logo
মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬

  পাবর্ণী দাস   ২১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

ওজন কমাতে হলে

বাড়তি ওজন কমানোর জন্য প্রয়োজন হয় বাড়তি সচেতনতা ও ইচ্ছাশক্তি। খাওয়া-দাওয়া একেবারে বন্ধ করে দেয়া কখনোই ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কোনো সমাধান নয়। বরং এতে শরীরের ক্ষতি হয় অনেক বেশি। যে কারণে ওজনকে নিয়ন্ত্রণের মাপকাঠির মধ্যে রাখতে সঠিক নিয়ম মেনে চলার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। সঙ্গে গড়ে তুলতে হবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস।

ওজন কমানোর সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের গভীর যোগসূত্রতা থাকার ফলে অন্যান্য নিয়ম মেনে যথেচ্ছা খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে কোনো ফলই পাওয়া যাবে না। বরং কিছুক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চলার পরেও খাদ্যাভ্যাসের অনিয়মে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। জেনে রাখুন খাদ্যাভ্যাসের কোনো পঁাচটি বদভ্যাসে আপনার ওজন কমছে না।

রান্নাঘর থেকে শুরু করে ডাইনিং টেবিল, রেফ্রিজারেটর, এমনকি শোবার ঘরের ক্লজেটেও পছন্দের খাবার রাখা থাকলে সেটা খেতে ইচ্ছা হবেই। স্বাভাবিকভাবে পছন্দের খাবারগুলো খুব একটা স্বাস্থ্যকর কোনো খাবার হবে না। এক-দুইদিন এই ইচ্ছাকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা সম্ভব হলেও, একটা সময় পর ঠিকই কোনো না কোনো খাবার খাওয়া হয়ে যায়। এভাবেই সময়ে-অসময়ে বিভিন্ন ধরনের ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে ওজনটাও নাগালের বাইরে।

ওজন কমাতে গিয়ে যদি সকালে নাশতা খাওয়া বাদ দিয়ে দেন তবে সবচেয়ে বড় ভুল করবেন। বরং সকালে ভরপেট নাশতা খাওয়া ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অনেক বড় ভ‚মিকা পালন করে বলে জানাচ্ছে গবেষক ও নিউট্রিশনিস্টরা। চেষ্টা করতে হবে সকালের নাশতায় আশ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিনÑ এ ও সি, রিবোফ্লাভিন, জিংক ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার জন্য। নিয়ম হলো সকালে সবচেয়ে বেশি খাবার খাওয়া। এতে করে শরীর সারাদিনের জন্য তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে যায় এবং ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেয় না।

খাবার খাওয়ার সময় অন্য যে কোনো কাজে মনোযোগ সেই কাজের দিকেই চলে যায়। অফিসের ফাইল দেখা, মোবাইল সাফর্ করা, মুভি দেখা কিংবা বই পড়ার সময় মনোযোগ সম্পূণর্ভাবে ডাইভাটর্ হয়ে যায়। ফলে কি খাবার খাওয়া হচ্ছে কতটুকু পরিমাণে, সেটা একেবারেই খেয়াল করা হয় না। এতে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করা হয়ে যায়। বাড়তি এই ক্যালোরি শরীরে জমে থাকে বলে ওজনটাও বেড়ে যায় অনেক।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে