logo
সোমবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩ পৌষ ১৪২৫

  এম এ খালেক   ২৬ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

যেভাবে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে স্থায়ী করা যাবে

ব্যাংক ঋণের সুদের হার আমাদের দেশে অত্যন্ত বেশি। এমনকি বিশ্বের যেসব দেশে ব্যাংক ঋণের সুদের হার অত্যন্ত বেশি তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। নানাভাবে চেষ্টা করা সত্তে¡ও ব্যাংক ঋণের সুদের হার সহনীয় পযাের্য় নামিয়ে আনা যাচ্ছে না। বিষয়টি কতটা উদ্বেগজনক যে, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে নিদের্শনা দিতে হয়। অনেক সময় ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমার মতো পরিস্থিতির উদ্ভব হলেও তা যৌক্তিকভাবে হ্রাস পায় না। ব্যাংক মালিকদের একটি অংশ পরিকল্পিতভাবে সুদের হার বাড়িয়ে রাখছে। এর মাধ্যমে তারা অতিরিক্ত মুনাফা অজের্নর পথ সুগম করছেন। অবশ্য ব্যাংক ঋণের সুদের হার না কমার পেছনে আরও অনেক কারণ রয়েছে, যেগুলোকে আমরা প্রায়ই উপেক্ষা করে চলেছি।

যেভাবে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে স্থায়ী করা যাবে
ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস’ (বিএবি)-এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার স¤প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ৩৮টি ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের মধ্যে ২০টি ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে। ২০টি ব্যাংক সুদের হার কমিয়ে আনতে পারলে অবশিষ্ট ১৮টি ব্যাংক কেন সুদের হার কমিয়ে আনতে পারবে না? প্রসঙ্গক্রমে তিনি আরও বলেন, যেসব ব্যাংকের এমডি এবং সিইও ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনতে ব্যথর্ হবেন, তারা দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার ঘোষণা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এতে অথর্মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভনর্র সম্মতি দিয়েছেন। তাহলে এই ঘোষণা কাযর্করে বাধা কোথায়? উল্লেখ্য, অনেক দিন ধরেই দেশের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর জন্য দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সুদের হার কমানোর অজুহাতে ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের উদ্যোক্তারা ব্যাংক পরিচালনার ক্ষেত্রে নানা ধরনের সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন। কিন্তু সুদের হার কমানোর ব্যাপারে তারা কাযর্কর কোনো ব্যবস্থা ইতিপূবের্ গ্রহণ করেননি। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনার পর বিএবি যখন সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার ঘোষণা দেয়, তখন কয়েকটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নিবার্হী কমর্কতার্ বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃর্পক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার ব্যাপারে কিছু শতাের্রাপ করেছেন। বিশেষ করে তারা বলেছেন, সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হলে ৬ শতাংশ সুদ হারে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের আমানত তাদের দিতে হবে। তাহলেই কেবল তারা ৯ শতাংশ সুদের ঋণদান করতে পারবেন। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের আমানতের ৫০ শতাংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকে সংরক্ষণের নিদের্শনা জারি করা হয়েছে। আগে এটা ছিল ২৫ শতাংশ। এখন তারা সেই আমানত ৬ শতাংশ সুদে প্রদানের দাবি করছেন। ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি নিদের্শ প্রদানের পরও ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের কিছু ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেই নিদের্শনা মানতে চাইছেন না, এটা কি স্বাভাবিক ঘটনা বলে মনে হয়? ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের উদ্যোক্তারা হচ্ছেন ব্যাংকের একচ্ছত্র মালিক। আর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হচ্ছেন বেতনভুক্ত কমর্চারী মাত্র। এখন মালিকের চেয়ে কমর্চারী যদি বেশি ক্ষমতাবান হন, তাহলে সেটা কি বঁাশের চেয়ে কঞ্চি বড় হওয়ার মতো হলো না? অথবা এটা ইঁদুর-বিড়াল খেলার মতো হলো না? মালিক যদি কোনো নিদের্শনা প্রদান করেন, তা মানা কমর্চারীর জন্য বাধ্যতামূলক। তাই যেসব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঋণের সুদ হার কমানোর ক্ষেত্রে শতাের্রাপ করেছেন, তারা নিজেদের দায়িত্বে এটা করেছেন তা মনে করার কোনো কারণ নেই।

ব্যাংক ঋণের সুদের হার আমাদের দেশে অত্যন্ত বেশি। এমনকি বিশ্বের যেসব দেশে ব্যাংক ঋণের সুদের হার অত্যন্ত বেশি তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। নানাভাবে চেষ্টা করা সত্তে¡ও ব্যাংক ঋণের সুদের হার সহনীয় পযাের্য় নামিয়ে আনা যাচ্ছে না। বিষয়টি কতটা উদ্বেগজনক যে, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে নিদের্শনা দিতে হয়। অনেক সময় ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমার মতো পরিস্থিতির উদ্ভব হলেও তা যৌক্তিকভাবে হ্রাস পায় না। ব্যাংক মালিকদের একটি অংশ পরিকল্পিতভাবে সুদের হার বাড়িয়ে রাখছে। এর মাধ্যমে তারা অতিরিক্ত মুনাফা অজের্নর পথ সুগম করছেন। অবশ্য ব্যাংক ঋণের সুদের হার না কমার পেছনে আরও অনেক কারণ রয়েছে, যেগুলোকে আমরা প্রায়ই উপেক্ষা করে চলেছি। সা¤প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের উদ্যোক্তারা নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে অনেক ধরনের দাবি আদায় করে নিয়েছেন। যেমন কিছু দিন আগে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের দাবির মুখে বিধিবদ্ধ জমার হার (সিআরআর) এক শতাংশ কমিয়েছে। এতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা তারল্য ব্যাংকিং সেক্টরে প্রযুক্ত হয়েছে। ঋণের অস্বাভাবিক প্রবাহ হ্রাস করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক স¤প্রতি এডি রেশিও (অ্যাডভান্স-ডিপোজিট রেশিও) কিছুটা হ্রাস করেছে। যেসব ব্যাংক নিধাির্রত এডি রেশিও অতিক্রম করে ঋণ প্রদান করেছে, তাদের সেই ঋণাংক জুন, ২০১৮ সময়ের মধ্যে সমন্বয় সাধনের নিদের্শ দিয়েছিল। কিন্তু পরবতীের্ত ব্যাংক মালিকদের অনুরোধ এবং তদবিরের পরিপ্রেক্ষিতে সেই সময়সীমা প্রথমে ডিসেম্বর, ২০১৮ এবং পরবতীর্কালে মাচর্ ২০১৯ পযর্ন্ত বধির্ত করা হয়েছে। কিছুদিন আগে জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়ন করে একই পরিবার থেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকে ৪ জন পরিচালক নিয়োগের বিধান করা হয়েছে। তাদের মেয়াদ অব্যাহতভাবে ৯ বছর করা হয়েছে। আগে এক পরিবার থেকে ২ জন পরিচালক নিযুক্ত হতে পারতেন এবং তারা অব্যাহতভাবে ৬ বছর দায়িত্ব পালন করতে পারতেন। নতুন এই আইনের ফলে ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকে পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের এতসব সুবিধা প্রদানের পর সরকার নিশ্চয়ই চাইতে পারে যে তারা তুলনামূলক স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করবে; কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। এমনকি ঋণের চাহিদা ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার পরও ব্যাংকগুলো তুলনামূলক স্বল্প সুদে ঋণ দিচ্ছে না।

বাংলাদেশ ’৯০-এর দশক থেকেই মুক্তবাজার অথর্নীতি অনুসরণ করে চলেছে। কিন্তু এখনও মুক্তবাজার অথর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করতে পারেনি। ফলে মুক্তবাজার অথর্নীতির সুফল আমরা পুরোপুরি ভোগ করতে পারছি না। নানাভাবে মুক্তবাজার অথর্নীতিকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। বতর্মানে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যে চাপ দেয়া হচ্ছে, এটা কোনোভাবেই মুক্তবাজার অথর্নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূণর্ নয়। কারণ মুক্তবাজার অথর্নীতির মূল কথাই হচ্ছে একটি সেবা বা পণ্যের মূল্য নিধাির্রত হবে বাজার চাহিদা ও জোগানের ওপর ভিত্তি করে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বাজারে শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠা বা ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ঋণের চাহিদা না থাকলেও ব্যাংকগুলো প্রচুর পরিমাণ ঋণ প্রদান করছে। এটা কোনোভাবেই স্বাভাবিক অবস্থার নিদের্শক নয়। অনেকেই মনে করছেন, দেশের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক দিন ধরেই এক ধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এই অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। তাহলে ব্যাংক ঋণের চাহিদা এভাবে বাড়ছে কেন? তারা আরও মনে করছেন, একশ্রেণির মানুষ ব্যাংক থেকে নানাভাবে ঋণ নিয়ে তা দেশের বাইরে পাচার করছেন। ফলে বিনিয়োগ চাহিদা কম থাকার পরও ঋণের চাহিদা কোনোভাবেই কমছে না। বতর্মানে সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর চেষ্টা করছে, তা কোনো দিনই সফল হবে না। ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমাতে হলে আমাদেরকে সমস্যার মূলে আঘাত হানতে হবে। প্রথমেই আমানতের ওপর প্রদত্ত সুদের হার কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ, আমানতের ওপর উচ্চহারে সুদ প্রদান করলে একটি ব্যাংকের পক্ষে কোনোভাবেই স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করা সম্ভব হবে না। সুদের হার কমাতে হলে প্রথমেই আমানতের ওপর সুদহার কমাতে হবে। আর আমানতের ওপর সুদহার কমানো বা পযার্প্ত পরিমাণে ঋণ প্রদান করতে বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ‘অপারেটিং কস্ট’ অত্যন্ত বেশি। এ ছাড়া সাবির্কভাবে সুদের হার না কমার পেছনে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করছে পবর্তপ্রমাণ খেলাপি ঋণ আদায়ে সীমাহীন ব্যথর্তা। রাষ্ট্রীয় পযাের্য় খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য কোনো কাযর্কর উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে না। কয়েক মাস আগের এক পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছিল, ব্যাংকিং সেক্টরের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে অবলোপনকৃত আরও ৪৫ হাজার কোটি টাকা যোগ করলে সামগ্রিকভাবে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দঁাড়ায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া যেসব ঋণ হিসাব পুনঃতফসিলীকরণ করা হয়েছে, সেগুলো থেকেও ঋণ তেমন একটা আদায় হচ্ছে না। ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে। বতর্মানে যেভাবে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর চেষ্টা করা, এটা কোনোভাবেই দীঘের্ময়াদি সমাধান হতে পারে না। ব্যাংকগুলো হয়তো চাপের মুখে তাদের সুদের হার কমাবে; কিন্তু কিছুদিন পরই আবার সুদের হার বাড়াবে। কারণ মুক্তবাজার অথর্নীতিতে কোনো কিছুই জোর করে চাপিয়ে দেয়া যায় না। বাজার চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই সব কিছু নিধাির্রত হবে।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরের সবেচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে খেলাপি ঋণের প্রবল উপস্থিতি এবং ব্যাংকগুলোতে অভ্যন্তরীণ সুশাসনের প্রচÐ অভাব। ব্যাংকিং সেক্টর বতর্মানে ‘দুষ্টের পালন এবং সৎ মানুষের দমন’ নীতিমালা অনুসরণ করে চলেছে। ঋণদানকালে একজন কমর্কতার্ যদি ব্যাংকের স্বাথর্ সংরক্ষণে নিবেদিত হতেন, তাহলে খেলাপি ঋণ সৃষ্টির আশঙ্কা অনেকটাই কমে যেত। একশ্রেণির ব্যাংক কমর্কতার্ তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা লুফে নিচ্ছে। আর এই সুযোগে অসৎ ঋণগ্রহীতারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করছে বা অন্য খাতে প্রবাহিত করছে। যারা ব্যাংকের ভেতরে বসে নানা ধরনের দুনীির্ত আর অপকমর্ করছে, তাদের বিচার করা হচ্ছে না। ব্যাংকিং সেক্টরে একধরনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু হয়েছে। যারা সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন, তারা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় তার অপব্যবহার করা হচ্ছে। ঋণের সুদ মওকুফ, ঋণ হিসাব অবলোপন, ঋণ হিসাব পুনঃতফসিলিকরণ ইত্যাদি যেসব সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে, তার প্রায় সবাই ঋণখেলাপিদের স্বাথর্ সংরক্ষণ করছে। একজন ঋণ গ্রহীতা যদি বুঝতে পারেন তিনি নিয়মিত ঋণের কিস্তি পরিশোধ করলে কোনো ধরনের আথির্ক ছাড় বা সুবিধা পাবেন না। কিন্তু বছরের পর বছর ঋণের কিস্তি আটকে রাখলে সুদ এবং দÐ সুদ মওকুফ সুবিধা পাবেন, তাহলে তিনি কেন নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করবেন? যারা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি অথার্ৎ সামথর্্য থাকা সত্তে¡ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ করছেন না, তাদের ‘জাতীয় শত্রæ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। খেলাপি ঋণের অধের্কও যদি আদায় করা যেত, তাহলে ব্যাংকিং সেক্টরে আমানতের কোনো সংকট সৃষ্টি হতো না। একই সঙ্গে যারা ব্যাংকের অভ্যন্তরে বসে ব্যাংক তথা রাষ্ট্রীয় অথর্নীতির ক্ষতি করছেন, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। শুধু নিদের্শনা দিয়ে কখনোই ব্যাংক ঋণের সুদের হার সীমিত রাখা যাবে না।

লেখক : অথর্নীতিবিষয়ক কলাম লেখক
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে