logo
মঙ্গলবার ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৪ পৌষ ১৪২৫

  আহমেদ আববাস   ২৭ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

গল্প

আত্রাই নদীর বঁাকে বঁাকে

আত্রাই নদীর বঁাকে বঁাকে
নদীর পাড় থেকে জলের লেভেল অনেক নিচে নেমে গেছে। তবু আত্রাই নদীতে অথৈ জল। আমরা পিছল খেলায় নিমগ্ন। চড়াইয়ের দিকে জল ঢেলে জলকাদায় বসে ঢালুর দিকে সাবলীল এবং দ্রæত পিছল খাওয়া। অনেক শিশুই এ আনন্দধারায় অংশীদার। সবার বয়সই দশের নিচে। এই মধ্যবয়সে এসে এখন আর কারো নামই বিশেষভাবে মনে নেই। আমাদের অধিকাংশেরই আদুল গা। জন্মদিনের পোশাক। হয়তো জন্মের পর অনেকেরই তখনো পোশাক কেনা হয়নি। অথচ সবাই অবলীলায় সঁাতরে নদী পার হতে পারে। সবাের্ঙ্গ জলকাদায় যখন আমরা মানব শিশুর গতিময় মডেল। ঠিক তখনি সেজভাই নদীর ঘাটে গোসলে এলেন।

‘এ-ই, তোদের ওখানে গালিব আছে নাকি?’ আমাকে তালাশ করার জন্য উচ্চকিত কণ্ঠে সবার উদ্দেশ্যে বলেন। দঙ্গলের মাঝ থেকে একটু নড়াচড়া দিয়ে বলি, ‘জি ভাইয়া, গোসল করতে এসেছি।’

‘তোকে তো চেনাই যাচ্ছে না, এইভাবে কেউ মাথায় মুখে কাদা মাখে!’ সেজ ভাইয়ের কথা শেষ হতে না হতেই নদীর জলে লাফিয়ে পড়ে নিজকে ধুইয়ে পরিচয়যোগ্য করে তুলি।

‘তোকে এবার স্কুলে ভতির্ করে দেব। এখন পড়াশোনা করতে হবে। আর জলকাদায় গড়াগড়ি করতে পারবিনে।’

‘আমাকে তো আসাদ ভাই অক্ষর শিখিয়েছে। আমি আর একটু বড় হয়ে স্কুলে যাব।’

‘তুই দিনাজপুরে আসাদের বাসায় যাবি! ওখানে গেলে বাসে চড়তে পারবি, রেলগাড়িতে উঠতে পারবি, রিকশা দেখতে পারবি, কারেন্টের আলো, আরও কত কি?’

আমি সেই সময়ের কথা বলছি। আমার শৈশবকালের কথা বলছি। আমি আমার পঁাচ বছর বয়সে প্রথম ট্রেন ভ্রমণ করার কথা বলতে চাইছি। আমার ধারণা, সেসময় হয়তো আমাদের গ্রামের নব্বই শতাংশ লোক রিকশাও দেখেনি, বাসে চড়েনি কিংবা ট্রেনে ওঠেনি। আমি চলনবিলের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি গ্রামের কথা বলছি।

প্রায় দীঘর্ ছ’মাস। আসাদ ভাইয়ের কোনো খবর নেই। বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রামছাড়া সবারই কিছু কিছু সংবাদ পাওয়া যায়। কিন্তু আমাদের পরিবারের একমাত্র উপাজর্নক্ষম ভাইটির কোনপ্রকার তথ্য পাওয়া যায় না। আসাদ ভাই সরকারি চাকরি করেন। কমর্স্থল সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর। স্বাধীনতা যুদ্ধ ঘোষিত হবার পরপরই এপ্রিল মাসে ভাইয়া শহর ছেড়ে গ্রামে আসেন। ইতিমধ্যে পূবর্ পাকিস্তানে শান্তি কমিটি এবং রাজাকার বাহিনী গঠিত হয়ে গেছে। বাড়ি এসে ভাইয়া চুপচাপ থাকেন, কারও সঙ্গে সাতেপঁাচে নেই। তবু কারো সামনে কখনো প্রসঙ্গ উঠলেই তিনি স্বাধীনতার সপক্ষে কথা বলেন- এই তার অপরাধ। বিষয়টি একটু জানাজানি হয়ে হানাদার বাহিনীর দোসরদের কানে পেঁৗছে যায়।

একদিন রাত এগারটার দিকে রেড অ্যালাটর্ দিয়ে রাজাকার বাহিনী বাড়ি কডর্ন করে ফেলে। পেছন দরজা দিয়ে পালিয়ে নদীতে নেমে কচুরিপানা মাথায় দিয়ে ভেসে ভেসে ভাইয়া আত্মরক্ষা করেন। পরদিনই দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে গৃহত্যাগ করেন। সেজভাই আগেও কয়েকবার, বিশেষ করে টাকার প্রয়োজনে আসাদ ভায়ের কমর্স্থলে গেছেন। আসাদ ভাই ছিল পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। আর সবাই ছিল অধ্যয়নরত। এ কারণে টাকার প্রয়োজন হলে তার ওপর নিভর্র করা ছাড়া কোনো গত্যন্তর ছিল না। এবার সেজ ভাই টাকার জন্যে নয়, অনুজের অনুসন্ধানের জন্যেই দিনাজপুরে যাবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

একদিকে আপামর জনতার মুক্তির সংগ্রাম অপরপক্ষে প্রতিপক্ষের তীব্র সহিংসতা, নৃশংস ববর্রতা, ভূখÐজুড়ে বিষম অস্থিরতা। এ কারণে ঝঁুকি লাঘবের কথা বিবেচনায় সেজভাই সহযাত্রী হিসেবে আমাকে বেছে নেন। রাত ১০টা। নাটোর স্টপেজ আমরা ট্রেনে উঠি। পাবর্তীপুর মেইল ছুটে চলে-স্টেশন থেকে স্টেশন গলিয়ে। আমি বাইরে কঁাচের জানালায় চেয়ে দেখি, রেল লাইনের পাশের ঘরবাড়ি, মুদি দোকান পড়ে থাকা বগি কিংবা গাছপালা কত দ্রæত ধাবমান। কী এক আজব দৃশ্য। দেখে অভিভূত হই। মনে হয়, ট্রেনটিই নিশ্চল আর বাইরে দৃশ্যমান বস্তুগুলোই বেগবান। ওগুলোকে দৌড়ে ধরা কালর্ লুইসেরও সাধ্যের অতীত। সেজভাইকে জিজ্ঞেস করি, ‘বাইরে গাছপালা ঘরবাড়ি দৌড়ায় কেন?’

‘দুর বোকা। ওগুলো নয়, ট্রেন চলছে।’ সেজভাই আমাকে এ বিষয় নিয়ে জ্ঞানদান করতে থাকেন।

আর ঠিক তখনি এক বিহারি চেকার এসে আমার কাছে টিকিট চায়, ‘এই লাড়কা টিকিট কঁাহা তুম।’ টিকিটের বিষয়টি বুঝতে না পেরে সেজভায়ের দিকে তাকাতেই বিনা টিকিটে যাত্রার কারণে চেকারের সঙ্গে ভায়ের একটু গোল বেধে যায়। কিন্তু ভাইয়া মাদ্রাসার ছাত্র বলে উদুের্ত বিশেষ পারদশীর্ হওয়ায় ব্যাপারটা দ্রæত নিষ্পত্তি হয়ে যায়। উদুর্ জানার সাহসের ওপর ভর করেই দেশের অশান্ত ও উত্তেজনাময় পরিস্থিতির মাঝেও সেজভাই বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আমরা অনেকটা নিবিের্ঘœ গন্তব্যের দিকে অগ্রসর হতে থাকি।

সকাল ১০টার দিকে ট্রেনটি পঁাচবিবি রেলস্টেশনে পেঁৗছে। ট্রেন লাইনে কোনো জটিলতা কিংবা অন্যকোনো কারণে পথে পঁাচবিবিতে আমাদের যাত্রা বিরতি করতে হয়। রেলগাড়ি থেকে নেমে আমরা সেখানে আমাদের লোকালিটির এক অধ্যাপকের বাসায় যাই। জনশ্রæতি ছিল, এলাকার যে কোনো শ্রেণির ব্যক্তিই জলিল প্রফেসরের বাসায় গেলে সাদরে সমাদৃত হয়। সঙ্গত কারণেই আমরাও সেখানে একইভাবে অভ্যথির্ত হই। নানা উৎকণ্ঠায় দিনমান পার করে অতিথিসেবকের পরামশর্ উপেক্ষা করে আবার দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রাতের ট্রেনে উঠি। থেমে থেমে রাতভর ট্রেন চলে।

কুঠুরিতে ভ্রমণরত যাত্রীগণের চোখেমুখে কী এক শঙ্কা, উদ্বেগ, অধীরতা, উৎকণ্ঠা কিংবা প্রত্যাশার ঝিলিক। আমি কিছু বুঝি না। বুঝতেও পারি না। অনায়াসে ঘুমিয়ে পড়ি। খুব ভোরে ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম ভেঙেই ট্রেনের ভেতরে বসে-দঁাড়িয়ে উসখুশ করতে থাকি। যত্রতত্র নড়াচড়া করতে থাকি। প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখতে উতলা ও উন্মনা হয়ে পড়ি। টানটান সংবেদনশীলতায় বারবার ওখানে হাত রেখে ছটফট করতে থাকি। চাপে একসময় শটের্র মাঝে ওটা বরাবর একটু ভিজে যায়। তখন সাহস করে সেজভাইকে বলেই ফেলি, ‘ভাইয়া তুমি কি ড্রাইভারকে ট্রেনটা একটু থামাতে বলবে?’

‘কেনরে, কী হয়েছে?’

‘আমার খুব পেশাব লেগেছে।’ বলামাত্রই তিনি কামরার একপ্রান্তে মূত্রাগারে নিয়ে গেলেন।

সূযোর্দয়ের সঙ্গেসঙ্গেই পাবর্তীপুর রেল স্টেশনে পেঁৗছলাম। স্টেশনের প্লাটফমের্ অপ্রসন্ন, বিষণœ ও বিবণর্ চেহারায় উদ্বিগ্ন শতশত পাকসেনারা অনিধাির্রত গন্তব্যের প্রত্যাশায় অপেক্ষমাণ। কিংবা পরাজয় গøানিতে হতাশায় অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশায় ভয়বিহŸল এবং সন্দিহান। লোকজন সকলে ট্রেন থেকে নেমে পড়ে। সবাই উৎফুল্ল, সবার চোখেমুখে আনন্দের ঝণার্ধারা। উল্লাসের ফোয়ারা। চারদিক থেকে স্টেশনের দিকে মিছিল আসছে। যেন খÐখÐ মিছিলে দিগন্তব্যাপী ¯েøাগানমুখর বিজয়োভিযান। অনেকের হাতেই লাল সবুজের পতাকা। পতাকায় লালের মাঝে বাংলাদেশের মানচিত্র অঁাকা। জানা গেল-দেশ স্বাধীন হয়েছে। বিজয়ের আনন্দে দেশবাসী উদ্বেলিত, উৎফুল্ল। দীঘর্ নয়মাস ত্যাগ তিতিক্ষার পর প্রাপ্তির আবেগে সবার হৃদয়ই উচ্ছ¡াসে বেসামাল।

ট্রেন আর সামনে এগোল না। যাত্রীবিহীন ট্রেন স্টেশনে পড়ে রইল। হয়তোবা রেলগাড়ি চালানোর দায়িত্বে নিয়োজিত অবাঙালি কমর্চারীগণ সেসময় তাদের আখের গোছানোর জন্যে সটকে পড়েছিল। নতুবা কামরাগুলোয় যাত্রী শূন্যতার কারণে। তবু মানুষের প্রয়োজন থেমে থাকে না। অপরিহাযর্তাই একসময় মানুষকে পথ খঁুজে নিতে বাধ্য করে। ভাইয়া আমাকে নিয়ে বিকল্প পথে অনুকল্প বাহনে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

পরদিন বিকেল পঁাচটা নাগাদ আমরা দিনাজপুর তার কমর্স্থল এলাকায় পেঁৗছলাম। সেখানে দিদার হোসেন নামে আসাদ ভাইয়ের একজন স্থানীয় সহকমীর্ বন্ধু ছিল। বারবার আসা যাওয়ার কারণে পূবর্ থেকেই সেজ ভাইয়ের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। আসাদভাইকে খেঁাজার জন্য প্রথমেই আমরা তার শরণাপন্ন হই। ঘটনাস্থলের সুহৃদ দিদার সায়েব জানান- আমরা একসঙ্গে ওপারে ট্রেনিং নিয়ে দাজিির্লং দিয়ে বাংলাবান্ধা পার হয়ে তেঁতুলিয়ায় আসি। তারপর ৬নং সেক্টরের ১নং সাব সেক্টর ব্যাটালিয়ন হেড কোয়াটার্র পঞ্চগড় জেলার সন্নিকটে ভজনপুরে যাই। সেখানে তৎকালীন সাব সেক্টর কমান্ডারের অধীনে পুনরায় কিছুদিন সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি।

পলকমাত্র দম নিয়ে দিদার সায়েব আবার বলতে আরম্ভ করেন, তারপর ঐ এলাকার ভেলুকাপাড়া, বানিয়াপাড়া এবং জাবরিদোয়ারে পাকবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। এভাবে আমরা বিভিন্ন সময় পঞ্চগড়, পঁুটিমারী এবং ঠাকুরগঁাও এলাকায় সক্রিয় থেকে বিভিন্ন অপারেশনে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি। একইভাবে প্রায় দু’মাস একসঙ্গে বিভিন্ন অপারেশনে অংশ নিয়েছি। আসাদের জ্ঞান, বুদ্ধি, সাহস, কৌশল এবং উপস্থিত পরামশর্ আমাদের প্লাটুন কমান্ডারকে মুগ্ধ করে। তারপর চোরাগোপ্তা হামলার জন্য তাকে একটি সেকশনের নেতৃত্ব দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়। এতে সেসময় আমার নিকট থেকে সে আলাদা হয়ে যায়। তারপর যতদূর শুনেছি, ২৩ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ভারতীয় বাহিনীর সম্মিলিত সহযোগিতার জগদলহাট অধিকারের জন্য প্রচÐ আক্রমণ চালায়। সেই বিশাল জগদলহাট যুদ্ধে সে অন্যদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে। পাকবাহিনী পিছু হটলেও বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমাদের ২৫ মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে সম্ভবত আসাদ সেদিন জাতির জন্য, স্বদেশ মাতৃকার জন্যে নিজের জীবন উৎসগর্ করে। এরপর দেশ স্বাধীন হয়ে যায়। ওখানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের কেউই আমার বিশেষভাবে পূবর্ পরিচিত ছিল না। পরবতীের্ত আর আসাদের কোনো খবর নিতে পারিনি, এই বলে নানা সহানুভূতির মাধ্যমে আমাদের আশ্বস্থ করতে থাকেন দিদার সায়েব।

অনেক খেঁাজাখুঁজি করেও সেসময় আসাদ ভাইকে দিনাজপুরে পাওয়া যায়নি। এখনো অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। জয়নব ভাবি বিধবা হয়েও মনেমনে অদ্যাবধি নিজকে সধবা ভাবেন। হয়তো একদিন তার স্বামী ফিরে আসবে তার বাহুবন্ধনে। বিজয় দিবসের অব্যবহিত পূবের্ যার জন্ম, সেই সজল আজো ভাবে- তার বাবা হয়তো একদিন ফিরে আসবে। সেদিন কানায় কানায় পরিপূণর্ হয়ে উঠবে তাদের জীবন। আর তখন আকাশের ভরা চঁাদের আলোয় ফুটে উঠবে অপরূপ সৌন্দযর্ এবং আনন্দে উদ্বেলিত হবে নিস্তেজ প্রাণের সকল চাঞ্চল্য। কিংবা সেই প্রসন্ন ও শুভদিন এলে বসন্তের কাল কোকিলের ডাকের ভেতরও অনুভূত হবে সুললিত ঐকতানের প্রগাঢ় আনন্দধ্বনি। সজল তার সাতচল্লিশ বছরের জীবনে এখনো কাউকে বাবা বলে সন্বোধন করতে পারেনি।

স্বাধীনতাযুদ্ধে শহিদ ভাইটির জন্য আমাদের পরিবার কিংবা শহিদজায়া বা তার পুত্র এখন পযর্ন্ত কোথাও থেকে কোন প্রকার আনুক‚ল্য পায়নি। এমনকী যথাস্থানে যথাযথ যোগাযোগের অভাবে মুক্তিযোদ্ধা সনদ পযর্ন্ত সংগৃহীত হয়নি। অনেক পরে প্রায় চল্লিশ বছর পর বোধোদয় হলে শহিদপুত্র সজল স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, ‘তার সঙ্গে যুদ্ধ করেছে, এমন দুজন প্রত্যক্ষদশীর্ সহযোদ্ধার সুপারিশ প্রয়োজন।’ বিষয়টি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত যৌক্তিক এবং ন্যায়সঙ্গত। কিন্তু কীভাবে. কোথায় পাওয়া যাবে এমন দুজন সহযোদ্ধার সুপারিশ!

যথাস্থানে স্বীকৃতি অজের্ন ব্যথর্ হয়ে সজল যায়, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির নিবাির্চত বিশিষ্ট জনপ্রতিনিধির কাছে। সেই বিশিষ্ট জননেতা আসাদ সম্পকের্ পূবার্পর জানতেন বলে আন্তরিকভাবে সহানুভূতির সঙ্গে সেটা অনুধাবন করেন। বিষয়টি উপলব্ধি করে তার নিজস্ব প্যাডে ‘মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন’ মমের্ একটি সিলমোহরযুক্ত সনদপত্র লিখে দেন। মুক্তিযুদ্ধে শহিদ পরিবারের জন্য, শহিদপুত্রের জন্য এই পরিচয়টুকুই একটি স্বোপাজর্ন। আর কিছু নয়, যা দিয়ে কোনো সিদ্ধিলাভ করা যায়। তবু সান্ত¡না। অথচ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করেও কিছুকিছু ধড়িবাজ ব্যক্তি শুধু তদবিরের জোরে সনদপত্র পেয়ে গেছেন এবং তা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফায়দা হাসিলের ধারাও অব্যাহত রেখেছেন।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে