয়ে কোনো এক সকালে রাজ্জাক সাহেবের বাসায় গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা আলোচনা করি। সেদিন যখন শেখ হাসিনা ও আমি সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছিলাম, বাকশালপন্থী একদল ছাত্র একটা ¯øাং কবিতা রচনা করে যেভাবে নেচে নেচে উচ্চৈঃস্বরে বিকৃতভাবে গাইছিল তা আজও আমার মনে আছে।

জাতির জনকের কন্যা তথা দলীয় প্রধানকে ওইভাবে অপমানিত করায় যারা নেতৃত্ব দিলেন তাকেও পরবতীের্ত মনোনয়ন দিয়ে সংসদ সদস্য করতে শেখ হাসিনা দ্বিধা করেননি। রাজ্জাক কথা দিয়েছেন কিন্তু কথা রাখেননি। এর কদিন পরেই বাকশাল গঠন করা হলো। বলা হলো আদশের্র পুত্র হচ্ছেন রাজ্জাক আর ঔরষজাত কন্যা হচ্ছেন শেখ হাসিনা। আদশের্র পুত্র, জন্ম দেয়া কন্যার চেয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশি গুরুত্ববহ। কিন্তু ওই বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করতে ব্যথর্ হয়ে, অনেক ছোটখাটো যুদ্ধ চালিয়েও যখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা গেল না, তখন শেখ হাসিনার দয়ায় আবার আওয়ামী লীগে ফিরে এলেন আ. রাজ্জাক ও তার সহযোগীরা। বাকশাল বঙ্গবন্ধুর দশর্নভিত্তিক রাজনৈতিক দল বলে বিবেচিত হলে জনগণ বুঝে নিল ওই বাকশাল ছিল আ. রাজ্জাকের বাকশাল। ফিরে এসে মন্ত্রী হলেন আ. রাজ্জাক, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এরূপ উদারতাপূণর্ নজির বঙ্গবন্ধুকন্যা ছাড়া আর কোনো নেতা সৃষ্টি করেছেন বলে মনে হয় না।

বাকশাল সৃষ্টির পরে গুঞ্জন উঠল ড. কামালও নতুন করে দল গঠন করতে যাচ্ছেন। হঠাৎ করে গণতান্ত্রিক ফোরাম গঠন করা হলো এবং ওই ফোরামে যারা ছিলেন তারা সবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্য। তাই একদিন শেখ হাসিনা অভিযোগ তুললেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্য দিয়ে ড. কামাল কি করে গণতান্ত্রিক ফোরাম গঠন করতে পারেন? আমি তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। শেখ হাসিনার এমন প্রশ্নে আমি বিব্রতবোধ করি এবং শেখ হাসিনাকে নিয়ে একদিন ড. কামাল হোসেনের বাসায় হাজির হই। প্রায় দেড় ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার আলোচনা চলল। শেখ হাসিনা বারবার ড. কামাল হোসেনকে বললেন ‘দল ছেড়ে যাওয়া ঠিক হবে না, আমার শ্রদ্ধেয় পিতা আপনাকে দলে এনেছেন, আমাকেও আপনারা দেশে ফিরিয়ে এনেছেন। এখন দল ছেড়ে যাবেন কেন’? উত্তরে ড. কামাল বলেন, আমি দল ছেড়ে যাবো না। অতএব, নতুন কোনো দল হচ্ছে না এ বিষয়ে আশ্বস্ত হয়ে আমরা ফিরে আসি। আশ্চযের্র বিষয়, মাত্র ১১ দিন পর গণতান্ত্রিক ফোরাম গণফোরামে রূপান্তরিত হলো। আমি ড. কামালকে টেলিফোন করে কিছু বললাম তারপর প্রায় ৮ বছর তার সঙ্গে আর দেখা হয়নি।

একজন ব্যক্তি হিসেবে ড. কামালকে আমি আগেও শ্রদ্ধা করতাম এখনো করি কিন্তু রাজনীতিবিদ হিসেবে তাকে মেনে নিতে আমার বড্ড কষ্ট হয়। তার রাজনৈতিক দল গঠন করায় আমার কোনো আপত্তি নেই। জোট গঠন করা না করাও তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। সামাজিক প্রতিষ্ঠা তার রয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আজ তিনি যে অভিযোগগুলো তুলেছেন তা সবৈর্ব ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। যদি তকের্র খাতিরে সত্য বলে ধরেও নিই, তাহলেও বলতে হবে আইনের শাসন, দুনীির্ত, সুশাসন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, দেশব্যাপী সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িক শক্তির উত্থান, বাকস্বাধীনতা হরণ, আইন-বিচারহীনতা ইত্যাদি যে সব সংকটের কথা ড. কামাল ও তার সহযোগীরা বলছেন তার জন্য কি আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা এককভাবে দায়ী? আমি ড. কামালকে অনুরোধ করব তিনি ও তার সহযোগীরা সবকিছু ভুলে শেখ হাসিনার শাসনামল ও খালেদা জিয়ার শাসনামলকে তুলনা করেন তাহলে কি তাদের মনে হবে না, শেখ হাসিনা সবের্ক্ষত্রে তার যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন এবং বিশ্বদরবারে দেশকে উন্নীত করেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। তিনি তো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যান, প্রতিমাসে দু’একবার বিদেশ ভ্রমণ করেন, জাতিসংঘ থেকে শুরু করে সব দেশের রাজধানীতে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে যেসব কথা হচ্ছে, তাকে কি তারা মিথ্যাচার বলে অভিহিত করবেন? নাকি শুনেও শুনতে পান না? অন্যদিকে বেগম জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশের বাস্তবতাটা কি ছিল তা কি তাদের দৃষ্টিতে ধরা পড়ে না? সেই দুঃসহ স্মৃতি তিনি/তারা এত সহজেই বিস্মৃত হলেন? ড. কামাল তো স্বাধীনতার পক্ষের একজন। যদি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলা হয় তাহলে বেগম জিয়ার শাসনামলে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ কোন অবস্থায় ছিল এবং বতর্মানে তা কোন পযাের্য় নেমেছে তা কি তাদের বোধগম্য নয়? যদি শেখ হাসিনার পরিবারকে বেগম জিয়ার পরিবারের সঙ্গে তুলনা করা হয় তাহলে কোন পরিবার এ দেশের মানুষের কল্যাণে নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন তা অনুধাবন করতে কোনো দ্বিধাবিভক্তির অবকাশ আছে কি? যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির শাসনামলের তুলনা করা হয় তাহলে নিশ্চয়ই বোঝা যাবে দেশ ও জনগণের স্বাথের্ আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে যার ফলে দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল, বিশ্বের এক অপার বিস্ময়।

ড. কামাল হোসেনরা শুধু আইনের শাসনের কথা বলেন, সরকারের ব্যথর্তার কথা বলেন কিন্তু দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার প্রসঙ্গ একবারও তোলেন না। দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে খেটে খাওয়া নিরন্ন মানুষের অবস্থা আগে কী ছিল আর বতর্মানে শেখ হাসিনার জনবান্ধব সরকার তা এখন কোন পযাের্য় পেঁৗছে দিয়েছেন সে বিষয়ে তাদের বচন স্তব্ধ, সে ব্যাখ্যাতে তারা যান না। তারা আওয়ামী লীগকে যে কোনো প্রকারে ক্ষমতাচ্যুত করতে চান। প্রয়োজন হলে শেখ হাসিনাকে হত্যা করতেও তাদের দ্বিধা নেই। তাদের দরকার যে কোনো মূল্যেই ক্ষমতার মসনদ হাসিল করা। কেন ক্ষমতা দখল করা দরকার তা বেগম জিয়ার ১০ বছরের শাসনামলে প্রমাণিত হয়েছে। ড. কামাল ভালো করেই জানেন, ক্ষমতার রদবদল হলেও ক্ষমতার মালিকানা যার হাতে থাকবে তার মধ্যে তিনি বা তার দল থাকবে না। তার অবস্থান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাতিরের মতো নয়। ক্ষমতার পরিবতর্ন হলে তা যাবে তাদের হাতে যারা আওয়ামী লীগের বিপক্ষে মাঠে অবস্থান করছেন ও যাদের সঙ্গে রয়েছে জামায়াত।

ড. কামাল কি স্বাধীনতার শত্রæদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে আগ্রহী? শেখ হাসিনাকে পছন্দ করেন না ভালো কথা, বেগম জিয়াকে পছন্দ করলে তাতেও আপত্তি নেই কিন্তু স্বাধীনতার পক্ষের একজন হয়ে তিনি একবারও ভাবলেন না স্বাধীনতার শত্রæদের হাতে ক্ষমতা গেলে দেশের অবস্থা কী ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে? পরিশেষে প্রাথর্না, ড. কামালসহ সব তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। অপার সম্ভাবনা নিয়ে প্রিয় বাংলাদেশ প্রবেশ করুক সোনালী সমৃদ্ধির পথে।

ডা. এস এ মালেক: রাজনীতিক ও কলাম লেখক
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে