logo
  • Sun, 18 Nov, 2018

  ছবি ঘোষ   ০৫ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

ত্বক আর চুলের যৌথ যতœ

ত্বক আর চুলের যৌথ যতœ
বাদাম তেলে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট । এই তেল নিয়মিত ম্যাসাজে মাসল রিলিফ হয়, ইউভি রেডিয়েশনের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ত্বককে রাখে নরম ও সতেজ। তাই ত্বক থাকে মসৃণ ও সজীব। ত্বকের ডিপ ক্লিনজিংয়ে সাহায্য করে। হালকা হওয়ার কারণে আমন্ড অয়েল ত্বকের গভীরে পৌঁছে। ত্বক থেকে ময়লা ও মরাকোষ রিমুভ করা সহজ হয়। এই তেলে রয়েছে ভিটামিন-এ। এই ভিটামিন বø্যাকহেডস ও ব্রণ দূর করতে খুবই কাযর্কর। সেনসেটিভ স্কিনেও এই তেল ব্যবহার করা যায় সহজেই। কারণ, এর তেমন কোনো পাশ্বর্প্রতিক্রিয়া নেই।

চুল ও ত্বকের যতেœ তেলের উপকারিতার কথা সবার জানা। নারিকেল, সরিষাসহ নানা ধরনের তেল চুল, ত্বক ও বিভিন্ন চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় প্রাচীনকাল থেকেই। বাদাম তেল রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় আগে থেকেই। তবে রূপচচার্য় বাদাম তেলের রয়েছে অনেক উপকারিতা। কারণ, এই তেল হচ্ছে হালকা এবং ত্বক সহজেই এই তেল শুষে নিতে পারে। তাই ত্বকের যতেœ সহজেই এই তেল ব্যবহার করা যায়। এমনকি শিশুদের ত্বকেও এই তেল ভালো কাজ করে।

মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে : মেকআপ তুলতে এটি ভালো কাজ করে। একটা কটন বলে তেল নিয়ে ত্বকে মেখে রাখুন। ৫ মিনিট পর আরেক টুকরা তুলা দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিন। এটি চোখের চার পাশের নরম ত্বকেও লাগাতে পারবেন।

স্ক্র্যাবার হিসেবে : স্ক্র্যাবার হিসেবেও আমন্ড অয়েল খুব ভালো কাজ করে। দুই চা চামচ তেলের সঙ্গে মিহি চিনি মিশিয়ে ত্বকে স্ক্র্যাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। পরে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ত্বক হয়ে উঠবে সুন্দর ঝকঝকে।

ডাকর্ সাকের্ল ও ট্যান দূর করে : যদি চোখের নিচে কালি বা ফোলা ভাব থাকে তাহলে আমন্ড অয়েল ব্যবহার করুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের নিচে এই তেল ম্যাসাজ করুন। ১৫ দিনের মধ্যে উপকার পাবেন। রোদের কারণে যদি ত্বকে কালছে ভাব বা জ্বালাপোড়া হয়, তাহলেও আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এক চা চামচ মধুর সঙ্গে কয়েক ফেঁাটা লেবুর রসও আমন্ড অয়েল মেশান। এই মিশ্রণ ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ১ ঘণ্টা পর ঠাÐা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ফাইন লাইনস ও এজিং রোধ করে : সতেজ টানটান ত্বক তারুণ্যনিভর্র ত্বকের মূলকথা। ত্বকের নিচে থাকা কোলাজন ত্বকের ইলাস্টিসিটি ধরে রাখে। ত্বক পাতলা হয়ে গেলে এই ইলাস্টিসিটি কমতে থাকে। আমন্ড অয়েল ত্বককে পাতলা হওয়া রোধ করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় থাকে। একই সঙ্গে ত্বকে ময়েশ্চার বজায় রাখতে সাহায্য করে।

চুল পড়া রোধ করে : ত্বকের মতো চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করতেও আমন্ড অয়েলের তুলনা নেই। চুল পড়া রোধ করতে নিয়মিত আমন্ড অয়েলের ম্যাসাজ খুবই ভালো কাজ করে। কারণ, চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় যেসব উপাদান প্রয়োজন যেমন জিংক, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এসব উপাদান রয়েছে এই তেলে। এই তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন প্রতি রাতে, চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া প্রতিদিন কয়েক ফেঁাটা আমন্ড অয়েল বা আমন্ড যদি খেতে পারেন তাহলেও ভালো ফল পাবেন। চুল পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলকে ঝলমলে করতেও এই তেলের জুড়ি নেই।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে