logo
  • Fri, 21 Sep, 2018

  অনলাইন ডেস্ক    ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

সংবাদ সংক্ষেপ

মামলার

বাদীই খুনি!

আইন ও বিচার ডেস্ক

৩১ বছর পর জানা গেল হত্যা মামলার বাদীই প্রকৃত খুনি। কেবল প্রতিপক্ষকে ফঁাসাতে তারই পরিকল্পনায় এবং নিদেের্শ খুন করা হয়েছিল অসহায় দিনমজুর নূর মোহাম্মদকে। বছরের পর বছর ঘুরে অবশেষে ৩১ বছর পর হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে খুনি মাজেদ আলী জোয়াদার্র এতদিনে স্বাভাবিক মৃত্যুতে পাড়ি জমিয়েছেন ওপারে। স্পশর্কাতর এ ঘটনায় জড়িত ১০ জনকে শনাক্ত করে এরই মধ্যে আদালতে চাজির্শট দিয়েছে পিবিআই। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, গ্রাম্য বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফঁাসাতে মামলার বাদী মাজেদ আলী নিজেই তার সহযোগীদের নিয়ে নূর মোহাম্মদকে নৃশংসভাবে খুন করেন। তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বংশীতলা গ্রামে ১৯৮৭ সালের ২৪ জুন রাতে এ ঘটনা ঘটে। বংশীতলা গ্রামে মাজেদ আলী জোয়াদার্র ও আলতাফ মোল্যা নামে দুই মাতব্বরের দ্ব›দ্ব চলছিল। স্থানীয় ২০ বিঘার একটি জলাশয়কে ঘিরে এ দ্ব›দ্ব আরও তীব্র হয়। একসময় মাজেদ আলীর লোকজন আলতাফ মোল্যার ঘনিষ্ঠ রফিকে খুন করে। খুনের মামলার আসামি মাজেদ আলী, ইয়াসিনসহ ১৩ জন। পরে ওই মামলা থেকে বঁাচতে মাজেদের পরিকল্পনায় ও নিদেের্শ দিনমজুর নূর মোহাম্মদকে খুন করা হয়। হতভাগ্য নূর মোহাম্মদ মাজেদ আলীর বাড়িতে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনার পরদিন অথার্ৎ ১৯৮৭ সালের ২৫ জুন কুষ্টিয়া সদর থানায় মাজেদ আলী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামি করা হয় গ্রামের আরেক মাতব্বর আলতাফসহ ১৩ জনকে। এরপর রহস্যভেদের দিন গণনা শুরু। কেটে যায় একে একে ৩১ বছর। থানা পুলিশের পর সিআইডি এবং সবের্শষ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) এই মামলার তদন্ত করে রহস্যভেদ করে।

পুলিশকে পাসওয়াডর্ না দেয়ায় জেল!

আইন ও বিচার ডেস্ক

পুলিশের কাছে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়াডর্ না বলতে চাওয়ায় যুক্তরাজ্যে এক ব্যক্তির ১৪ মাসের কারাদÐ হয়েছে। স্টিফেন নিকোলসন নামে ওই ব্যক্তি ১৩ বছরের এক কিশোরী খুনের ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন। পুলিশ বলছে, গত ২৬ জুলাই ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয় লুসি ম্যাকহাগ নামে এক কিশোরীর। লুসির মৃত্যুতে অন্যতম সন্দেহভাজন হিসেবে উঠে আসে স্টিফেনের নাম। যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, তদন্তকারীরা যদি মনে করেন, কোনো অপরাধের তদন্তের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের পাসওয়াডর্ প্রয়োজন, তা হলে অভিযুক্তকে তা দিতেই হবে। পাসওয়াডর্ না দিলে কারাদÐের বিধানও রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়াডর্ পুলিশকে জানাতে চাননি স্টিফেন। পুলিশের বক্তব্য, তিনি ওই পাসওয়াডির্ট জানালে কিশোরী খুনসংক্রান্ত অনেক তথ্যই তাদের হাতে চলে আসতে পারতো। একটি ব্রিটিশ আইনি পরামশর্দাতা সংস্থা বলছে, অনেক ক্ষেত্রেই গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা লঘু সাজা পাওয়ার জন্য আরআইপিএ-তে অভিযুক্ত হওয়ার পরও নিজের ব্যক্তিগত পাসওয়াডর্ পুলিশকে জানাতে চান না। কারণ ওই পাসওয়াডর্ থেকে পাওয়া তথ্য পুলিশের হাতে গেলে আরও গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই মামলায় স্টিফেনের বিরুদ্ধে অন্য ধারায় অভিযোগ আনা যায় কিনা, তা আগামী অক্টোবরের শুনানিতে স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভারতের পরবতীর্ প্রধান বিচারপতি যিনি

আইন ও বিচার ডেস্ক

ভারতের পরবতীর্ প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন রঞ্জন গগৈ। তিনি বতর্মান প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন। তবে তাকেই পরবতীর্ প্রধান বিচারপতি হিসেবে সমথর্ন করতে যাচ্ছেন দীপক মিশ্র। সূত্র জানায়, নতুন প্রধান বিচারপতি আগামী ৩ অক্টোবর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি পরবতীর্ জ্যেষ্ঠ বিচারপতির নাম প্রধান বিচারপতি হিসেবে সমথর্ন করবেন। সেই কাজটি শিগগিরই করবেন প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র। জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে তালিকায় আছেন রঞ্জন গগৈ। আইন অনুযায়ী, আইন মন্ত্রণালয় কিছুদিন আগে প্রধান বিচারপতিকে পরবতীর্ প্রধান বিচারপতির নাম প্রস্তাবের আহŸান জানিয়ে চিঠি পাঠায়। প্রধান বিচারপতির প্রস্তাবে কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদন দিলে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। রঞ্জন গগৈ আগামী বছরের ১৭ নভেম্বর পযর্ন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। ২০১২ সালে সুপ্রিম কোটের্ নিয়োগ পাওয়া রঞ্জন কথা কম বলেন, কিন্তু কাজে অত্যন্ত নিষ্ঠ এবং কঠোর বলেই পরিচিত। ১৯৫৪ সালে জন্ম গ্রহণ করা গগৈ ১৯৭৮ সালে আইন পেশায় নিযুক্ত হন। প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যারা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন, সেই দলের মূলে ছিলেন গগৈও। ১২ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন দেশের প্রবীণ চার বিচারপতি। শীষর্ আদালতের ওই চার বিচারপতি হলেন জে চেলামেশ্বর, কুরিয়েন জোশেফ, রঞ্জন গগৈ এবং মদন লোকুর।

দেশের বিচারব্যবস্থায় দুনীির্ত এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তারা সরব হন। বিচারপতি চেলামেশ্বর বলেন, বিচারব্যবস্থা নিরপেক্ষ না হলে গণতন্ত্র বঁাচবে না। এই মুহূতের্ দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন। বিচারের নামে চলছে অনিয়ম। মামলা বণ্টনের ক্ষেত্রেও পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

উপরে