logo
সোমবার ১৭ জুন, ২০১৯, ৩ আষাঢ় ১৪২৬

  উনিশ বিশ ডেস্ক   ০৮ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০  

আর নয় অ্যালাজির্

অনেকের ধারণা চমের্রাগ মানেই অ্যালাজির্। অথচ হাজারো চমের্রাগের মধ্যে অ্যালাজির্ হচ্ছে শুধু এক ধরনের রোগ। অ্যালাজির্ শব্দটি সবার কাছে অতি পরিচিত হওয়া সত্তে¡ও এ নিয়ে ভুল ধারণার শেষ নেই।

কখনো কখনো আমাদের শরীরে সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করি। সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালাজির্ বলা হয়। অ্যালাজির্ হলে হঠাৎ শরীরে বিভিন্ন ধরনের দানা ওঠা শুরু হয় বা ত্বক লাল চাকা চাকা হয়ে ফুলে যায় এবং সেই সঙ্গে প্রচÐ চুলকানি থাকতে পারে। অনেক সময় সারা শরীরও ফুলে যায় এবং শ্বাসকষ্ট, বমি, মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, অস্থিসন্ধি ব্যথা, পাতলা পায়খানা ইত্যাদি হয়। এমনকি হঠাৎ কোনো তীব্র অ্যালাজির্ক রিয়েকশনে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।

অ্যালাজির্র কোনো নিদির্ষ্ট কারণ নেই। পৃথিবীর সব জিনিসই অ্যালাজির্র কারণ হতে পারে। একেকজনের দেহ ও ত্বক একেক ধরনের জিনিসের প্রতি অ্যালাজির্ক হয়ে থাকে। যে কোনো খাদ্যদ্রব্য, পরিধেয় ও ব্যবহাযর্ জিনিসপত্র, প্রসাধনী সামগ্রী, মশা-মাছি ও পোকা-মাকড়ের কামড়, পারিপাশ্বির্ক ধুলাবালি, আবহাওয়া, সূযাের্লাক, কোনো নিদির্ষ্ট ওষুধ, কৃমি, আঘাত, এমনকি দুশ্চিন্তাতেও অ্যালাজির্ হতে পারে। যাদের বংশে হঁাপানি, একজিমা বা অ্যালাজির্র সমস্যা আছে তাদের অ্যালাজির্র প্রবণতা তুলনামূলক অন্যদের তুলনায় বেশি।

অ্যালাজির্র প্রাথমিক ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা হিসেবে ওরাল, টপিকাল অথবা ইনজেক্টেবল এন্টিহিসটামিন বা অনেক সময় স্টেরয়েড দেয়া হয়। তবে সঠিক ও উপযুক্ত চিকিৎসার পূবর্শতর্ অ্যালাজির্ সৃষ্টিকারী কারণটি খুঁজে বের করতে হবে এবং যথা সম্ভব তা এড়িয়ে চলতে হবে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে