logo
  • Tue, 14 Aug, 2018

  মাসুদ মুস্তাফিজ   ০৩ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০  

রবীন্দ্রকাব্যে জীবনবোধ ও মানবচেতনা

রবীন্দ্রকাব্যে জীবনবোধ ও মানবচেতনা
রবীন্দ্রনাথ মহৎ সব সাহিত্যকীতির্র উজ্জ্বল নাম। এ কারণে রবিকরোজ্জ্বল নিজ দেশে ও বাইরে কবি সবর্জন বরণীয়। তার সাবের্ভৗম-দৃষ্টি বিশ্বসভার দরবারে শ্রেষ্ঠ মনীষীর আসনে অভিষিক্ত হয়েছে। তাই রবীন্দ্রমানসের সান্নিধ্যলাভে আমাদেরক সূক্ষè রসচিন্তার ও আন্তজাির্তক দৃষ্টির অধিকারী হতে হয়। বাঙালিপনা সেখানে একটি অংশমাত্র। এ জন্যই বিশ্বকবি বলেনÑ ‘আমার দেশ পৃথিবী।’ তাই দেখা যায় সব সংকীণর্তাকে ভাঙার উদাত্ত আহŸান উচ্চারিত হয়েছে তার কণ্ঠে। আমরা লক্ষ্য করি রবীন্দ্রসাহিত্যের সবচেয়ে বড় মহিমা হলো মানবতাবোধ। তার বিশাল সাহিত্যধারায় মানবপ্রীতিকে আমরা নানা বণের্ ও রূপে পুষ্পিত হতে দেখি। সীমা থেকে অসীমে, বিশেষ থেকে নিবিের্শষে অভিযাত্রায় যার কবিদৃষ্টি সবর্দা জাগরুক, তিনি কেবল পেরেছেন দেশকালের গÐি অতিক্রম করে নিজেকে বিশ্বজনীন করে প্রকাশ করতে। তার সাহিত্যে মানববন্দনা ও মানুষের কৃতি উপস্থাপিত হয়েছে অনন্যমাত্রায়। ‘মানুষের ধমর্’গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ সাবর্জনীন মানুষের অবয়ব সম্পকের্ অভিমত দিয়েছেন এভাবেÑ ‘মানুষ আপন উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিসীমাকে পেরিয়ে বৃহৎ মানুষ হয়ে উঠেছে, তার সব শ্রেষ্ঠ সাধনা এবং মানুষের সাধনা। এই বৃহৎ মানুষ অন্তরের মানুষ। বাইরে আছে নানান দেশের সমাজের নানা জাত। অন্তরে আছে এক মানব।’ রবীন্দ্রনাথ আমৃত্যু মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে জড়িয়ে নিয়েছেন মানবাধিকারচেতনায়। তাই দেখা যায় জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও তিনি তা অন্তরের শ্রেষ্ঠ অঘর্্য নিবেদন করেছেন মানুষের উদ্দেশ্যে এবং সে মানুষ সাধারণ মানুষ, ‘যারা ধরে থাকে হাল’, মাঠে মাঠে বীজ বোনে।’ চিরকালের মানুষ তারাই’ যারা কাজ করে, ম্যাক্সিম গোকির্ যাদের করেছেন তার সাহিত্যের নায়ক, রবীন্দ্রনাথও তাদের দেখেছেন অ¤øান জ্যোতিতে ভাস্বর’ ‘শত শত সাম্রাজ্যের ভগ্নাশেষ পরে ওরা কাজ করে।’ রবীন্দ্রনাথ তাই ভেদাভেদহীন সব শ্রেণির মানুষকে তার অন্তরে ধারণ করেছেন। মৃত্যুর শেষ দিকেও কবিতার ভাষায় রবীন্দ্রনাথ গেয়েছেনÑ

‘এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর ধূলি-

অন্তরে নিয়েছি আমি তুলি,

এই মহামন্ত্রখানি

চরিতাথর্ জীবনের বাণী।’

মানুষের কমর্মহোৎসবের একাত্ম হতে হবে, তবেই আসবে চিত্তের যথাথর্ মুক্তি। তাই তার আহŸান- ‘কমের্যাগে তঁার সাথে এক হয়ে ঘমর্ পড়–ক ঝরে।’ লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে কবি তার সৃষ্টির পথে যতই অগ্রসর হয়েছেন ততই কমর্রত সাধারণ মানুষের মহিমা তার কাছে বড় হয়ে উঠেছে। পৃথিবীতে তার মতে অবিনশ্বর হচ্ছে, ‘মানুষের নিত্য প্রয়োজনে’ যারা নিরন্তর কাজ করে চলেছে তারাই:

‘ওরা চিরকাল

টানে দঁাড়, ধরে থাকে হাল;

ওরা মাঠে মাঠে

বীজ বোনে, পাকা ধান কাটে।

ওরা কাজ করে

নগরে প্রান্তরে।’

মানুষের স্খলন, পতন ও মৃত্যুতে রবীন্দ্রনাথ বিচলিত হয়েছেন কিন্তু তিনি ভেবেছেন স্খলন, পতন, জ¦রা, ব্যাধিও জন্ম-মৃত্যুর ধারা অতিক্রম করে ‘চিরকালের মানুষ’ ‘মানবযাত্রী’র অস্তিত্বশীল থাকে, এবং যত ধীরগতিতে ও যত বাধা-বিপত্তির মধ্যদিয়েই হোকÑ উন্নতর দিকে অগ্রসর হয়। রবীন্দ্রনাথের কবিতায়Ñ

‘চলেছে মানবযাত্রী যুগ হতে যুগান্তর-পানে

ঝড়ঝঞ্ঝা-বজ্রপাতে জ¦ালায়ে ধরিয়া সাবধানে

অন্তর প্রদীপখানি।’

‘মানবযাত্রী’র এই যাত্রা পরম উৎকষের্র দিকে। রবীন্দ্রনাথের ‘চিরকালের মানুষ’ কিংবা ‘মানবযাত্রী’র ধারণাকে আপাতদৃষ্টিতে রহস্যাচ্ছন্ন মনে হলেও আসলে তা হলো চিরবিকাশমান মনুষ্যত্ব বা মহত্তর মানবিক গুণাবলি-যে গুণাবলির কারণে বিশ্বব্রহ্মাÐ মানুষের স্থান সব জৈবসত্তার ও জড়সত্তার ঊধ্বের্। মনুষ্যত্বের বা মহত্তের বা মহত্তর মানবিক গুণাবলির উৎকষর্সাধনের প্রয়াসের মধ্যদিয়ে মানুষ অতি ধীরগতিতে যুগান্তর ধরে পরম উৎকষের্র দিকে ধাবিত হচ্ছে-এ বিশ্বাস রবীন্দ্রনাথের ছিল। রবীন্দ্রনাথ তার ভাববাদী দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী কবিসুলভ তীব্র আবেগের সঙ্গে ইতিহাসের ধারায় ব্যক্তি মানুষের ভবিষ্যৎ কল্পনা করতে চেষ্টা করেছেন এবং তারই ভিত্তিতে গোটা মানবজাতির ভবিষ্যৎ সম্পকের্ সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চেয়েছেন। সমস্যার সম্মুখে রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসপ্রবণতা ছিল সবার্বস্থায় পজিটিভ। নেগেটিভ কোনো সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতি তার কখনো কোনো সহানুভ‚তি ছিল না।

২.

যে কেউ স্বাভাবিক ও সঙ্গত প্রশ্ন তুলতেই পারে। ব্যক্তি মানুষ কোন রবীন্দ্রনাথকে দেখেন? সোজাসাপটা সরল জবাব দেয়া যায়Ñ তিনি যেমন দেখতে চান। এর ভেতরে যে কথাটি লুকিয়ে থাকে তা ১০১ রকমে দেখা সম্ভব, তুমি ঠিক কোন রূপটি দশের্নর ইচ্ছায় রাখো আগে তা ঠিক কর। এই বাঙালি কবি পুরুষটি যেন শতঝুরি বট, একনজরে চট্ করে সবটুকু কখনো প্রকাশ্য নয়, দেখতে হলে নানান স্থানিক দূরত্বে দঁাড়িয়ে দঁাড়িয়ে, কৌণিক অবস্থান ঠিক করে নিতে হবে একেবারে নিজের মতো করে। এটুকু নিতান্তই মানা যায় যে, দঁাড়িয়ে দেখার স্থান নিদির্ষ্ট হয় যদি এবং সেই জায়গাটি দঁাড়ালে সবাই মনে হয় একই জিনিস দেখতে পাবে। কিন্তু সবাই একই স্থানে দঁাড়াবে কেন? এভাবেই রবীন্দ্রনাথ আমার হয়ে ওঠেন। এখানে আমার রবীন্দ্রনাথের দাবি যুক্তিসিদ্ধ হয়ে দঁাড়ায়। আমার রবীন্দ্রনাথ তোমার নাও হতে পারে, তোমার রবীন্দ্রনাথ আরেকজনের নাও হতে পারে। তবে কি ‘নিবিের্শষ’ ‘সাধারণ’ রবীন্দ্রনাথÑ যা সবার যৌথ সম্পত্তি, এমন কিছু থাকবে না? থাকবে না কেন, অবশ্যই থাকবে। একেক জনের একেক রুচি ও অভিরুচি; সেখানে তো বাদ সাধার কিছু নেই। আসলে শিল্পের কাছে, শিল্পীর কাছে যেতে হলে বা যাওয়া উচিত নিজের অন্তরপ্রেষণার তাগিদেই। শিল্পের ক্ষেত্রে এই তৃষ্ণাস্বরূপ যথাথর্ই নান্দনিক ক্ষুধা।

নিজস্ব আপনের অন্বেষণেই শেষ পযর্র্ন্ত রবীন্দ্রনাথ নিজের হয়ে যান। তা হতে হবে খেঁাজার দরজা খোলার চাবি ‘রবীন্দ্রনাথ আমার’। এই ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ কিংবা কবি রবীন্দ্রনাথ বা শিল্পী রবীন্দ্রনাথ খুব সহজেই মানুষের ও পরের। বিচ্ছিন্ন মানুষের আমার রবীন্দ্রনাথকে শেষ পযর্ন্ত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সত্যে স্থিত করানোর দায়ভার আমারই হয়ে যায়। তাই ব্যক্তির ওপরেই এই দায়ভার এবং ব্যক্তি থেকে সমাজে স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত হওয়াই প্রত্যাশিত ব্যাপার। আমার রবীন্দ্রনাথ তার জ্ঞানে প্রকাশিত হয়েছে আমার কাছে আত্মোৎসগের্র ধারণায়। রবীন্দ্রনাথ সেই ঐতিহ্যে সবাইকে আহŸান জানিয়েছেন, সবার ঊধ্বের্ উঠে এসে এবং লোভহীন দ্ব›েদ্ব পরিণত হয়েছে সাধারণ রবীন্দ্রনাথ। আর আমরা আলোকিত হয়েছি আত্মশুদ্ধতার পথ ধরেই রবীন্দ্রনাথের স্বপ্নের প্রভাবে। আমার রবীন্দ্রনাথের সমকক্ষে এসময়ও কেউ নয়, একেই বলে রবীন্দ্রনাথ।

রবীন্দ্রনাথ আমার জীবনের বণের্র ধারাকে নানাভাবে সাজিয়েছেন-নাড়িয়েছেন-কী গানে কী কবিতায় এক রহস্যের জটাজালে। কবিতায় আমাকে নিজের করা মানসিকÑ দৈহিকচেতনার রূপ- বোধ জাগিয়ে দেন। ভাবিÑ কবিতায় পক্ষপাত! তার বৈশাখ আয়োজনের ভেতর তাপদাহ, জরা-মৃত্য কিংবা মুছে ফেলার উপকরণ কখনো প্রণয়কাতরতায় আবার শতাব্দীর সম্বন্ধ-ব্রহ্মাÐের তীব্রতা। সসীম এবং পুনরুত্থানের প্রব্রজ্যা কথন আমার প্রাণের আলিঙ্গনের ভাষা প্রকাশ পেয়েছে। এভাবে বৈশাখ কল্পনাকে ছাড়িয়ে মনস্পশের্র রূপ পায়। এবার বৈশাখ কবিতা কীভাবে পাঠকের কীভাবে হৃদয়ে অনিবাযর্ হয় সেটা উপলব্ধি করিÑ

‘হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ,

ধুলায় ধূসর রক্ষè উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল,

তপ:ক্লিষ্ট তপ্ত তনু, মুখে তুলি বিষাণ ভযাল

করে দাও ডাকÑ

হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ?’

এ তো গেল ভ‚মিকার পবর্ আরও আছে ‘শীণর্ সন্ন্যাসী’, ‘হে বৈরাগী’ আবার ‘হে ভৈরব’Ñকত কী! এ হলো রূপের নান্দনিক বণর্না-বিবৃতি ভিন্নতা-স্বাতন্ত্র্যতা অনুসৃত। এ কবিতায় ‘শীণর্ সন্ন্যাসী’ বিশেষভাবে বিশিষ্টতা পেয়েছে। চিহ্নিত হয়েছে স্থানিকতা রক্তনেত্রের দীপ্তচক্ষুর আসীনে আরেকমাত্রা লাভ করে-‘শুষ্কজল নদী তীরে, শস্যশূন্য তৃষাদীণর্ মাঠে। তাই এখানে বৈরাগীÑজরা-মৃত্যু ক্ষুধা-তৃষ্ণা, লক্ষ কোটি নর-নারীর হিয়া/ চিন্তায় বিকল দাওÑ/দাও পাতি গেরুয়া অঞ্চল।’ তাই ভৈরবীর কথা এখানে উপযুক্ত পঙ্ক্তিমালা। রবীন্দ্রবোধে বৈশাখের আয়োজনে আছে-তাপ, বহ্নি, ঘূণির্, নৃত্য, আবতর্ন, আলোড়ন, মত্ততাই বৈশাখের প্রকৃত রূপ। কিন্তু কাহিনীতে পাই প্রতিদান-ভয়ংকর অংশগ্রহণ, আকুল আকাশের চঞ্চল আহŸান। আমাদের বিধৃত সংস্কৃতির সুখ-দুঃখ, আশা ও নৈরাশের উত্তরণের দায়িত্ব তুলে নেন-স্থাপিত করেন নিজেকে। গভীর মমতায় ডাক দেন মৌনী তাপসকে। নিজেকে মেলাতে চান প্রকৃতির সমীপে। দেখা যায় ইত্যকার বিষয়ে আনন্দভরা মুহূতর্ রচিত করে রবীন্দ্রনাথ নিজের পৃষ্ঠপোষকতায় পৌঁছান। এগিয়ে যান।

৩.

রবীন্দ্রনাথ আমার পাশে হঁাটেন, কিন্তু আমি কখনো তাকে দেখি না, কখনো দেখতে চাই, কিন্তু তাকে অনেক সময় আমি গোপনে রাখি। আমি যখন কথা বলি তখন তিনি ধীর প্রশস্ত ভঙ্গিতে নিবার্ক। আমি যখন মরে যাবো তখনও তিনি প্রকম্পিত দঁাড়িয়ে থাকবেন আমারই হয়ে। এমন হিমেনেস অস্তিত্বের প্রকাশ সবর্দাই তার কাব্যে মুগ্ধ হই। আধুনিক কবিরা এখনো রবীন্দ্রনাথের মধ্যে আশ্রয় খেঁাজেন। আমিও বঁাচার তাগিদে ভালোবাসার তাগিদে রবীন্দ্রনাথকেই খঁুজে ফিরি সবর্ক্ষণ। রবীন্দ্রনাথ বাঙালিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তাকে আমরা বাঙালি বলি। যে বাংলা ভাষার ব্যবহার করেন তাকে বাঙালি বলাই আমার কাছে অকৃত্রিম সত্য। রবীন্দ্রনাথ এখনো সমসাময়িক এবং আমাদের সমসাময়িকতার পুনরুদ্ঘাটনে আমাদের ব্যক্তিগত ও জাতীয় মুক্তির পথকে উন্মোচিত করেছেন। রবীন্দ্রনাথ সৌন্দযের্র কবি। সৌন্দযের্র ভাবনায় মানবচৈতন্য কবি বাঙালিপনা প্রতিভাসে উদ্ভাসিত। তিনি কাব্যের উন্নততর প্রপঞ্চে সবার রবীন্দ্রনাথ। তার মননের বিশ্ববীক্ষা আজকের তরুণদের সাহিত্যসৃষ্টির মূলধন। এখানেই রবীন্দ্রনাথ আমাদের বিস্ময়ের নাম হয়ে ওঠেন। আমার ক্ষুদ্রাতীতবোধের নিবের্ন্ধ রবীন্দ্রনাথ আমার চিরকালীন অপ্রতিদ্ব›দ্বী।

তবে ক্ষণিকার নিমার্ণকৌশল যে শিথিল-পুরনো, পরিমাজির্ত-পরিবধির্ত এটা বুঝতে অসুবিধে হয় না। ‘ক্ষণিকা’র দুবলর্তা নিয়ে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ সন্দেহপোষণ করেন। বলা যায় রূপ যাই হোক-পথগামিতাই হোক সুদূর কাব্যই তার স্বরূপ এবং শেষ কথা।

তাই বলিÑ যদি আমার রবীন্দ্রনাথকে অনেক তাত্তি¡ক ব্যাখ্যায় আমার অজির্ত জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে আরও বিস্তৃত করে প্রবন্ধ লিখতে পারতাম তাতে হয়তো আমার ভালোলাগার রবীন্দ্রনাথকে বলা হতো না। জটিল করে উপস্থাপন করা যেত বটে কিন্তু আমার সহজ-সরল রবীন্দ্রনাথ প্রকাশিত হতো না

আজ শান্তিনিকেতনে ২২ শ্রাবণ কবি গুরু শ্রাদ্ধবাসর। কখনো মন্দিরে কখনো সংগীত ভবনে আবার কখনো ছাতিমতলায়। বাংলাদেশে এর কোনো কমতি নেই যেন রবীন্দ্রসত্তা বাঙালিপনায় একাকার। এভাবেই কিছু ভাবনার সূচনা হতে পারে রবীন্দ্রনাথের শুভচেতনায় আমাদের ভাবনালোকে। তবে চ‚ড়ান্ত ফলাফল এখনো প্রাগ্রসর আগামীর রবীন্দ্রনাথ অভিলক্ষে, অভিকল্পে ও অভিজ্ঞানে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

উপরে
Error!: SQLSTATE[42000]: Syntax error or access violation: 1064 You have an error in your SQL syntax; check the manual that corresponds to your MySQL server version for the right syntax to use near 'WHERE news_id=6224' at line 3