logo
শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬

  আখতার হোসেন খান   ১০ জুন ২০১৯, ০০:০০  

মহৎ পেশায় আত্মনিবেদিত

মহৎ পেশায় আত্মনিবেদিত
ফরিদপুর জেলার অ্যাম্বাসাডর হলেন সেরা কন্টেন নির্মাতা রহিমা খানম। শিক্ষকতার মহৎ পেশায় আত্মনিবেদিত শিক্ষক রহিমা খানম, অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষক শিশুশিক্ষা বিস্তারে এবং জাতি গঠনে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। দক্ষতার সঙ্গে ক্লাস পরিচালনার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত কন্টেন তৈরি করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি কনটেন্ট নির্মাণ করে সপ্তাহের সেরা কনটেন্ট নির্মাতার স্বীকৃতি ও প্রধানমন্ত্রীর এটুআই থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন। সেই সঙ্গে ২০১৯ সালে ফরিদপুর জেলা অ্যাম্বাসাডরে মনোনীত হয়েছেন এই মেধাবী শিক্ষিকা। তিনি শালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি এবং শালনগর মর্ডান একাডেমিক থেকে ১৯৯৯ সালে বিজ্ঞান বিভাগে ২ বিষয়ে লেটার মার্কসহ প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। নদীর ভাঙা-গড়ায় বেশিদূর এগিয়ে যেতে পারেননি তিনি। ফরিদপুর সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এসএসসিতে তিনি সাকেরা মেধা পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৩ সালে জয়েন্ট ভার্টদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করে শিক্ষকতা শুরু করেন। রহিমা খানম নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার চর পহেলাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নদীভাঙনের ফলে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। তার বাবার নাম আব্দুল হান্নান এবং মায়ের নাম খালেদা হান্নান। কন্টেন নির্মাণের কাজে তার স্বামী ওয়ারেজ আলী খান উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানান, রহিমা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। একদিন সে শিক্ষকতায় সফলতা অর্জন করবে- এটা আমার বিশ্বাস ছিল। তার সহকর্মী সুবর্ণা রায় লিপা এবং ডলি রানী পাল বলেন, রহিমা আপা আসলেই মেধাবী এবং পরিশ্রমী শিক্ষক। তার প্রধান শিক্ষক নীহার রঞ্জন চন্দ বলেন রহিমা আপা নিয়মিত কন্টেন তৈরি ও ক্লাসের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি জেলা অ্যাম্বাসাডর মনোনীত হওয়ায় আমি খুশি হয়েছি। তিনি বর্তমানে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার ত্রিপলস্নী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে