logo
সোমবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩ পৌষ ১৪২৫

  মোহাম্মদ আহমদ আলী   ২৬ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

এষধংং-ঝঃবধমধষষ বিতকর্ এবং বাংলাদেশের আথির্ক প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা

২০১৫ সালে শুধু সরকারি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম আয় ছিল ১০১৯৪.৯ কোটি টাকা। একই বছর বেসরকারি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মোট প্রিমিয়াম আয় ছিল ২৩৯৫.৪৪ কোটি টাকা। বেসরকারি খাতে ২০১৫ সালে লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ২৮৬৫৪.৭৬ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়ামের আয় ছিল ২২৬৭.৯২ কোটি টাকা। একই সময়ে বেসরকারি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৩৫৩৩.৭ কোটি টাকা। কাজেই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি বাংলাদেশের আথির্কব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আথির্ক বাজারে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

এষধংং-ঝঃবধমধষষ বিতকর্ এবং বাংলাদেশের আথির্ক প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা
বিশ্ব অথর্নীতিতে ত্রিশের দশকে মহামন্দা একটি চরম বিপযের্য়র নাম। এই বিপযের্য়র ধাক্কা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্ব অথর্নীতিতে। এরকম ধ্বংসযজ্ঞের দমকা বাতাস মাকির্ন মুল্লুকসহ ইউরোপে ভালোভাবেই লেগেছিল। হাজার হাজার ব্যাংক-আথির্ক প্রতিষ্ঠান হয়ে পড়েছিল দেউলিয়া। এরই প্রেক্ষাপটে ১৯২৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইষধপশ ঞযঁৎংফধু এর জন্ম হয়। এটি অনেক বিনিয়োগকারীকে কবর পযর্ন্ত পৌঁছে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে ঝঃড়পশ গধৎশবঃ এ ভয়ানক পতন ঘটে ১৯২৯ সালের ২৪ অক্টোবর, ’বৃহস্পতিবার’।

যুক্তরাষ্ট্রে বিশের দশকে আবাসন সেক্টরে হু হু করে মূল্য বৃদ্ধি ঘটতে থাকে যা ১৯২৫ সাল পযর্ন্ত চলতে থাকে। এর পরই সম্পদের দাম উচ্চ শিখর থেকে নি¤œমুখী পতন শুরু হয়। একই সঙ্গে ঝঃড়পশ গধৎশবঃ এ-ও দর পতন হতে থাকে। স্টকের মোট ক্রয় মূল্যের দুই তৃতীয়াংশ ঋণের মাধ্যমে নিবার্হ করা হয়। যা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মোট ঈঁৎৎবহপু ঈরৎপঁষধঃরড়হ এর চেয়ে বেশি। ইষধপশ ঞঁবংফধু জন্ম দেয়ার আগে ঝঃড়পশ সধৎশবঃ ঢ়ৎরপব ঃড় বধৎহরহমং ৎধঃরড় ছিল ৩২.৬। ঝঃড়পশ সধৎশবঃ পতনের একদিনে ক্ষতির পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন ডলার এবং সপ্তাহে ক্ষতির পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলার।

এরপর একটি দুযোর্গপূণর্ পরিস্থিতিতে হাজার হাজার ব্যাংক যখন দেউলিয়া হওয়ার মিছিলে যোগ দেয় তখনই ঞযব এষধংং ঝঃবধমধষষ অপঃ ১৯৩৩ প্রণীত হয় যার মাধ্যমে আথির্ক ব্যবস্থায় ঈড়হভরফবহপব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। এই আইনের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাযর্ক্রমকে অন্যান্য আথির্ক প্রতিষ্ঠানের কাযর্ক্রম থেকে আলাদা করা হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংককে সরকারি ফান্ড এবং স্বল্প-ঝুঁকির বিনিয়োগ ছাড়া সাধারণের বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকার বিধিমালা জারি করা হয়। এ ধরনের আইন প্রয়োগের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাধারণ আমানতকারীর আমানত নিরাপদ করার চেষ্টা করা হয়।

ঔড়ংবঢ়য ঊ. ঝঃরমষরঃু বলেন, “ঈড়সসবৎপরধষ ইধহশং ধৎব হড়ঃ ংঁঢ়ঢ়ড়ৎঃবফ ঃড় নব যরময ৎরংশ াবহঃঁৎবং; ঞযবু ধৎব ংঁঢ়ঢ়ড়ংবফ ঃড় সধহধমব ড়ঃযবৎ ঢ়বড়ঢ়ষব’ং সড়হবু াবৎু পড়হংবৎাধঃরাবষু. ওঃ রং রিঃয ঃযরং ঁহফবৎংঃধহফরহম ঃযধঃ ঃযব মড়াবৎহসবহঃ ধমৎববং ঃড় ঢ়রপশ ঁঢ় ঃযব ঃধন ংযড়ঁষফ ঃযবু ভধরষ. ওহাবংঃসবহঃ নধহশ’ং ড়হ ঃযব ড়ঃযবৎ যধহফ যধাব ঃৎধফরঃরড়হধষষু সধহধমবফ ৎরপয ঢ়বড়ঢ়ষব’ং সড়হবু, ঢ়বড়ঢ়ষব যিড় পধহ ঃধশব নরমমবৎ ৎরংশং ঃড় মবঃ নরমমবৎ ৎবঃঁৎহং”.

অনেক অথর্নীতিবিদ এখনও মনে করেন এই আইনের আবশ্যকতা বতর্মানেও বিদ্যমান। মাকির্ন যুক্তরাষ্ট্রে বিতকর্ হচ্ছে, ১৯৯৯ সালে উক্ত আইনের কয়েকটি ধারা শিথিল করা ২০০৮-২০০৯ সালের ঋরহধহপরধষ পৎরংরং-এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। এরই প্রেক্ষিতে ট্রাম্প প্রশাসন মাকির্ন অথর্নীতির স্থিতিশীলতার স্বাথের্ এই ধারাগুলোর পুনরুজ্জীবন করতে চান।

বাংলাদেশের আথির্ক ব্যবস্থায় কোনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক, কোনটি অ-ব্যাংক আথির্ক প্রতিষ্ঠান তাদের কাযর্ক্রম দেখে বোঝা মুশকিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের “এঁরফবষরহবং ড়হ ঢ়ৎড়ফঁপঃং ্ ঝবৎারপবং ড়ভ ঋরহধহপরধষ ওহংঃরঃঁঃরড়হং রহ ইধহমষধফবংয” এর সম্পদ অংশেই আমরা দেখি, ঈড়ৎঢ়ড়ৎধঃব ভরহধহপব, ঈড়হংঁসবৎ ঋরহধহপব, অমৎরপঁষঃঁৎব ঋরহধহপব, ঝগঊ ভরহধহপব, ঐড়ঁংরহম ঋরহধহপব, ঊয়ঁরঃু ভরহধহপব, ডড়ৎশরহম ভরহধহপব নড়হফং, ঈধঢ়রঃধষ সধৎশবঃ রহাবংঃসবহঃ, ঋধপঃড়ৎরহম ষড়ধহ, ওহংঃরঃঁঃরড়হধষ ষড়ধহ ইত্যাদি অথার্ৎ ব্যাংকে যেসব প্রোডাক্ট পাওয়া যায় তার কী নাই এখানে? তাহলে, এখানকার প্রোডাক্টের সঙ্গে ব্যাংকের প্রোডাক্টের পাথর্ক্য কী? দায় অংশের উবসধহফ ফবঢ়ড়ংরঃ ছাড়া কী নেই এখানে? ঝধারহমং ংপযবসব, ঞবৎস ফবঢ়ড়ংরঃ (মেয়াদ তিন মাসের নিচে নয়), ডবধষঃয নঁরষফবৎ ফবঢ়ড়ংরঃ ংপযবসব, রহংঁৎধহপব নড়হফ ইত্যাদি।

২০১৫ সালে শুধু সরকারি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম আয় ছিল ১০১৯৪.৯ কোটি টাকা। একই বছর বেসরকারি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মোট প্রিমিয়াম আয় ছিল ২৩৯৫.৪৪ কোটি টাকা। বেসরকারি খাতে ২০১৫ সালে লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ছিল ২৮৬৫৪.৭৬ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়ামের আয় ছিল ২২৬৭.৯২ কোটি টাকা। একই সময়ে বেসরকারি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৩৫৩৩.৭ কোটি টাকা। কাজেই ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি বাংলাদেশের আথির্কব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আথির্ক বাজারে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

প্রাসঙ্গিকভাবে ভারতের ঘইঋও বা ঘইঋঈ (ঘড়হ-ইধহশ ঋরহধহপরধষ ঈড়সঢ়ধহু)-এর কাযর্ক্রমের উপর একটু আলোকপাত করা যাক। ভারতে ঘইঋও দুই ধরনের:

অ ঈধঃবমড়ৎু (ঘড়হ-ইধহশ ঋরহধহপরধষ ঈড়সঢ়ধহু-ধপপবঢ়ঃরহম ফবঢ়ড়ংরঃং).

ই ঈধঃবমড়ৎু (ঘড়হ-ইধহশ ঋরহধহপরধষ ঈড়সঢ়ধহু – হড়হ-ৎধরংরহম ঢ়ঁনষরপ ফবঢ়ড়ংরঃ).

ভারতের আথির্ক ব্যবস্থায় ঘইঋঈং এর চৎড়ফঁপঃ নি¤œরূপঃ-

ঋঁহফবফ নধংবফ

* ঈড়সসবৎপরধষ ইধহশরহম

* ষবধংরহম

* ঐরৎব চঁৎপযধংব

* ঋধপঃড়ৎরহম

* ঝযধৎব রহাবংঃসবহঃ

ঘড়হ ভঁহফবফ:-

* গবৎপযধহঃ নধহশরহম

* ঢ়ড়ৎঃভড়ষরড় সধহধমবসবহঃ

* ঝঃড়পশ ধহফ ঝবপঁৎরঃু নৎড়শবৎরহম, গবৎমবৎং ্ অপয়ঁরংরঃরড়হং

* ঋড়ৎবরমহ ঊীপযধহমব নৎড়শবৎ

* ইরষষ ফরংপড়ঁহঃরহম.

এখানে কাজের মধ্যে ঈড়সসবৎপরধষ ইধহশরহম, ঐরৎব চঁৎপযধংব, ষবধংরহম ইত্যাদি ছাড়া অন্যান্য কাযর্ক্রমে তাদের অংশগ্রহণ খুবই নগণ্য। বাংলাদেশে ঘইঋও এর মধ্যে আছে উবাবষড়ঢ়সবহঃ ঋরহধহপরধষ রহংঃরঃঁঃরড়হং, খবধংরহম পড়সঢ়ধহরবং, ওহাবংঃসবহঃ পড়সঢ়ধহরবং, গবৎপযধহঃ নধহশবৎং ইত্যাদি। এখানে ওহংঁৎধহপব পড়সঢ়ধহু গুলোর অনুমোদন/লাইসেন্সিং বা অন্য যে কোনো কমর্কাÐের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্টতা রাখা হয়নি। যে কারণে এই ৭৬টি ইন্স্যুরেন্স প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ আথির্ক সম্পদের/তারল্যের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে।

আমাদের আথির্ক ব্যবস্থায় ঘইঋও এর কাযর্ক্রম বাস্তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাযর্ক্রম থেকে আলাদা করার সুযোগ খুব একটা নেই। সাবির্কভাবে, যেসব প্রতিষ্ঠানে বাণিজ্যিক ব্যাংকের অথার্য়ন রয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঘইঋও সেখানেই অথার্য়ন করেছে। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান কোন কোন সেক্টরের কাযর্ক্রমে বিশেষায়িত হলেও সাধারণভাবে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক ব্যাংকিং কাযর্ক্রমকে প্রাধান্য দিতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। ঘইঋও-এর মূল কাজ গবৎপযধহঃ নধহশরহম, গবৎমবৎং ধপয়ঁরংরঃরড়হ ঋধপঃড়ৎরহম, ইৎড়শবৎরহম ( দেশীয় ও বৈদেশিক বিনিময়সংক্রান্ত), উরংপড়ঁহঃরহম, ইত্যাদিতে পারদশির্তা ও আগ্রহের ঘাটতি লক্ষণীয়। ঈধঢ়রঃধষ সধৎশবঃ এসব প্রতিষ্ঠানের যথাযথ ভূমিকা অনুপস্থিতই রয়ে গেছে।

ব্যাংক এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক (নন-সিডিউল), ক্ষুদ্র সঞ্চয়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অথর্পূণর্ ও গভীর সম্পকের্র কারণে দেখা যায়, এদের একটি অংশ অথর্-সংকটে (ঋরহধহপরধষ পৎরংরং) পড়লে অন্য অংশ খুব সহজেই বিপদগ্রস্ত হয়। আমাদের অথর্ব্যবস্থায় দুটো অংশের যোগসূত্র/আন্তঃ যোগাযোগের মাত্রা সম্পকের্ পরিমাপ করা না হলেও অন্যান্য অথর্নীতির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পকর্ থেকে তা সহজেই অনুমান করা যায়। ইইউএর বিভিন্ন ব্যাংক ও ঘইঋও এর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৫-২০১০ এর মধ্যে ঘইঋও এর কাজে ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের দাবি ৫০% বেড়েছে, যে কারণে কোনো সংকটজনক অবস্থার সৃষ্টির পূবর্ এবং পরবতীর্ সময়ে একটি অংশ অন্য অংশকে দ্রæত প্রভাবিত করে থাকে।

ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বল্প-মেয়াদি অথার্য়ন থেকে যত বেশি দীঘের্ময়াদি অথার্য়নের দিকে ধাবিত হয় বিপদ ততই ঘনীভূত হয়। চড়ৎঃভড়ষরড় নধষধহপব এ গধঃঁৎরঃু সরংসধঃপয সমস্যার কারণে পুরো আথির্ক ব্যবস্থা সংকটে পতিত হতে বাধ্য হয়। জবধষ ঊংঃধঃব সহ অন্যান্য খাতে দীঘের্ময়াদি ঋণে ব্যাংকের অংশগ্রহণ একদিকে যেমন সংকটপূণর্ অবস্থার সৃষ্টি করছে তেমনি স্বল্প-মেয়াদি ঋণ এলটিআর, লিম, ওডি, ও সিসি ইত্যাদি রিসিডিউল ও রিস্ট্রাকচারিং-এর মাধ্যমে দীঘের্ময়াদে চলে যাচ্ছে। আইনগত জটিলতার কারণে অনেক স্বল্প-মেয়াদি ব্যাংক ঋণ দীঘের্ময়াদে অনাদায়ী থাকার কারণে গধঃঁৎরঃু সরংসধঃপয তথা চড়ৎঃভড়ষরড় রসনধষধহপব দেখা দিচ্ছে। যা ব্যাংকিং এবং ঘইঋও উভয় অংশের জন্য ঝুঁকিপূণর্ অবস্থার সৃষ্টি করেছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক এবং নন-ব্যাংক আথির্ক প্রতিষ্ঠানের কাযর্ক্রমে সীমারেখা না থাকার বিষয়টি সামনে চলে আসে। অন্ততপক্ষে চড়ৎঃভড়ষরড় সধহধমবসবহঃ এ আথির্ক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাযর্ক্রম কঠোরভাবে মনিটরিং করা আবশ্যক বলে মনে হয়।

লেখক : গবেষক
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে