logo
শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬

  অনলাইন ডেস্ক    ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ

নারীর সুশিক্ষার স্বপ্নবুননে অনন্য আলোর দিশারী

নারীর সুশিক্ষার স্বপ্নবুননে অনন্য আলোর দিশারী
ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজটি মেয়েদের উচ্চশিক্ষার দ্বারকে প্রসারিত করার লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাদানকল্প ও সরকারি এমপিওভুক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত সিলেবাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩ সালের আইন অনুযায়ী এ কলেজের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র ফার্মগেট এলাকায় নিজস্ব ৭তলা ভবনে কলেজের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ ছাড়া কলেজটির আধুনিক মানের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসটি রায়ের বাজারে শিকদার মেডিকেল কলেজসংলগ্ন নিজস্ব জমিতে নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কলেজটিতে রয়েছে আধুনিকমানের ক্লাসরুম। পাঠদানের সুবিধার্থে রয়েছে ওভারহেড প্রজেক্টর ও সাইন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা। ছাত্রীদের জ্ঞানের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে রয়েছে বিষয়ভিত্তিক ও অন্যান্য জ্ঞানসমৃদ্ধ বইয়ের সুসজ্জিত লাইব্রেরি। এ ছাড়া রয়েছে প্রতিটি বিভাগের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ও সুযোগ-সুবিধা সংবলিত আধুনিক ল্যাবরেটরি। এরই সঙ্গে রয়েছে নিজস্ব ক্যান্টিনের সুব্যবস্থা।

কলেজটির মূল লক্ষ্য হলো- সুশিক্ষার মাধ্যমে মানবিক বোধ জাগ্রত করে কল্যাণ ও সমাজসচেতনামূলক আদর্শ মানবসম্পদ তৈরি করা।

নিবেদিত প্রাণ ও উদ্যোগী শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা কলেজটি পরিচালিত হয়। বর্তমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটকে বিবেচনা করে আধুনিক মানের ও বাস্তবধর্মী সিলেবাস দ্বারা পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফলে ছাত্রীরা এই কলেজ থেকে বিএসসি (সম্মান) এবং মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যোগ্যতা ও সুনামের সঙ্গে কর্মরত রয়েছে।

কলেজটিতে পাঁচটি কোর্সে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি চালু রয়েছে।

শুধু বিজ্ঞান বিভাগ থেকে আসা ছাত্রীদের জন্য কোর্সগুলো হলো- খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান এবং বস্ত্রপরিচ্ছদ ও বয়নশিল্প। এ ছাড়া বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগ থেকে আসা ছাত্রীরা রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনরশিপ, শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক এবং শিল্পকলা ও সৃজনশীল শিক্ষা কোর্সগুলোয় ভর্তি হতে পারবে।

বিএসসি (সম্মান) কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের তত্ত্বাবধানে গার্হস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। বিএসসি (পাস) এবং সনাতন পদ্ধতি মাস্টার্স কোর্সও চালু রয়েছে। এ কোর্সগুলোর ভর্তিপ্রক্রিয়া কলেজের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

প্রতিবছর প্রতিটি বিভাগ থেকে ছাত্রীরা সম্মিলিত মেধাতালিকায় প্রথম থেকে দশম স্থানের মধ্যে উলেস্নখযোগ্য স্থান অর্জন করে। মেধাবী ছাত্রীদের কলেজ থেকে প্রতিবছর চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড ও হারুন কাদের ম. ইউসুফ বৃত্তি প্রদান করা হয়। মেধার ভিত্তিতে বেতন ছাড় দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। অসচ্ছল ও মেধাবী ছাত্রীদের অর্ধ বা পূর্ণ বেতন মওকুফের ব্যবস্থা রয়েছে। উপজাতিদের পৃথক সুবিধা দেয়া হয়।

বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি কোর্স সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-

খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান : মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে সর্বপ্রথম হচ্ছে খাদ্য। বর্তমানে মানুষ সঠিক পুষ্টি জ্ঞানের অভাবে বিভিন্ন পুষ্টিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। আর এই সমস্যা প্রতিরোধে একনিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানবিষয়ক জ্ঞান। সেই জ্ঞানের পরিধিকে আরও বেশি সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান কোর্সে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- নিউট্রিশনাল সাইন্স, ফুডসাইন্স অ্যান্ড ফুড মাইক্রোবায়োলজি, ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড থেরাপেটিক নিউট্রিশন, ফুড প্রসেসিং টেকনোলজি, মেটাবলিজম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফুড সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিটি নিউট্রিশন, নিউট্রিশনাল প্রবলেম অ্যান্ড এপিডেমিওলজি, নিউট্রিশনাল পলিসিস অ্যান্ড প্রোগ্রামস ইত্যাদি বিষয়গুলো।

বস্ত্রপরিচ্ছদ ও বয়নশিল্প : মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্যের পরেই বস্ত্রের স্থান। সভ্যসমাজে জন্মলগ্ন থেকে মৃতু্যর পর পর্যন্ত মানুষের বস্ত্রের প্রয়োজন অপরিহার্য। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রথম ও প্রধান খাত বস্ত্রশিল্প। মোট আয়ের শতকরা ৮২ ভাগই আসে বস্ত্রশিল্প থেকে। বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। পোশাকশিল্পে প্রায় ৪৫ লাখ শ্রমিক কর্মরত। যার ৮০ ভাগ কর্মীই হচ্ছে নারী। এই পোশাকশিল্পের মাধ্যমে আমাদের দেশের নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে। এই কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মাধ্যমে লব্ধ জ্ঞান দ্বারা ছাত্রীরা বস্ত্রশিল্প সম্প্রসারণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এই কোর্সের পঠিত বিষয়গুলো-

প্রিন্সিপাল অব ফ্যামিলিক্লদিং, টেক্সটাইল র'ম্যাটেরিয়ালস, ইয়ার্ন ম্যানুফ্যাকচারিং টেকনোলজি, ফেব্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং টেকনোলজি, গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং টেকনোলজি, বেসিক ডিজাইন কনসেপ্ট, হিস্টোরিক কস্টিউম অ্যান্ড টেক্সটাইলস, ফেব্রিক স্ট্রাকচার অ্যান্ড ডিজাইন, ফ্যাশন ডিজাইনিং, মার্চেন্ডাইজিং, ট্রেক্সটাইল টেস্টিং এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোল, টেক্সটাইল ডাইং, প্রিন্টিং অ্যান্ড ফিনিশিং, অ্যাডভান্স ফ্যাশন ডিজাইনিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানেজমেন্ট, টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন মার্কেটিং, কনজিউমার ইকোনমিক্স, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি। অর্থাৎ তুলার আঁশ থেকে সুতা, সুতা থেকে কাপড়, কাপড় থেকে ফ্যাশনেবল গার্মেন্টস তৈরির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া তত্ত্বীয় এবং হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ফ্যাশন ডিজাইনার এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে বয়নশিল্পের জোরালো ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া টেক্সাটাইল টেস্টিং ও গবেষণার ক্ষেত্রে রয়েছে এ বিভাগের অবদান। বস্ত্র পরিচ্ছদ ও বয়নশিল্প বিভাগের বিষয়ভিক্তিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে অর্থাৎ বস্ত্রশিল্পের মানোন্নয়নে নিজেকে যোগ্য করে তুলে দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এন্ট্রেপ্রেনরশিপ : এই কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন বিষয় অধ্যয়নের মাধ্যমে সহজেই একজন ছাত্রী নিজেকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে পারে। এই কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো- ফ্যামিলি রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ফিলোসফি অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এন্ট্রেপেনরশিপ, কনজাম্পশন ইকোনমিক্স, ডিজাইন অ্যান্ড ইন্টেরিয়র ডেকোরেটর, ইন্সটিটিউশনাল মিল ম্যানেজমেন্ট, হোম ম্যানেজমেন্ট রেসিডেন্স কোর্স, হাউজিং অ্যান্ড ল্যান্ডস্কেপিং, স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, অ্যাডভান্সড হাউসহোল্ড ইকুপমেন্ট, অর্গানাইজেশনাল বিহেভিয়ার, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, এন্ট্রেপ্রেনরশিপ, কনজিউমার বিহেভিয়ার অ্যান্ড এডুকেশন, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, ইকোলজিক্যাল আসপেক্ট অব হোম ম্যানেজমেন্ট, অ্যাপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজি ফর বেটার লিভিং ইত্যাদি। এই বিষয়ক জ্ঞান অর্জন করে ছাত্রীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সফলতার সঙ্গে কর্মরত আছে।

শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক : এই কোর্সের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ছাত্রীরা বিভিন্ন সমাজ সচেতনমূলক প্রজেক্টে এবং শিশুবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এই কোর্সের জ্ঞানকে সম্প্রসারিত করেছে যে বিষয়গুলো সেগুলো হলো- ইন্ট্রডাকশন টু চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট, ম্যাটার্নাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ, দ্য ডেভেলপিং চাইল্ড, দ্য চাইল্ড অ্যান্ড ফ্যামিলি, চাইল্ড অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার ইন বাংলাদেশ, আর্লি চাইল্ডহুড এডুকেশন, নিউট্রিশন ফর দ্য চাইল্ড, দ্য চাইল্ড ইন দ্য সোস্যাল কনটেক্সট, থিওরিস অব চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি অ্যাডোলেসেন্ট, চাইল্ড বিহেভিয়ার অ্যান্ড গাইডেন্স, দ্য চাইল্ড উইথ স্পেশাল নিডস, জেন্ডার, উম্যান এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, প্রজেক্ট ডিজাইনিং, এডাল্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড এজিৎ, কাউন্সেলিং ইন ফ্যামিলি। ছাত্রীরা এই বিষয়গুলোর জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে এবং বাস্তবজীবনে নিজের দক্ষতার বিস্তার ঘটাতে পারে।

শিল্পকলা ও সৃজনশীল শিক্ষা : মানুষ সৌন্দর্যের পূজারী। সৌন্দর্যবোধ মানুষের সহজাত প্রবৃদ্ধি। আর এই সৌন্দর্যকে সহজেই দৃষ্টিনন্দিত ও আকর্ষণীয়রূপে তুলে ধরতে পারে এই কোর্সের ছাত্রীরা। এই কোর্সের ছাত্রীরা হিস্ট্রি অব আর্ট, আর্ট এলিমেন্টস অ্যান্ড আর্ট প্রিন্সিপাল, আর্ট অব সাউথ এশিয়া, টেক্সটাইল প্রিন্টিং, রিক্রিয়েশনাল ক্রাফটস, আর্ট অ্যান্ড আর্টিস্ট অব বাংলাদেশ, জুট অ্যান্ড উড ক্রাফট, এসেন্স অব ডিজাইন, আর্ট অব উইভিং, পটারি মেকিং, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, ক্রিয়েটিভ আর্ট, আর্ট অব জুয়েলারি, আর্ট অ্যান্ড ট্রেডিশনাল কালচার অব বাংলাদেশ, ল্যান্ডস্ক্যাপ ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে সহজেই কর্মক্ষেত্রে শিল্পের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মাধ্যমে নিজের দক্ষতাকে ফুটিয়ে তুলতে পারে।

কলেজটির বিশেষ বিশেষত্ব হচ্ছে বিষয় সম্পর্কিত ইন্টার্নশিপের ব্যবস্থা করা এবং পরবর্তী কর্মজীবন সঠিকভাবে গঠনে নির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করা। ছাত্রীদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সার্বিক অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে পর্যালোচনার মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়। ছাত্রীদের দক্ষ মানসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের সেমিনার, প্রদর্শনী, সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রম শিল্পকলা, হস্তশিল্প, সংগীত, বনভোজন, শিক্ষাসফর টেক্সটাইল ফ্যাক্টরি পরিদর্শন ও অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া ইত্যাদিতে নিয়োজিত করা হয়। বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতা যেমন জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহে এই কলেজের ছাত্রীরা শ্রেষ্ঠ পুরস্কার লাভের গৌরব অর্জন করে।

বৃত্তি বিভিন্ন কার্যক্রম ও নানা অনুপ্রেরণামূলক কর্মসূচি ছাত্রীদের পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তোলে। এই কলেজ থেকে অনার্স এবং মাস্টার্স কোর্স সম্পন্ন করে তারা নিজ নিজ সেক্টরে যেমন বিভিন্ন পদে কর্ম করতে পারবে তেমনি তারা ইঈঝ, সরকারি বেসরকারি চাকরি, বিভিন্ন এনজিও, ব্যাংক ও কলেজে প্রভাষক পদে শিক্ষকতা করতে পারবে। স্কুল ও কলেজপর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে বেসরকারি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল কলেজে শিক্ষকতা পেশার নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবে।

ইতোমধ্যে এই কলেজ থেকে পাসকৃত ছাত্রীরা বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যাংক, কলেজ, স্কুল, বায়িং হাউস, টেক্সাটাইল ফ্যাক্টরি, এনজিও ইত্যাদি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সফলতার সঙ্গে কর্মরত আছে।

কলেজটি থেকে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স থেকে পাসকৃত ছাত্রীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের মাধ্যমে সার্টিফিকেট গ্রহণ করে।

কলেজটি ছাত্রীদের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি মানবিক দিক দিয়ে এমনভাবে গড়ে তুলছে যে নেপোলিয়নের একটি বিশেষ উক্তি না বলে পারছিনা-

"আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও আমি

তোমাদের একটি শিক্ষিত জাতি

উপহার দিব"

সবার দোয়া ও শুভ কামনায় বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজটি তাদের নিবেদিত প্রাণ, উদ্যোগী, আন্তরিক ও স্নেহপরায়ণ মনোভাব বিশিষ্ট সদস্যের দ্বারা ছাত্রীদের সঠিকভাবে পরিচালনা করে সমাজ ও দেশকে যেন একটি আদর্শ জাতি উপহার দিতে পারে। আদর্শ ও সুশিক্ষিত জাতিই হলো একটি দেশের মূল চালিকাশক্তি।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে