logo
  • Tue, 14 Aug, 2018

  যাযাদি হেলথ ডেস্ক   ২১ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

কোয়েলের ডিমের উপকারিতা

কোয়েলের ডিমের উপকারিতা
আমরা অনেকেই কোয়েলের ডিম বেশ পছন্দ করি কিন্তু এই ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পকের্ জানি না। যারা জানতে আগ্রহী তাদের জন্যই আমাদের আজকের আলোচনা কোয়েলের ডিম এবং এর পুষ্টিগুণ নিয়ে।

পৃথিবীতে যত প্রকার খাদ্য উপযোগী ডিম আছে তার মধ্যে কোয়েল পাখির ডিম গুণে মানে এবং পুষ্টিতে সবের্শ্রষ্ঠ। চল্লিশ বছর পার হলেই ডাক্তাররা মুরগির ডিম খেতে নিষেধ করে থাকেন। কারণ নিয়মিত মুরগির ডিম খেলে কোলেস্ট্ররলের মাত্রা বেড়ে যায় ফলে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। অথচ কোয়েলের ডিম নিঃসংকোচে যে কোনো বয়সের মানুষ অথার্ৎ বাচ্চা থেকে বৃদ্ধরা খেতে পারেন। এতে ক্ষতির কোনো কারণ নেই বরং নিয়মিত কোয়েলের ডিম খেলে দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং অনেক কঠিন রোগ থেকে আরোগ্য লাভও হতে পারে।

কোয়েলের ডিম হাটর্ ডিজিজ, কিডনি সমস্যা, অতিরিক্ত ওজন, রোগ প্রতিরোধ, পাকস্থলী ও ফুসফুসের নানা রোগ, স্মৃতি শক্তি রক্ষা, রক্তের পরিমাণ কমে যাওয়া, উচ্চ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে থাকে।

চলুন এবার জেনে নেই কোয়েলের ডিমে যে পুষ্টি উপাদানগুলো বিদ্যমান থাকে-

কোয়েলের ডিম প্রাণিজ খাদ্যদ্রব্য হলেও এর মধ্যে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, এনজাইম এবং অ্যামাইনো এসিড এমন মাত্রায় থাকে যে এই ডিম খেলে শরীরে সব ধরনের পুষ্টির অভাব পূরণ হয় এবং শরীরের কাযর্ক্ষমতা বেড়ে যায়।

মুরগির ডিমের সঙ্গে তুলনা করে দেখা যায় কোয়েলের ডিমে কোলেস্টেরল থাকে ১.৪% অন্যদিকে মুরগির ডিমে থাকে ৪%। আর কোয়েলের ডিমের কুসুমে প্রোটিনের পরিমাণ মুরগির থেকে শতকরা প্রায় সাত গুণ বেশি থাকে।

কোয়েলের ডিমে ভিটামিন বি-১ এর পরিমাণ মুরগির ডিম থেকে প্রায় ছয়গুণ বেশি। ফসফরাস ও আয়রনও থাকে প্রায় পঁাচ গুণ বেশি। এ ছাড়াও কোয়েলের ডিমে এমন কিছু উপাদান আছে যা শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা অ্যালাজির্ক প্রতিক্রিয়াকে নষ্ট করে।

শরীরের প্রয়োজনীয় সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যামাইনো এসিড, কোয়েল ডিমে বিদ্যমান। যার কারণে কোয়েলের ডিম কোনো কোনো দেশে মেডিসিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

নিয়মিত কোয়েলের ডিম খেলে হাটের্র কাযর্ক্ষমতা উন্নত হয়, কিডনি এবং লিভারের কাযর্ক্ষমতা ও হজমশক্তি বাড়ে এবং এসিডিটি কমাতে সাহায্য করে থাকে। এ ছাড়া ব্রেইন সবসময় সতেজ রাখে এবং স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে।

বাচ্চাদের মানসিক, শারীরিক এবং বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটাতে সহায়তা করে থাকে কোয়েলের ডিম। দুবর্ল বাচ্চা থেকে বৃদ্ধরা প্রতিদিন তিন-চারটা করে কোয়েলের ডিম খেতে পারেন।

কোয়েল পাখির ডিমে প্রতি একশ গ্রামে রয়েছে ১৩.০৫ গ্রাম প্রোটিন এবং ১৫৮ ক্যালরি। এ ছাড়া পযার্প্ত পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান।

মুরগির ডিমের তুলনায় এর পুষ্টিমান প্রায় তিন থেকে চারগুণ বেশি। কোয়েলের ডিম মানুষের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তোলে।

এ ছাড়াও এটি পাকস্থলির সমস্যা দূর করে। চাইনিজরা কোয়েলের ডিমকে টিবি, অ্যাজমা এবং ডায়াবেটিস রোগের পথ্য হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। কিডনি ও লিভারের সমস্যা দূর করতেও এই ডিমের রয়েছে কাযর্কর ভ‚মিকা।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

উপরে
Error!: SQLSTATE[42000]: Syntax error or access violation: 1064 You have an error in your SQL syntax; check the manual that corresponds to your MySQL server version for the right syntax to use near 'WHERE news_id=4372' at line 3