logo
  • Fri, 19 Oct, 2018

  ড. ফোরকান উদ্দিন আহাম্মদ: কলামিস্ট ও গবেষক ভড়ৎয়ধহ.রহভড়@মসধরষ.পড়স   ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকতা ও সুষ্ঠু নিবার্চন আধুনিক ও কাযর্কর রাষ্ট্রের মূল সুর ড. ফোরকান উদ্দিন আহাম্মদ

বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিবার্চনসম্পন্ন করতে হলে জনগণের সচেতনতা, রাজনৈতিক দলগুলো সুস্পষ্ট অবস্থান ও প্রতিশ্রæতি, সহনশীল রাজনীতির চচার্, নিরপেক্ষ নিবার্চন কমিশন এবং সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন একান্ত প্রয়োজন। সবোর্পরি প্রয়োজন উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতির চচার্।

আধুনিক গণতন্ত্রে জনগণই সাবের্ভৗম ক্ষমতার উৎস। জনগণ নিবার্চনের মাধ্যমে তাদের এই সাবের্ভৗম ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে। বতর্মান যুগে নিবার্চকমÐলী বা ভোটারদের প্রধান ভূমিকা হচ্ছে সরকার পরিচালনার জন্য প্রতিনিধি নিবার্চন করা। কারণ আধুনিক গণতন্ত্র হলো প্রতিনিধিত্বশীল শাসন ব্যবস্থা। আমাদের দেশেও গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠানিক রূপদানের জন্য নিবার্চনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার পাশাপাশি নিবার্চন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো আজ সময়ের দাবি। আধুনিক গণতন্ত্রে নিবার্চন অত্যন্ত গুরুত্বপূণর্ ভূমিকা পালন করে। কারণ নিবার্চন রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ সুষ্টি করে। এ ছাড়া নিবার্চন রাজনৈতিক সংযোগসাধনের অন্যতম বাহন। রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অধিকাংশ নাগরিকের রাজনৈতিক কমর্কাÐে অংশগ্রহণের একমাত্র পদ্ধতি হলো নিবার্চন। জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা ও বিচার বিবেচনার পরিপুষ্টি সাধনও নিবার্চনের প্রত্যক্ষ ফল। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নিবার্চনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো জনগণের কাছে তাদের নিবাির্চত প্রতিনিধিদের দায়িত্বশীলতা সৃষ্টি করা ও সবোর্পরি সরকারের ওপর নিবার্চকমÐলীর চ‚ড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। বতর্মান বিশ্বের আধুনিক রাষ্ট্রসমূহে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র জনপ্রিয় শাসন ব্যবস্থা হিসেবে গৃহীত হয়েছে। সাধারণ জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নিদির্ষ্ট মেয়াদ অন্তর অন্তর নিবার্চনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নিবার্চন করে থাকে। নিবাির্চত প্রতিনিধি জনমত অনুসারে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে না পারলে জনগণ প্রয়োজনবোধে পরবতীর্ নিবার্চনে সরকার পরিবতের্নর জন্য নতুন প্রতিনিধি নিবার্চন করে থাকে। এ কারণে গণতান্ত্রিক দেশসমূহে নিবার্চন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূণর্ একটি বিষয়। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিবার্চনের মাধ্যমে আইন সভায় প্রকৃত সংখ্যাধিক্যের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়ে থাকে।

আমাদের দেশে নিবার্চনের সংস্কৃতি সন্দেহ প্রবণতায় পরিপুষ্ট। ধারাবাহিকভাবে পাকিস্তানি শাসন আমল, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ এমনকি পরবতীের্ত নব্বইয়ের দশকে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রবতির্ত হলেও নিবার্চনী ফল সবসময় গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। প্রায় সব নিবার্চনে বিজিত দল নিবার্চনে সূ², স্থূল বিভিন্ন কারচুপির অভিযোগ এনে নিবার্চনী ফলের গ্রহণযোগ্যতাকে সমালোচনার মুখে ঠেলে দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তারা সংসদ বজর্ন করে রাজপথকে উত্তপ্ত করে চলছে। ফলস্বরূপ অকাযর্কর হচ্ছে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা। বতর্মান বিরোধী দলও জনস্বাথর্ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে সংসদে না গিয়ে নব্বই দিন অন্তর সংসদ অধিবেশনে স্বল্প সময়ের জন্য যোগদান করে নিজেদের সদস্য পদ বহাল রাখছে। ক্ষমতাসীন দল বারবার বিরোধী দলকে সংসদে আহŸান জানালেও উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। ফলে সে আহŸানে বিরোধী দল সাড়া দিচ্ছে না। রাজনৈতিক সংস্কৃতির এই কলুষিত চচার্ থেকে মুক্ত হতে হলে আমাদের নিবার্চনী ব্যবস্থাকে আরও অধিক গ্রহণযোগ্য ও গণমুখী করতে হবে। সে জন্য আমরা সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থার অন্যতম পদ্ধতি ব্যবস্থার চধৎঃু খরংঃ ঝুংঃবস বা দল তালিকা ব্যবস্থাকে আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে কাযর্কর করতে পারি। ফলে কোন দল কমসংখ্যক ভোট পেয়ে জাতীয় সংসদে বেশিসংখ্যক আসন লাভ করতে পারবে না। তাছাড়া এর মাধ্যমে শুধু বড় দুটি রাজনৈতিক দলই নয় অন্যান্য ছোট রাজনৈতিক দলসমূহ কিছু সংখ্যক ভোট লাভ করে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব লাভ করার সুযোগ পাবে। এর মধ্য দিয়ে আমাদের দেশে গণতান্ত্রিক সরকার তত্ত¡গতভাবে নয় প্রায়োগিকভাবেও সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সরকার পরিবতের্নর সবোর্ত্তম মাধ্যম হচ্ছে নিবার্চন। নিবার্চনের মাধ্যমে জনগণ তাদের পছন্দমতো লোকদের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতে পারে। উন্নত দেশগুলোতে নিবার্চনে কোনো প্রকার কারচুপি হয় না বলে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নিবার্চনে ব্যাপক কারচুপি হওয়ায় গণতন্ত্রের ভীত খুবই দুবর্ল। ফলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিদ্যমান। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দানের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চন একান্ত প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চনের জন্য নিবার্চন কমিশনকে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। নিবার্চন কমিশন যদি শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল না হয় তবে সুষ্ঠু নিবার্চন সম্ভব নয়। কেননা নিবার্চন পরিচালনার সব দায়িত্বই নিবার্চন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। ভোটার তালিকা প্রণয়ন, নিবার্চনের তারিখ ঘোষণা, নিবার্চনী আচরণ বিধি প্রণয়ন এবং নিবার্চনী পরিবেশ পযের্বক্ষণের দায়িত্ব নিবার্চন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। সুতরাং শক্তিশালী নিবার্চন কমিশন ব্যতিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নিবার্চন সম্ভব নয়। নিবার্চন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতিতে প্রধান নিবার্চন কমিশনারসহ অন্যান্য নিবার্চন কমিশনারদেরকে নিয়োগ দান করা প্রয়োজন। নিবার্চন কমিশন গঠনের সময় রাষ্ট্রপতি সরকার ও বিরোধ দল বিশেষত সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নিবার্চন কমিশনার নিয়োগ করলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিবার্চন সম্ভব হবে। বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিবার্চনের জন্য জেলা ও উপজেলা পযাের্য় নিবার্চন কমিশনের স্থায়ী রিটানির্ং ও সহকারী রিটানিং অফিসার নিয়োগের সুপারিশ করেছে। প্রচলিত ব্যবস্থায় জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নিবার্হী অফিসার এ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। ফলে তারা কোনো কোনোভাবে রাজনৈতিক দল দ্বারা প্রভাবিত হন, যা সুষ্ঠু নিবার্চনে বাধা হিসেবে কাজ করে। নিবার্চনে প্রতিদ্ব›দ্বী প্রাথীর্রা নিবার্চনে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করে। ফলে কালো টাকার ব্যাপক প্রভাব পড়ে। কিন্তু নিবার্চন কমিশনের মাধ্যমে যদি প্রাথীের্দর নিবার্চন বাবদ যে টাকার খরচ হয় তা পুরোটাই কমিশনের মাধ্যমে ব্যয় হলে অপচয় রোধ হবে। তাছাড়া প্রাথীর্রা কমিশনের মাধ্যমে লিফলেট, সভা-সমিতি, পোস্টার ও প্রচারকাযর্ চালালে একদিকে খরচ কম হবে। অন্যদিকে নিবার্চনও সুষ্ঠু ও অবাধ হবে।

নিবার্চন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য আধা বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করার আইনগত অধিকার প্রদান করা যেতে পারে। এ ব্যবস্থার ফলে নিবার্চন কমিশন দ্রæত নিবার্চনী মামলার নিষ্পত্তি করতে পারবে। জাতীয় নিবার্চন ১ দিনে না করে কয়েক দিনে করলে নিবার্চন অবাধ ও সুষ্ঠু হতে পারে। একদিনে নিবার্চন করতে গেলে জনবল ও পুলিশ প্রয়োজনের তুলনায় কম। ফলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা কষ্টকর হয়ে পড়ে, যা নিবার্চনে পেশি শক্তির প্রভাব বিস্তারে সহায়ক হয়। কিন্তু জাতীয় নিবার্চন কয়েক দিনে সম্পন্ন হলে জনবল ও পুলিশ বাহিনী বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করতে পারে, যা নিবার্চন সুষ্ঠু হতে সহায়ক হবে। বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিবার্চনের জন্য জাতীয় গণমাধ্যমগুলোকে সঠিক ভ‚মিকা পালন করতে হবে। ‘সবিনয়ে জানতে চাই’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রত্যেক দলের নেতাদের দেশবাসীর প্রশ্নের মুখোমুখি করতে হবে রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র এমনকি জনসভায়ও জনগণের প্রশ্নের মুখোমুখি করার মাধ্যমে প্রাথীের্দর জবাবদিহি করতে হবে। ফলে জনগণের নিকট প্রাথীের্দর সুস্পষ্ট প্রতিশ্রæতি থাকবে, যা নিবার্চন সুষ্ঠু হতে সহায়তা করবে।

নিবার্চনকালীন নিরপেক্ষ ও নিদর্লীয় সরকার একটি অন্তবতীর্কালীন সরকার হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রজাতন্ত্রের কমের্ নিয়োজিত ব্যক্তিগণের সাহায্য ও সহায়তায়, উত্তমরূপে সরকারের দৈনন্দিন কাযার্বলি সম্পাদন করবেন এবং এরূপ কাযার্বলি ব্যতিত কোনো নীতিনিধার্রণী ভ‚মিকা গ্রহণ করতে পারবেন না। নিবার্চনকালীন নিরপেক্ষ ও নিদর্লীয় সরকার এমন ব্যবস্থা নেবেন, যেন দেশের রাজনৈতিক অবস্থা অস্থিতিশীল না হয়। এ ছাড়া নিবার্চনকালে রাজনৈতিক দলগুলো যাতে কোন ঘটনা না ঘটায়, সেদিকে নজর রাখতে সচেষ্ট হবেন। জনগণ যাতে সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোট দিতে পারে নিবার্চনকালীন নিরপেক্ষ ও নিদর্লীয় সরকার সেদিকে খেয়াল রাখা আবশ্যক। নিবার্চনে অংশগ্রহণকারী দলগুলো যাতে ব্যাপক প্রচার অভিযান করতে না পারে, যেমন দেয়াল লিখন, বড় বড় পোস্টার ছাপানো ইত্যাদি ব্যাপারে নিয়ন্ত্রিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে নিবার্চনকালীন নিরপেক্ষ ও নিদর্লীয় সরকার। এসব বিষয় নিবার্চনের অঙ্গ কিন্তু এগুলো যেন সীমালঙ্ঘন না করে সেদিকে ব্যবস্থা নিবে নিবার্চনকালীন নিরপেক্ষ ও নিদর্লীয় সরকার। নিবার্চনে আমাদের দেশে সন্ত্রাসী তৎপরতা চলে, এ জন্য অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হয়। নিবার্চনে যাতে কেউ অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করতে না পারে, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও সন্ত্রাসী কাযর্কলাপ করে ভোট ছিনতাই করতে না পারে সে ব্যাপারে নিবার্চনকালীন নিরপেক্ষ ও নিদর্লীয় সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। রাজনীতিতে কোনো অবস্থাতেই দল নিরপেক্ষ ব্যক্তি পাওয়া যাবে না। তবে দলসমূহে বা দলের বাইরে সৎ, সাহসী, নীতিবান, দক্ষ ও চৌকস ব্যক্তিদের মাধ্যমে নিবার্চনকালীন সরকার গঠন করা যেতে পারে। যারা ভোট কারচুপি নিবার্চনী আইন ভঙ্গকারীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবেন না। নিবার্চনে আইন সংস্কার প্রশ্নে যেমনÑ ভোটিং কাডর্ প্রবতর্ন, ভোট গণনায় স্বচ্ছতা, নিবার্চনী ব্যয়, নিবার্চনী প্রচার ইত্যাদি বিষয়গুলোতে সংস্কার এনে নিবার্চনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করা সম্ভব। নিবার্চন কমিশনকে স্বাধীন করা যেমনÑ নিবার্হী বিভাগের ওপর নিভর্রশীলতা কমোনোর ব্যবস্থাকরণ, জুডিশিয়াল বা আধা জুডিশিয়াল ক্ষমতা অপর্ণ করে বিশেষ বিতকির্ত বা অভিযোগপ্রাপ্ত বিষয়ে সমাধানের পথ সুগম করার ব্যবস্থা নেয়া আবশ্যক। প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রাথীের্দর নিবার্চনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে নিবার্চনী আইন ঢেলে সাজানো আজ সময়ের দাবি। নিবার্চন পরিচালনার কাজে কোনো স্থানীয় লোকের নিযুক্ত পরিহার বাঞ্ছনীয়। শুধুমাত্র মনোনীত প্রাথীর্র এজেন্ট স্থানীয় লোক হবেন, তাও যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও স্থানীয় পুলিশ যাচাইকরণ ও ছাড়করণের ভিত্তিতে। এতসব সত্তে¡ও সবকিছুর ঊধ্বের্ হচ্ছে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা এবং তার আন্তরিকতার মাধ্যমে দেশ যে কোনো সংকট বা ক্লান্তিকাল অতিক্রম করতে পারে। তার অভিজ্ঞতালব্দ জ্ঞান ও দূরদশির্তায় এবং প্রবতির্ত ফমুর্লার মাধ্যমে সকল সমাধান সম্ভব। কাজেই জাতি কোনো সঙ্কট বা আতঙ্কগ্রস্ত হবে এরকম দুভার্বনার কোনো অবকাশ নাই।

উল্লিখিত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নিবার্চনসম্পন্ন করতে হলে জনগণের সচেতনতা, রাজনৈতিক দলগুলো সুস্পষ্ট অবস্থান ও প্রতিশ্রæতি, সহনশীল রাজনীতির চচার্, নিরপেক্ষ নিবার্চন কমিশন এবং সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন একান্ত প্রয়োজন। সবোর্পরি প্রয়োজন উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতির চচার্।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
Error!: SQLSTATE[42000]: Syntax error or access violation: 1064 You have an error in your SQL syntax; check the manual that corresponds to your MySQL server version for the right syntax to use near ') ORDER BY id' at line 1

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

উপরে