logo
বুধবার ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৫ পৌষ ১৪২৫

  অমিত কুমার কুÐু   ১০ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০  

বণর্মালার গল্প

বণর্মালার গল্প
অ-তে অপু

অপু খুব ভালো ছেলে। অপু সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠে। ঘুম থেকে উঠে চোখে-মুখে জল দেয়, দঁাত মাজে। এরপর পড়তে বসে। অপু তার মাকে খুব ভালোবাসে। মায়ের কথা শোনে। সকালে মা ওকে খাইয়ে দেয়। মা অপুকে আদর করে। অপুও মাকে আদর করে। অপুর বাবা চাকরি করে। সে সকালে অফিসে যায়। অফিসে যাওয়ার সময় বাবা অপুর গালে চুমু খায়। অপুও বাবার গালে চুমু খায়। বাবার সঙ্গে বাড়ির দরজায় যায় অপু। বাবা দরজা থেকে হাত নেড়ে অপুকে বিদায় জানায়। মুখে বলে টা টা। বাবা হাসে। অপুও হাসে। বাবা অফিসে যায় সকাল ৮টায়। বাবা অফিসে যাওয়ার আগ পযর্ন্ত ও বাড়িতে পড়ে। ওর পড়ার বইয়ে অসি ও অজগরের ছবি আছে। বাবা যাওয়ার পর স্কুলে যাওয়ার সময় হলে অপু মায়ের সঙ্গে স্কুলে যায়। অপু এ বছর স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে। অপু তার পাড়ার একটি স্কুলে পড়ে। স্কুলে যাওয়ার সময় স্কুলের পোশাক পরে। স্কুলে গিয়ে সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে। শিক্ষকদের কথা শুনে চলে। অপুর বয়স পঁাচ বছর। অপু মায়ের থেকে ছড়া ও গল্প শোনে। ওর মা অপুকে রোজ ছড়া, গল্প পড়ে শোনায়। অপুর স্কুল অনেক ভালো। সেখানে খেলার মাঠ আছে। ছোটদের পড়ার জন্য পাঠাগার আছে। সেখানে রঙবেরঙের বই আছে। অপুর স্কুলে একজন শিক্ষক অপুদের ছড়া গান শেখায়। একজন শিক্ষক ছবি অঁাকতে শেখায়। অপু স্কুলে গিয়ে খেলতে পারে, গান গাইতে পারে, ছবি অঁাকতে পারে। অপু স্কুলে ওর বন্ধুদের সঙ্গে অনেক আনন্দ করে। অপু ওর স্কুলকে বড় ভালোবাসে।

আ-তে আকাশ

আমরা মাথার ওপর ছাতার মতো নীল যে আচ্ছাদনটা দেখি সেটাকে আকাশ বলে। আসলে আকাশ আমাদের দৃষ্টির সীমা। দিনের আকাশে সূযর্ আর রাতের আকাশে আমরা চঁাদ, তারা দেখি। দেখি আকাশজুড়ে সাদা-কালো মেঘের ভেলা। তবে আজ যে আকাশের কথা বলবো, সেটা এই আকাশ নয়, সেটা আকাশ নামের একটা ছেলের গল্প। এই আকাশের একটা সাইকেল আছে। আকাশ সাইকেল চালাতে খুব ভালোবাসে। ওর সাইকেলটি তিন চাকার। সাইকেলের রং গোলাপি। গোলাপ ফুলের মতো সুন্দর দেখতে সাইকেলটি। আকাশের সাইকেলের পিছনে একটা ঝুড়ি আছে। সেখানে আকাশ খেলনা রাখে। আকাশ ওর এই ট্রাই সাইকেলটিকে রিকশা নামে চেনে। আকাশ সবুজ শাক-সবজি ও হলুদ ফলমূল খেতে ভালোবাসে। সে আম, আতা, আপেল, আনারস, আঙ্গুরসহ সবধরনের ফল ও আখের রস খেতে পছন্দ করে। আকাশদের বাড়িতে উঠোন আছে। আকাশ সকালে সেই উঠোনে খেলা করে। উঠোনের পাশে ফুলবাগান। আকাশ ওর মায়ের সঙ্গে ফুলগাছে জল দেয়। রোজ বিকালে আকাশ ওর মায়ের সঙ্গে বাগানের ঘাস তোলে, বাগান পরিচযার্ করে। আকাশের বাড়ির বাগানে গোলাপ ফুলগাছ আছে। আরও আছে বেলি ফুলগাছ, টগর ফুলগাছ। আকাশ জানে বেলি, টগর ফুলের রং সাদা। জবা ফুলের রং লাল। তবে বিভিন্ন রঙের জবা ফুলও আছে। আকাশের বাগানে টুনটুনি পাখি আসে। দোয়েল পাখি ও চড়ুই পাখিও আসে। আকাশ পাখি ভালোবাসে। মায়ের থেকে চেয়ে আকাশ পাখিদের চাল, গম, মুড়ি খেতে দেয়। আকাশদের বাড়ি কবুতরের ঘর আছে। কবুতর উড়ে এসে আকাশের দেয়া চাল, গম খেয়ে যায়। আকাশ ওর মায়ের সঙ্গে ফুল তোলে, মালা গঁাথে। মালা গেঁথে ঘর সাজিয়ে রাখে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে