logo
শনিবার ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

  যাযাদি রিপোর্ট   ০৭ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০  

এবার দেশেই তৈরি হচ্ছে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কীট

এবার দেশেই তৈরি হচ্ছে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট। ওএমসি হেলথ কেয়ার লিমিটেড নামের একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন অন্তত ৩৫ হাজার পিস কিট তৈরি করবে বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশজুড়ে ডেঙ্গু জ্বরের প্রার্দুভাবের কারণে শনাক্তকরণ কিটের ব্যাপক সংকট দেখা দেয়। এ সংকট মেটাতে সরকার ভারত, কোরিয়া, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। এখন পর্যন্ত আমদানিকৃত ৪ লাখ ৪০ হাজার ২২০ পিস কিট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালগুলো চাহিদা অনুযায়ী বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শনাক্তকরণ কিটের সহজলভ্যতার জন্য ঔষধ প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। দেশের চাহিদা মেটাতে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০ লাখ কিট তৈরি করা হবে। ফলে বিদেশ নির্ভরতা কমে যাবে।

এ বিষয়ে সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্র যায়যায়দিনকে জানায়, গতকাল থেকেই মিরপুর এলাকায় অবস্থিত ওএমসি হেলথ কেয়ার নামের একটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট তৈরি শুরু করেছে। মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটি ৪০ হাজার কিট তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইনভায়োট ইনকরপোরেশন নামের একটি কোম্পানি ওএমসি কে কাঁচামাল সরবরাহ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাঁচামাল সরবরাহের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ২০ লাখ কিট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বিদেশ থেকে আর আমদানি করতে হবে না।

ঔষধ প্রশাসন সূত্র আরও জানায়, দেশে উৎপাদিত এনএস-ওয়ান কিট ৩০০ টাকা, আইজিজি ও আইজিএম প্রতি পিস ১৭৫ এবং আইজিজি/আইজিএম কিউ-ডিটেক্ট (কম্বোকিট) এর দাম ৪৫০ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে উৎপাদিত কিটের ১৮ হাজার পিস স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া ৯টা দেশীয় কোম্পানি কিট ক্রয়ের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন পত্র (এনওসি) নিয়েছে।

শনাক্তকরণ কিটের সহজলভ্যতার জন্য তার প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর হটলাইন ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে রেজিস্টার্ড চিকিৎসদের পরামর্শ ছাড়া অপ্রয়োজনে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট ব্যবহার করে অপচয় রোধ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে