logo
মঙ্গলবার ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

  আবদুল লতিফ মÐল   ২৬ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

সব আসনে জয়লাভের আকাক্সক্ষা!

সরকারবিরোধী দলগুলোর তৎপরতা, দুনীির্ত, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ১৯৭৪ সালের দুভির্ক্ষ ইত্যাদি মোকাবেলার অজুহাতে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সংবিধানের চতুথর্ সংশোধনীর মাধ্যম বহুদলীয় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার পরিবতের্ প্রতিষ্ঠা করা হয় একদলীয় রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশের জনগণ যে নিরবচ্ছিন্ন বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিল, স্বাধীনতার ঊষালগ্নেই তা ধূলিসাৎ হয়ে যায়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর কতিপয় উচ্চাভিলাষী সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের উপস্থিত সব সদস্যকে হত্যা করে।

সব আসনে জয়লাভের আকাক্সক্ষা!
৭ জুলাই গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বধির্ত সভার তৃতীয় ধাপে আসা নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী ও দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে একটি আসনও হারানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, সব দ্ব›দ্ব নিরসন করে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলের মতামত নেয়া হবে। তারপরও যাকে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে, তার পক্ষে সবাইকে কাজ করতে হবে। অনেকদিন ক্ষমতায় থাকলে যা হয়, মনে হয় এ একটা আসনে না জিতলে কী হবে, তা করলে হবে না, প্রতিটা আসন গুরুত্বপূণর্। কোনো আসন নিয়ে অমনোযোগী হওয়ার সুযোগ নেই। অমনোযোগী হওয়া মানেই হবে সে আসনে পরাজয়। এ কারণে আমাদের সরকার গঠনের সুযোগ ব্যথর্ হতে পারে।’

এ ছাড়া তিনি সংসদের বাইরে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির সমালোচনা করেছেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রে জাতীয় সংসদ নিবার্চনে সব আসনে জেতার প্রবল আকাক্সক্ষা কেন সুষ্ঠু নিবার্চনের ইঙ্গিত দেয় না এবং কেন তা গণতন্ত্রের বিকাশে সহায়ক নয়, তা আলোচনা করাই এ নিবন্ধের উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশের সাড়ে চার দশকে দলীয় সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নিবার্চনের ইতিহাস পযাের্লাচনা করলে দেখা যায়, দলীয় সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত কোনো জাতীয় সংসদ নিবার্চন সুষ্ঠু হয়নি এবং কোনো জাতীয় সংসদ নিবার্চনে দলীয় সরকার পরাজিত হয়নি। স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭৩ সালের ৭ মাচর্ অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদশর্ন, রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও প্রশাসনযন্ত্রকে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। নিবার্চন কমিশন জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের ২৯৩টিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রাথীের্দর বিজয়ী ঘোষণা করে।

সরকারবিরোধী দলগুলোর তৎপরতা, দুনীির্ত, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ১৯৭৪ সালের দুভির্ক্ষ ইত্যাদি মোকাবেলার অজুহাতে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে সংবিধানের চতুথর্ সংশোধনীর মাধ্যম বহুদলীয় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার পরিবতের্ প্রতিষ্ঠা করা হয় একদলীয় রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশের জনগণ যে নিরবচ্ছিন্ন বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিল, স্বাধীনতার ঊষালগ্নেই তা ধূলিসাৎ হয়ে যায়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর কতিপয় উচ্চাভিলাষী সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের উপস্থিত সব সদস্যকে হত্যা করে।

১৫ আগস্ট পটপরিবতের্নর পর দুইজন সামরিক শাসক সামরিক ও বেসামরিক পোশাকে প্রায় ১৫ বছর দেশ শাসন করেন। বেসামরিক পোশাকে রাজনৈতিক দল গঠন করে তারা যে তিনটি জাতীয় সংসদ নিবার্চন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, সেসব নিবার্চনে জয়লাভের জন্য তারা মাঠপ্রশাসনসহ পুরো প্রশাসনযন্ত্রকে ব্যবহার করেন। জনগণ সহজেই বুঝতে পারেন, সরকারের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে পরিচালিত হচ্ছে নিবার্চন। নিবার্চনের ফল আগে থেকেই ছকে বাঁধা থাকায় রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তা কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। মানুষ নিবার্চনের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

রাজনীতিকদের মধ্যে সৃষ্ট পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং জাতীয় সংসদ নিবার্চনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার গণদাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৬ সালের মাচের্ বিএনপি সরকারের আমলে প্রবতির্ত হয় নিবার্চনকালীন নিদর্লীয় তত্ত¡াবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। এ সরকার পদ্ধতির অধীনে তিনটি (সপ্তম, অষ্টম ও নবম) জাতীয় সংসদ নিবার্চন জাতীয় ও আন্তজাির্তকভাবে প্রশংসিত হয়।

সেনাসমথির্ত তত্ত¡াবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নিবার্চনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। যে নিদর্লীয় তত্ত¡াবধায়ক সরকারের জন্য তারা অন্য দুটি বিরোধী দল জাতীয় পাটির্ ও জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি বিএনপির শাসনামলে দুবার্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিল এবং সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছিল, ক্ষমতায় এসে তারাই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদ নিবার্চনকালীন তত্ত¡াবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে।

প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তাদের সহযোগী ১৮টি দল নিদর্লীয় তত্ত¡াবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনবর্হালের দাবিতে সরকারকে রাজি করাতে ব্যথর্ হয়ে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নিবার্চন বজর্ন করলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অনেকটা এককভাবে সে নিবার্চনে অংশগ্রহণ করে পুনরায় ক্ষমতায় আসে। এতে দেশে গণতন্ত্র পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ওই নিবার্চনের পর ১১ জানুয়ারি (২০১৪) লন্ডনের বিখ্যাত দি ইকোনমিস্ট পত্রিকায় এক প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পচে গেছে। বিশ্ব গণতান্ত্রিক সূচক ২০১৭-তে বাংলাদেশ ৮ ধাপ পিছিয়েছে।

বিশ্বের ১৬৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯২তম। গত মাচের্ জামার্ন গবেষণা সংস্থা ‘বাটেলসম্যান স্টিফটাং’ কতৃর্ক প্রকশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সরকারকে বিশ্বের স্বৈরতান্ত্রিক সরকারগুলোর কাতারভুক্ত করা হয়েছে। ২০১৫ সালের ফেব্রæয়ারি থেকে ২০১৭ সালের জানুয়ারি পযর্ন্ত সময়ের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘নিবার্চনের মানে অবনতি ঘটায় এক সময়ের পঞ্চম বৃহৎ গণতন্ত্রের এ দেশটি ফের স্বৈরতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।’

এখানেই শেষ নয়। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় সংসদ বহাল রেখে সংসদ নিবার্চনের বিতকির্ত বিধান প্রবতর্ন করে। এতে বলা হয়, মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভেঙে যাওয়ার পূবর্বতীর্ ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের সাধারণ নিবার্চন অনুষ্ঠিত হবে। এতে আরও বিধান করা হয় যে, সংসদের মেয়াদ অবসানের পূবর্বতীর্ ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত নিবার্চনকালে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ পদে বহাল থাকবেন।

এতে দশম সংসদের প্রায় একদলীয় নিবার্চনে কমবেশি ৯০ ভাগ আসনে জয়ী আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরা (তাদের অনেকে মন্ত্রী হয়েছেন) ক্ষমতায় থাকবেন এবং তাদের অধিকাংশই একাদশ সংসদ নিবার্চনে দলীয় প্রাথীর্ হবেন। তাছাড়া কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন নিবার্চন কমিশন নিরপেক্ষভাবে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবার্চন পরিচালনায় ব্যথর্ হওয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমথির্ত বা মনোনীত প্রাথীর্রা এসব নিবার্চনে নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করেন।

গত বছরের মাঝামাঝি নিবার্চন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বিএনপি ও জাতীয় পাটির্সহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধি সংসদ ভেঙে দিয়ে আগামী সংসদ নিবার্চন অনুষ্ঠানের যে সুপারিশ করে, সরকার তা মেনে না নিলে সংসদের তিন-চতুথার্ংশের বেশি আসনে অধিষ্ঠিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় আওয়ামী লীগের সমথর্ন ও মনোনয়নে অনেকটা একচেটিয়াভাবে নিবাির্চত প্রতিনিধিদের প্রভাবমুক্ত হয়ে একাদশ সংসদ নিবার্চন অনুষ্ঠানে সব দলের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করা কমিশনের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

আর যে ফ্যাক্টরটি আগামী সংসদ নিবার্চনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিজয়ে সহায়কের ভ‚মিকা পালন করতে পারে তা হল প্রশাসন। আওয়ামী লীগের দীঘর্ প্রায় দশ বছরের একটানা শাসনামলে সরকারি, আধাসরকারি, স্বশাসিত সংস্থা, আথির্ক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে নিয়োজিত কমর্কতার্-কমর্চারীদের একটি বিপুল অংশ সরকারের আনুক‚ল্যে অপ্রত্যাশিত সুযোগ-সুবিধা পেয়ে দলটির অনুরক্ত হয়ে পড়েছেন।

আগামী সংসদ নিবার্চনের সময় এদের মধ্য থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের গুরুত্বপূণর্ পদে এবং মাঠ প্রশাসনে নিয়োগ দেয়া হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভাবাদশের্ বিশ্বাসী যারা কেন্দ্রীয় সরকারের গুরুত্বপূণর্ পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন, তারা মনেপ্রাণে চাইবেন একাদশ সংসদ নিবার্চনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করুক। আগামী সংসদ নিবার্চনে আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে এসব কমর্কতার্ মাঠ প্রশাসনে নিয়োজিত কমর্কতাের্দর ওপর যে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করবেন, তা অনেকটা জোর দিয়ে বলা যায়।

বাস্তব অবস্থার কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের এসব ক্ষমতাবান কমর্কতার্র প্রভাবমুক্ত হয়ে মাঠপ্রশাসনে নিয়োজিত কমর্কতাের্দর পক্ষে নিরপেক্ষভাবে নিবার্চন পরিচালনা করা কঠিন হবে। আর মাঠপ্রশাসনের কমর্কতার্রা জানেন যে, বতর্মান সরকার পুনরায় ক্ষমতায় এলে সরকারই তাদের রক্ষা করাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে। তাই নিবার্চন কমিশন কোনো শাস্তি দিলেও শেষমেশ তা কাযর্কর হবে না। উপযুর্ক্ত অবস্থার সদ্ব্যবহার করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আগামী একাদশ সংসদ নিবার্চনে সব আসনে জয়লাভে বিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।

কোনো কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে, তা আসলে হাইব্রিড রেজিম (দোআঁশলা ব্যবস্থা)। এ ব্যবস্থায় দৃশ্যত গণতন্ত্রের কিছু কিছু উপাদান থাকলেও সেগুলো প্রধানত শক্তি প্রয়োগের ওপর নিভর্র করে। ফলে রাষ্ট্রের নিপীড়ক যন্ত্রগুলো আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয় এবং তাদের এক ধরনের দায়মুক্তি দেয়া হয়। পূবোর্ক্ত জামার্ন গবেষণা সংস্থা ‘বাটেলসম্যান স্টিফটাং’-এর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাকস্বাধীনতায় বাধা, অনিরপেক্ষ নিবার্চন ও ক্ষমতায় যাওয়ার আকাক্সক্ষাÑ এ তিনটি বিষয়কে বিশ্বের স্বৈরতান্ত্রিক সরকারগুলো দমন-পীড়নের উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছে।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও এর বিকাশে অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নিবার্চনের বিকল্প নেই- সে নিবার্চন জাতীয় বা স্থানীয় যে পযাের্য়ই অনুষ্ঠিত হোক। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগামী একাদশ সংসদ নিবার্চনে জাতীয় সংসদের সবক’টি আসনে জয়লাভের যে আকাক্সক্ষা পোষণ করছেন তা বহুদলীয় গণতন্ত্রে নিবার্চনী ব্যবস্থা ও ফলাফলের সঙ্গে সাংঘষির্ক। এটি আগামী সংসদ নিবার্চন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের ইঙ্গিত বহন করে না।

বহুদলীয় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার অনুসারী পৃথিবীর কোনো দেশের সংসদ নিবার্চনে এমন ঘটনার নজির আছে বলে জানা নেই। বিরোধী দলের প্রাথীের্দর মনোনয়নপত্র দাখিলে বাধা দিয়ে, ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা সৃষ্টি করে অথবা তাদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দিয়ে সেখানে ভোটগ্রহণে নিয়োজিত দলীয় কমর্কতার্ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় দলীয় কমীের্দর ব্যালট পেপারে সিলমারা ও জাল ভোট প্রদানের মাধ্যমে জয় ছিনিয়ে নেয়া যে কোনো দেশে একটি স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের পক্ষেই সম্ভব।

দেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আগামী সংসদ নিবার্চনে সব আসনে জয়ী হওয়ার আকাক্সক্ষার মধ্যে এ ধরনের নিবার্চন আয়োজনের স্বপ্ন লুক্কায়িত আছে কিনা, এ প্রশ্ন অনেকের। ২০১৪ সালের জানুয়ারির অংশগ্রহণহীন সংসদ নিবার্চন তাদের সে স্বপ্ন পূরণে উৎসাহিত করে থাকতে পারে।

লেখক : সাবেক সচিব, কলাম লেখক

ষধঃরভস৪৩@মসধরষ.পড়স
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে